ইস্তেগফার দুআ টির ফজিলত গুলো জেনে নিন কি কি

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে ব্যক্তি সুজি ও বিশ্বাসের সঙ্গে সকালে সাইয়েদুল ইস্তেগফার পাঠ করবে সে যদি শুদ্ধ হওয়ার আগেই মারা যায় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে সুবহানাল্লাহ আর যে ব্যক্তি সুদৃঢ় ও বিশ্বাসের সঙ্গে সন্ধ্যায় সৈয়দুল ইস্তেগফর পরে শিশুটি সকাল হওয়ার আগেই মারা যায় তবে জান্নাতে প্রবেশ করবে সহি বুখারি হাদিস নং 6306 আসুন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো ইস্তেগফার দুআ টি আমরা সবাই শিখেনি।

আপনি আমাকে ক্ষমা করুন

অনেক ধনী আনা আবদুকা ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আউযুবিকা মিন শাররি আলাইহি ওয়া বিহামদিহি ইন্নাহু লাকুম অর্থাৎ হে আল্লাহ আপনি আমাদের প্রতিপালক আপনি ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই আপনি আমার স্রষ্টা এবং আমি আপনার দাস আমি আপনার সঙ্গে কৃত ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর সাধ্য অনুযায়ী অটল অবিচল আছি আমি আমার কৃতকর্মের সব অনিষ্ট হতে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার উপর আপনার দানকৃত সব নেয়ামত স্বীকার করছি আমি আমার সব গুনাহ স্বীকার করছি।

ইস্তেগফার দুআ টির ফজিলত গুলো জেনে নিন কি কি

অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন কেননা আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবেনা সুবহানাল্লাহ বেছারা সূরা নূরে বলা হয়েছে মুমিনগণ তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর যাতে তোমরা সফলকাম হও আজ সূরা আশ-শুরা তে বলেছেন তিনি তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন বাপ সমূহ মার্জনা করেন এবং তোমাদের কৃত বিষয় সম্পর্কে অবগত রয়েছেন. রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি।

আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেনঃ হে আদম সন্তান যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে তুমি জাইপ্রকাশ হোক না কেন আমি তা ক্ষমা করে দেব আর আমি কোনো কিছুর পরোয়া করিনা হে আদম সন্তান তোমার গুনাহ যদি আকাশ সমান হয়ে যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব হে আদম সন্তান যদি তুমি পৃথিবী পরিমান গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে আখিরাতে সাক্ষাৎ করুন।

ইস্তেগফার বাংলা উচ্চারণ সহ

তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করব তিরমিজি হাদিস খানা বর্ণনা হয়েছে হাদিস নং 3539 আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বনি ইসরাইলের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল 99 জন মানুষকে হত্যা করেছিল অতঃপর সে কথা জিজ্ঞেস করার জন্য বের হল এবং একজন দরবেশের নিকট গিয়ে. স্কুল্ল তার ভিতরে অনেক অপরাধবোধ কাজ করছিল সে হতাশই ছিল সে ভাবছিল যে তার হয়তো কোনদিন ক্ষমা হবেনা এরূপ ব্যক্তির জন্য দোয়া আছে কি জিজ্ঞেস করল।

তিনি বললেন যে লোকটি তাকে নিয়েই বললেন আলেমরা একজন জুলুমকারী ছিল এবং সে তাকেও হত্যা করল এবং বারবার লোকদের জিজ্ঞেস করতে থাকলো এক ব্যক্তি বলল ও গ্রামে যাও অমুককে জিজ্ঞেস করবি সময় তার মুহূর্তে এসে গেল এবং মৃত্যু কারে সে স্বীয় বক্ষকে ওই গ্রামের দিকে কিছু বাড়িয়ে দিল অতঃপর রহমতের ফেরেশতা ও আজাবের ফেরেশ্তা পরস্পর ঝগড়া করতে লাগল কারণ তার রুহ নিয়ে যাবে বিশ্বময় আল্লাহ তাআলা ঐ গ্রামকে বললেন তুমি মৃত নিকট আসো।

আর তার নিজ গ্রাম কে বললেন তুমি দূরে সরে যাও অতঃপর ফেরেশতাদের বললেন তোমরা উভয় দিকের দূরত্ব ভেবে দেখুন মেপে তাকে এই গ্রামের দিকে এক বিঘত নিকটে পাওয়া গেল অর্থাৎ যে দিকে তার জন্য দৌড়চ্ছিল আল্লাহু আকবার সুতরাং তাকে মাফ করে দেয়া হলো মুসলিম. মিশকাত শরীফ হাদিস খানা বন্যা হয়েছে 2219 নং হাদিস আল্লাহ তা’আলা তাদের অত্যন্ত ভালোবাসেন বান্দা যখন তার অপরাধের জন্য অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ইস্তেগফার এর উপকারিতা

তিনি তখন আনন্দিত হন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বান্দার তফাত কি পরিমান আনন্দিত হন তা নিম্নোক্ত হাদীসটি তে দেখুন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর খাদেম আবু হামজা আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন কোন লোকজন মরুপ্রান্তরে হারিয়ে যাবার পর পুনরায় তা ফিরে পেলে যে পরিমাণ আনন্দে উদ্বেলিত হয় মহান আল্লাহ বান্দার তোমাকে তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হন সহি বুখারী রাদিয়াল্লাহু বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে বলতে শুনেছি বারাক আল্লাহ তা’আলা বলেন।

ইস্তেগফার দুআ টির ফজিলত গুলো জেনে নিন কি কি

হে আদম সন্তান যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার থেকে ক্ষমা পাওয়ার আশায় থাকবে তোমার গুনাহ হতে অধিক হোক তোমাকে আমি ক্ষমা করব এতে কোনো পরোয়া করবো না হে আদম সন্তান. বরগুনার পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্ত পৌঁছে যায় তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব এতেই আমি পরোয়া করবোনা সুবহানাল্লাহ সর্বশেষ বুখারী শরীফের 5999 নম্বর হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে শেষ করছি ওমর ইবনে খাত্তাব হতে বর্ণিত।

ইস্তেগফার নামাজের নিয়ম

তিনি বলেন একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কতগুলো যুদ্ধবন্দীকে হাজির করা হল বন্ধুদের মধ্যে একজন স্ত্রীলোক ছিল যার স্তন ছিল 20 শে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশু পেলে তাকে কোলে নিত এবং আদর করে নিজের বুকের দুধ পান করাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেন তোমরা কি মনে করো এই স্ত্রীলোকটি তার সন্তানকে আগুনে ফেলে দিতে পারে আমরা বললাম ফেলার ক্ষমতা রাখলেও সে কখনো ভুলবে না তারপরও তিনি বললেন এই লোকটি তার সন্তানের উপর যতটা দয়ালু।

আল্লাহ তাঁর বান্দার উপর তার চেয়েও বেশি ধর্ম সুবহানাল্লাহ হযরত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন. বিদ্ধ হয় তখন সে মুমিন থাকেনা উত্তর যখন চুরির কাজে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকেনা মন্তব্য ব্যক্তি যখন মদপানে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না কিন্তু তারপরেও তার জন্য আমার দরজা খোলা থাকে সুবহানাল্লাহ আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদের প্রত্যেকটি ভাইকে তওবাতুন নাসুহা করার তৌফিক দান করুক এবং আমরা যেন অবশ্যই মৃত্যুর আগে একবার হলেও সাইয়েদুল ইস্তেগফার বারবার শ্রেষ্ঠ দোয়াটি পড়ে যেতে পারি আমিন.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *