আনন্দধারা রয়েছে ক্রোধ বিভিন্ন প্রকার এক প্রশংসনীয়

আনন্দধারা রয়েছে ক্রোধ বিভিন্ন প্রকার এক প্রশংসনীয় ক্রোধ 2 নিন্দনীয় গ্রন্থ 3 স্বভাবগত ক্রোধ প্রশংসনীয় ক্রোধ হচ্ছে যেমন আল্লাহর প্রতি মহব্বত পোষণকারী কোন মুসলিম যখন আল্লাহ কোন কাজ হতে থাকেন তখন সে ক্রুদ্ধ হয় এই গ্রুপ প্রশংসনীয় এমন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট পুরস্কৃত হবে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ এটাই বিধান আর কেউ আল্লাহর সম্মানযোগ্য বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে পালনকর তার নিকট তা তার জন্য উত্তম সূরা হজ্জ আয়াত নং 30।

আল্লাহর নিকট পুরস্কৃত হবে

সে ক্ষেত্রে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে নিয়ে কেউ যদি কটুক্তি করে এবং তার বিনিময়ে যদি কোন মানুষ প্রধান নিতে হয় তাহলে সেটি ও আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে দ্বিতীয় নম্বর হচ্ছে নিন্দনীয় গ্রন্থ এমন কোন জাতের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ নিজের অন্যায় দাবি প্রতিষ্ঠা করার জন্য ক্রুদ্ধ হবে প্রকারের প্রধান মৃত ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ঘৃণিত ও অভিশপ্ত তৃতীয়তঃ হচ্ছে স্বভাবগত ক্রোধ যেমন কারো স্ত্রী তার কথা অমান্য করলে সিদ্ধ হয়নি প্রকারের ক্রোধ হালাল।

আনন্দধারা রয়েছে ক্রোধ বিভিন্ন প্রকার এক প্রশংসনীয়

কিন্তু এর পরিনাম এর কারণেই এই গ্রুপ থেকে ও বারণ করা হয়েছে একে রাসুলের নিষিদ্ধ ক্রোধের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ক্রোধের কতিপয় কারণ স্বভাবগত ক্রোধ অহংকার এর ফলে সৃষ্টি ক্রোধ ব্যক্তিত্বও নেতৃত্বে লালসা থেকে জনিত ক্রোধ অনর্থক সত্যগ্রহ অত্যাধিক হাসি মজা ঠাট্টা বিদ্রুপ এরমধ্যে আবার সৃষ্টি হওয়া ক্রোধ ক্রোধ এর পরিণাম খুবই অমঙ্গলজনক ক্রোধ বুদ্ধিমান ব্যক্তি বুদ্ধি নির্ভুলভাবে প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ফলে উত্তেজনার বশীভূত হয় অন্যায় নির্দেশ প্রদান করে অতঃপর যখন ভেঙে যায় তখন এর জন্য লজ্জিত হয়।

যেমন কেউ ক্রোধে অস্থির হয়ে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ফেলল বাণীর সন্তানকে অথবা আপনজনকে এমন. ঘরকুনো যে সে রক্তাক্ত হয়ে গেল এদের কারণেই নিশ্চয়ই পরবর্তীতে সে লজ্জিত হবে প্রধান ব্যক্তি থেকে মানুষ পলায়ন করে বর্জন করে তার আশপাশ ফলে সে কখনো মানুষের শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা লাভ করতে পারে না বঞ্চিত হয় মানুষের সুদৃষ্টি হতে বরং সব সময় মানুষের নিকট বিনীত হয়ে থাকে ক্রোধ হলো মানুষের মাঝে শয়তানের প্রবেশদ্বার এ পথে প্রবেশ করেই মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি নিয়ে সে খেলা করে ক্রোধ পাপকাজের দ্বার উন্মুক্ত কারী।

আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠে

ক্রোধ সমাজে বিরাজমান পারষ্পরিক আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্য কে ভেঙে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ও মানবিকতা সৃষ্টি করে ক্রোধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর কেননা অত্যধিক ক্রোধ মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ শরীরে নিয়ন্ত্রণ এর ওপর আঘাত হানে ফলে তা বহুমূত্র রক্তের বায়ুচাপ ও হার্ট দুর্বলতার সহ অনেক রোগের কারণ হয় কথায় বলে ক্রোধান্বিত ব্যক্তি বেশিরভাগই হার্ট অ্যাটাকে মারা যান রোধের পরিমাণ হল হল নিজের সম্পদ ধ্বংস করা ও মানুষের. সোনালী পতিত হওয়া এই ক্ষতিকর গ্রুপ থেকে পরিত্রাণের উপায় যে সমস্ত কারণে মানুষ রুদ্ধ হয় সেগুলো থেকে দূরে থাকা।

মুখ ও অন্তরা আল্লাহর যিকির করা কেননা ক্রোধ হল শয়তানের কুপ্রভাবের বিষক্রিয়া তাই যখন মানুষ আল্লাহর যিকির করে তখন শয়তানের প্রভাবমুক্ত হয়ে যায় আল্লাহ বলেন যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির শান্তি লাভ করে জেনে রাখ আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায় সূরা রাদ আয়াত নম্বর 28 প্রত্যেক ও মানুষকে ক্ষমা সবের কথা স্মরণ করা এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে ছুটি যাও যার সীমানা হচ্ছে আসমান জমিন যা তৈরি করা হয়েছে।

মুত্তাকীদের জন্য যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদের কে খুবই ভালোবাসেন আলে ইমরান আয়াত 133 থেকে এক. 34 রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেন ক্রুদ্ধ হইল না প্রতিদানে তোমার জন্য জান্নাত সুবাহানাল্লাহ পরিণতির কথা স্মরণ করো প্রধান ব্যক্তি যদি ক্রুদ্ধ অবস্থায় নিজ অশোভনীয় বিকৃত আকৃতি দেখতে পেত তাহলে লজ্জায় তখনই ক্রান্ত হয়েছে তো বৃদ্ধ ব্যক্তির অবস্থার পরিবর্তন করা যে অবস্থায় ছিল।

আত্মজ্ঞানের সম্ভাবনা বিষয়ে রাসবিহারী দাসের যুক্তিগুলি

তার পরিবর্তে অন্য অবস্থান গ্রহণ করা উঁচু করা তা এই জন্য যে ক্রোধ শয়তানের পক্ষ থেকে আর শয়তান আগুনের তৈরী আর আগুন পানি দ্বারা নির্বাচিত হয়ে যায় এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর বাণী রয়েছে যখন আসবে তখন আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রজীম পড়ে নিবে কেননা যখন সে উক্ত বাক্য পাঠ করে তখন শয়তান পিছু হটে যায় যেমন হাদীসে আছে দুই ব্যক্তি রাসূলের সামনে একে অন্যকে কটুবাক্য বলছিল তাদের চেহারা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি এমন প্রাণী সম্পর্কে অবগত যদি সে থাকত তবে।

আনন্দধারা রয়েছে ক্রোধ বিভিন্ন প্রকার এক প্রশংসনীয়

 দারু দূরীভূত হতো যদি সে আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বলতো তবে তার রোদ্দুর হয়ে যেত 5650 নং হাদিস মুমিনের বিশেষ গুণ হলো সে সব সময় উভয় জগতের মঙ্গল জনক কাজে সচেষ্ট থাকে যেমন হাদীসে বর্ণিত ব্যক্তি উপদেশের জন্য রাসূলের উপস্থিতিকে সুবর্ণ সুযোগ মনে করে রাসুল থেকে বারংবার উপদেশ যাচ্ছিলেন তার জীবনের পাথেয় হবে বর্তমান যুগে আল্লাহর পথে আহ্বায়ক ও আলেম সম্প্রদায়ের উপস্থিতির আল্লাহর অনুগ্রহ মনে করে তাদের শিক্ষা আদেশ-উপদেশ থেকে উপকৃত হওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *