আযান  চলাকালীন যে কাজ গুলো অবশ্যই করবেন

আযান  চলাকালীন যে কাজ গুলো অবশ্যই করবেন আর যে কাজগুলো একেবারে করবেন না আসুন জেনে নেয়া যাক পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধনীর নাম আজাদ এটি মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে কোটি মানুষের উপলব্ধি ইন্টারনেটে অজস্র ভিডিওজ রয়েছে যেখানে দেখা যায় একজন অমুসলিম আজাদের বাণী শুনে তিনি মন্ত্র মুগ্ধ হয়েছেন তা হবে না কেন আজান্ত সৃষ্টির প্রতি মহান সৃষ্টিকর্তা পালনকর্তা আহ্বান একজন মানুষকে যখন তার মহান মালিকের প্রতি আহ্বান করা হয় তার উপলব্ধি তখন কেমন হতে পারে।

আযান  চলাকালীন যে কাজগুলো একেবারে করবেন না

তাই আযানের আওয়াজ শুধু মুসলমানের অন্তরে নাড়া দেয় না বরং তা অমুসলিমের অন্তর কেউ আকর্ষণ করে যুগে যুগে যার অজস্র উদাহরণ রয়েছে সহিংস ও নিন্দুকের কথা ভিন্ন আল্লাহর ভাষায় যার অন্তরে আল্লাহর মেরে দেয় সে তো হেদায়েতের আলো উচিত হবে তাই ইসলামের আযানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আযান শুনে আযানের জবাব দেওয়া রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব আজান শ্রবণকারী ও মৌখিকভাবে আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ইরশাদ করেন যখন তোমরা আজান শুনবে এর জবাবে মহসিন এর অনুরূপ তোমরা ভুলবে আযানের জবাব দেয়ার পদ্ধতি গুলো আমাদের প্রত্যেকেরই জানা রয়েছে।

আযান  চলাকালীন যে কাজ গুলো অবশ্যই করবেন

মুয়াজ্জিন প্রত্যেকটি বাক্য বলে থামার পর ওই বাক্যটির নিজেও অনুরূপভাবে বলবে কিন্তু মুয়াজ্জিন হাইয়া হাইয়া আলাল ফালাহ বলার সময় শ্রোতা লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলবে এটাই বিশুদ্ধতম অভিমত সহিঃ মুসলিম হাদিস নং 385 তবে কোনো কোনো বর্ণনায় হাইয়া আলাস সালাহ হাইয়া আলাল ফালাহ বলার সময় গ্রুপ বলার অনুমতি দেয়া হয়েছে কিতাবুদ দোয়া তাবরানী হাদিস নং 458 আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম এর জবাবে ইসলামী ফিক্বহের বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনামতে।

ফজরের আজানে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম এর জবাবে সাদা পতাকায় রাখতা বলতে হবে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম শব্দের অর্থ হলো ঘুম থেকে নামাজ উত্তম কিন্তু হাদীস ও সুন্নাহ এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় বিশুদ্ধতম মত অনুসারে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম এর জবাবে মনের মত অনুরূপ আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম বলাই উত্তম গণনা হাদীস শরীফে এসেছে আযানের জবাবের তোমরা মোয়াজ্জিনের অনুরূপ বলবে প্রচলিত কিছু ভুল আছে সেরকম দুটি ভুল আলোচনা করছে কেউ কেউ আজানে আল্লাহু আকবর এর জবাবে জাল্লা জালালুহু পড়ে থাকে এটি সুন্নাহ-পরিপন্থী।

আযানের সময় কোন দোয়া পড়তে হয়

অনেকে আজানের সময় জবাব দিতে গিয়ে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে থাকেন এটি উচিত নয় কেননা এ সময় দরুদ পড়ার নির্দেশ নেই বরং তখনও মুয়াজ্জিনের অনুরূপ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু. প্রথম খন্ডের 273 পৃষ্ঠা আহসানুল ফতোয়া দ্বিতীয় খন্ডের 278 পৃষ্ঠার এই দুরুদ পাঠ করা উচিত আযান শেষ হওয়ার পর আমাদের দেশে আজানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ বলার সময় অনেকেই বৃদ্ধাঙ্গুলে চুমু খেয়ে সুখে থাকেন কেউ কেউ আবার সঙ্গে কুররাদু আইনে দোয়া উপরে থাকে।

অথচ ইসলামী শরীয়তে এর কোনো প্রমাণ নেই সুতরাং এ কি বর্জনীয় প্রসিদ্ধ আছে আযানের জবাব না দিলে বা আযানের সময় কথা বললে বেঈমান হয়ে যায় কিংবা বেইমান অবস্থায় মারা যাওয়ার ভয় আছে এরূপ কোন বর্ণনা ও হাদীসের কিতাবে নেই সুতরাং এটি ভ্রান্ত বিশ্বাস তবে আজ নিশ্চুপ থাকতে হবে যারা আযানের জবাব দেবে না নামায আদায়কারী পানাহার অবস্থায় স্ত্রীর জাকারি ইত্যাদি সময় আযানের জবাব দেওয়া যাবে না তবে অনেক আলেমদের মতে আযানের পরক্ষণেই যদি উল্লেখিত কাজ থেকে অবসর হয়।

তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আযানের জবাব দিয়ে দেওয়া উত্তম কোরআন তেলোয়াত কারী তেলাওয়াত. সাময়িক বন্ধ রেখে আযানের জবাব দেওয়া উত্তম জুমার দ্বিতীয় আযানের জবাব জুমার দ্বিতীয় আযানের সময় যখন খতিব সাহেব মিম্বরে উপবিষ্ট থাকেন তখনকার নির্ভরযোগ্য জুমার দ্বিতীয় আযানের জবাব মৌখিক না দেওয়াটাই উত্তম দাস সত্ত্বেও কেউ দিতে চাইলে মনে মনে জবাব দিতে পারেন আযানের সময় দুনিয়াবী কথা ও কাজে লিপ্ত থাকা আযানের সময় চুপ থাকার জন্য একান্ত প্রয়োজন না হলে সাধারণ তিনিও দুনিয়াবী কথা বা কাজে লিপ্ত থাকা অনুচিত বক্তৃতা সেমিনার চলাকালে আজান হলে সাময়িক স্থগিত রাখবে।

আজানের আগে দুরুদ পড়া যাবে কি

ওয়াজ মাহফিল চলাকালেও তার সাময়িক বন্ধ রেখে সবাইকে আযানের জবাব দেওয়া উত্তম মনে রাখতে হবে একজন আযানের জবাব দিলে সবার পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যায় কেননা আযানের জবাব দেওয়া শ্রবণকারী সব মুসলমানের জন্য জান্নাত আর আযানের জবাব দেওয়ার জন্য থেকে ফায়ার টেলিভিশনের আযানের সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তার জবাব দেওয়ার জন্য রেকর্ড করা হলে তার জবাব দেওয়া. সুন্নত নয় আযানের পর দুরুদ শরীফ ও দোয়া পাঠ করার সুন্নত।

আযান  চলাকালীন যে কাজ গুলো অবশ্যই করবেন

হাদীস শরীফের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ইরশাদ করেন যে ব্যক্তি আযানের পর আল্লাহুম্মা রব্বা হাদিদ আমাকে দোয়াটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করবে তার জন্য আখেরাতে আমার সুপারিশ অবধারিত বুখারি হাদিস নং 614 অন্য বর্ণনায় রয়েছে তোমরা মসজিদে আযানের জবাব দাও অতঃপর দুরুদ পাঠ করুন এরপর আমার জন্য বেহেশতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এর জন্য দোয়া করো আশা করি আল্লাহ তায়ালা আমাকে সে স্থান দান করবেন যে ব্যক্তি এ দোয়া করবে।

আজানের সময় কুরআন তিলাওয়াত

তার জন্য আখিরাতে আমার সুপারিশ অবধারিত হয়ে যায় মুসলিম হাদীস নং 384 আযানের পর হাত তুলে মুনাজাত আযানের দরুদ শরীফ পড়ে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা হাদীস শরীফে রয়েছে তবে আযানের পর হাত তুলে দোয়া পড়া ও মুনাজাত করার কথা উল্লেখ নেই আল্লাহুম্মা রব্বা হাদিদ আমার ঠাম্মা এই দোয়াটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা নেই হাজারের মতো. ইকামতের জবাব দেওয়া মুস্তাহাব ইকামতের জবাব আধানের অনুরূপ।

শুধু একামতের মধ্যে কাদা কামাতিস সালাহ এর জবাবে আকামা বলবে হযরত আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত একবার হযরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু একামত দিচ্ছিলেন তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তার সঙ্গে আজানের উত্তর দিয়েছেন তবে কথা বলার সময় বলেন আকাম আল্লাহু লা ইলাহা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *