অনবদ্য সেটা এই মুভি না দেখলে বুঝবেন

কোরিয়ানরা থ্রিলারের পাশাপাশি রোমান্টিক জনরাতেও যে অনবদ্য সেটা এই মুভি না দেখলে বুঝবেন না।কোরিয়ান রোমান্টিক মুভির ভিতরে এটি সবসময় উপরের দিকে অবস্থান করে চলেছে।ভালোবাসার মানুষ যে কতটা সেটা এই মুভি দেখিয়েছে। Su-jin প্রথমে একজন বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়ে।কিন্তু লোকটি Su-jin কে ধোঁকা দেয়।মানসিকভাবে Su-jin নিজেকে সামলে উঠার চেষ্টা করছে।সে একদিন তার বাবার সাথে সাইট দেখতে যায়।তার বাবা হচ্ছে কন্সট্রাকশন ফার্মের CEO.সেইসূত্রে Su-jin এর পরিচয় হয় Chul-soo নামের এক যুবকের সাথে।

 যে অনবদ্য সেটা এই মুভি না দেখলে বুঝবেন না

যে ছিল তার বাবার একজন সাধারণ ফোরম্যান। একসময় দুজনের প্রেম হয়।পরিবার আপত্তি করলেও শেষমেষ দুজনের বিয়েও হয়।দুজনের চোখে একটা সুন্দর বাড়ি বানানোর স্বপ্ন থাকে।কিন্তু বিপত্তি ঘটে Su-jin এর Alzheimer রোগটির কারণে।এ রোগের ফলে রোগীর সমস্ত স্মৃতি মুছে যায় এবং একসময় সে নিজেকেই চিনতে পারেনা।সবার আগে রিসেন্ট স্মৃতিগুলো মুছে যেতে থাকে।এরইমধ্যে Su-jin এর আগের প্রেমিক ফিরে আসে। একজন মানুষের স্মৃতি মুছে যাওয়া মানে তার আত্মাকে হারিয়ে ফেলা। Su-jin কি তাহলে Chul-soo কে চিরতরে ভুলে যাবে?নাকি Chul-soo সারাজীবন Su-jin এর “Memory & Heart” হয়ে থাকতে পারবে? রোমান্টিক মুভি লাভারদের জন্য মাস্টওয়াচ একটি মুভি।শেষের দিকে এসে আমি তো একদমই ইমোশনায় হয়ে পড়ি।

i

WhatsApp একাউন্ট করার নিয়ম | WhatsApp একাউন্ট করার সহজ নিয়ম দেখুন এখানে

যে মানুষটি আপনাকে সবটা উজাড় করে ভালোবাসে সেই যদি আপনার নামটা পর্যন্ত ভুলে গিয়ে আগের প্রেমিকের নাম ধরে সম্বোধন করে তখন কেমন অনুভূতি হবে আপনার???⭕আমজাদ হোসেনের কাহিণী অবলম্বনে তৌকীর আহমেদ পরিচালিত প্রথম মুভি।সংলাপ এবং চিত্রনাট্য তার নিজেরই লেখা।ছোটবেলায় পাকিস্তানের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে থাকাকালে তৌকীর এর যুদ্ধের বাস্তবতা সম্পর্কে অনুভূতি হয়।থাকার কষ্ট,খাবারের কষ্ট সহ ছিল নানাবিধ সমস্যা।এসব থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করেন জয়যাত্রা।

যুদ্ধের ভয়াবহতা,সাধারণ মানুষের অসহায়তা,বেদনা,ত্যাগ,প্রতিবাদের চিত্র তুলে ধরা হয় এই মুভিতে।একটি গ্রামের মানুষজন শান্তিতে থাকতে ভালোবাসে যুদ্ধ,সংগ্রাম,রাজনীতি নিয়ে তাদের সেভাবে আগ্রহ নেই।হঠাৎ একরাতে পাক হানাদার বাহিণীর আক্রমণ শুরু হয় গ্রামে।মানুষজন সবাই জান রক্ষার জন্য এলোপাথাড়ি ছুটতে থাকে।কিছু মানুষ আশ্রয় নেয় এক নৌকায়।যেখানে রয়েছে নানা মত,চিন্তাধারা এবং ধর্মের মানুষ।এই মানুষ গুলোর বিপদসংকুল পথ অতিক্রমের যে অসহায় যাত্রা সেটিই একসময় জয়যাত্রাতে বদলে যায়।

 পাকিস্তানের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে থাকাকালে তৌকীর

এই মুভিতে চিলের মুরগীর ছানা নিয়ে যাওয়াতে রূপক অর্থে পাক বাহিণীর আক্রমণ কে বুঝানো হয়েছে। নিজের কোলের সন্তান ভীড়ের ভিতরে হারিয়ে গেছে জেনেও বাবা ছেলেকে না খুঁজে বউ নিয়ে পালিয়ে আসে।এথেকে বুঝা গেছে যুদ্ধের ভয়াবহতায় যে যার মত জান নিয়ে পালিয়ে গেছে। নিজের ক্রন্দরত নাতিকে অন্য ধর্মের এক নারী বুকের দুধ দিয়ে শান্ত করে।জাত-পাত নিয়ে বিশ্বাসী সেই লোকের অন্তরে তখনই চির ধরে।সে হাতে থাকা পিতলের মূর্তিটি পানিতে ফেলে দেয় এবং মনে করে সেই নারীই তো আসল দেবী। শহর থেকে ব্যাংকের টাকা লুট করে আনা ব্যক্তিটির ভিতরে যে স্বার্থপরতা প্রকাশ পায় তাতে সে অন্যের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে।আপনি বাঁচলেই বাপের নাম। দুই দিন ধরে আলনার পেছনে লুকিয়ে আছে মেয়েটি।

বিছানায় তার স্বজনদের লাশ।তবুও ছুঁয়ে দেখার সাহস হচ্ছেনা।এ থেকে যুদ্ধের কঠিন ভয়াবহতা প্রকাশ পেয়েছে। সদ্য বিবাহিত এক ছেলে তার বউয়ের জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।যুদ্ধের সময় মানুষ সম্পর্ক বা মায়া বিসর্জন দিতে পারেনি। এক হিন্দু ছেলে নিজের ভিটে ছেড়ে বর্ডারে যেতে চায়না।এ থেকে দেশ এবং মাটির প্রতি ভালোবাসা এবং আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। একজন মাঝির কাজ শুধু টাকা কমাই করা এমনটা নয়।কোন পেশাই যে ছোট নয় সেটা মাঝির সেই মহান দায়িত্বের ভিতর দিয়ে প্রতিফলিত হয়। এক নারী নৌকার বাকিদের সকলকে বাঁচাতে নিজের ছোট ছেলেটিকে মুখ চেপে মেরে ফেলে। সব ধর্মের-বর্ণের মানুষ এক হাঁড়িতে খাবার রান্না করে খায়।

যে মানুষটি মনে করে যা হচ্ছে ঠিকই হচ্ছে সেই কঠিন বাস্তব দেখে পরক্ষণে বলে ফেলে যা হচ্ছে একদমই ঠিক হচ্ছেনা।পরিস্থিতির শোকে মারা যায়। চোরের মত পালিয়ে বাঁচার চেয়ে বীরের মত মরা ভালো।অন্তত নিজের জীবন বিসর্জনে বাকিরা মুক্তি পেয়ে যাক। জয়যাত্রা এমন এক ধরনের মুভি যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর যথার্থ প্রতিফলন ঘটিয়ে এর কাহিনি এবং সংলাপের জীবনঘনিষ্ঠতার এক অন্য রকম মুগ্ধতার জন্ম দেয়।মুভিটি ২৯ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নেয়। শ্রেষ্ঠাংশে:বিপাশা হায়াত,আজিজুল হাকিম,মাহফুজ আহমেদ,আবুল হায়াত,তারিক আনম খান,হুমায়ুন ফরিদী,চাঁদনী প্রমুখ।

 আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর

এই মুভিতে ছিলনা কোন স্টোরি,ছিলনা কোন সংলাপ।আর বাজেট ছিল মাত্র ৫০,০০০।তারপরও মুভিটি নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ ছিলনা।২০১৩ সালের সাইন্স ফিকশন মুভির ভিতরে অন্যতম সেরা ছিল।সেইসাথে এটাকে মিস্ট্রি থ্রিলার এবং সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারও বলা হয়।আপনি যদি মুভির সূক্ষ্ম বিষয়গুলো বুঝতে না পারেন কিংবা হুট করে এমন ধরনের মুভি দেখা শুরু করেন তাহলে আপনার ভাল নাও লাগতে পারে।কিংবা মনে হতে পারে দেড় ঘণ্টা টাইম ওয়েস্ট করলাম।  ৮ জন বন্ধু একটি বাড়িতে ডিনার পার্টিতে শামিল হয়েছে।

as

ফেসবুক পেজ খোলার নিয়ম | দেখুন কি ভাবে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হয়

তখন পৃথিবীর খুব নিকট দিয়ে একটি ধূমকেতু অতিক্রম করছিলো।ধূমকেতুর রেডিয়েশন থেকে সকলের মোবাইলের গ্লাস ফেটে যায়।তারপর লোডশেডিং হয়ে যায়।এরপর থেকেই শুরু হয় সব উলট-পালট ঘটনা।এক বন্ধু ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা বলার জন্য বাইরে গেলে হুবুহু একই রকমের একটা বাড়ি দেখতে পায় যেখানে ৮ জন বন্ধুরা মিলে ডিনার পার্টি করছে।শুরুতে তারা ভাবে দুটি রিয়েলিটির সৃষ্টি।কিন্তু এরকম অসীম সংখ্যক রিয়েলিটি তৈরী হয়ে গেছে। এই মুভিতে প্যারালাল ইউনিভার্সের বিষয়টা উঠে এসেছে।যেখানে প্রতিটি ইউনিভার্সে আপনার মত হুবুহু অসংখ্য আপনি বাস করছেন।

কিন্তু এসব ইউনিভার্সের মধ্যে কোন ইন্টারকানেকশন থাকেনা।কিন্তু মুভিতে কোন কারণে সেসব ইউনিভার্সের ভিতরে যোগাযোগ সৃষ্টি হয়ে গিয়েছিল।দুটি রিয়েলিটির মাঝে রয়েছে ডার্ক জোন।সেখানে কেউ প্রবেশ করলে মানুষ এক রিয়েলিটি থেকে আরেক রিয়েলিটিতে পৌঁছে যায়। ঠিক যেমনটা এই প্যারালাল ইউনিভার্সের বেড়াজালে মুভির কেন্দ্রীয় চরিত্র এমিলি হারিয়ে গিয়েছিল। মুভিতে শেষে একটা টুইস্ট আছে।আপাতদৃষ্টিতে মুভিটিকে আনকোড়া মনে হলেও এর প্লট যে কি পরিমাণ প্যাঁচালো আপনি কল্পনাও করতে পারছেন না।প্রথম বাড়িতে যে ৮ জন বন্ধু ছিল এরা বিভিন্নভাবে ভিন্ন ভিন্ন রিয়েলিটিতে মিক্স হয়ে যায়।শুরু হয় গোলমাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *