ঈমানের পর একজন মুসলমানের প্রথম ও প্রধান কাজ

ঈমানের পর একজন মুসলমানের প্রথম ও প্রধান কাজ হল নামায প্রতিষ্ঠা করা নামাজ শরীয়তের আবশ্যিক এবাদত উদ্দিনের মূলভিত্তি আল্লাহ বলেন আর তোমরা নামায কায়েম কর যাকাত প্রদান করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে এরকম করো সূরা বাকারা আয়াত 43 পবিত্র কুরআনে অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ তা’আলা এভাবেই নামাজ কায়েমের নির্দেশ দিয়েছেন নামাজের মাধ্যমে বান্দা আত্মিক ও দৈহিক পবিত্রতা লাভ করে হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত।

নামায প্রতিষ্ঠা করা

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তোমাদের বাড়ির সামনে যদি একটি নদী থাকে আর ওই নদীতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে তবে কি তার সারা শরীরে কোন ময়লা থাকবে সাহাবীরা বললেন ইয়া রাসুল আল্লাহ কখনই থাকতে পারে না তার শরীরের ময়লা থাকবে কি করে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের দৃষ্টান্ত হলো ঠিক এমনই যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তার গলার শুকনো পাপ পঙ্কিলতা অথবা তার কোন বদ আমল আল্লাহর দরবারে গৃহীত হয় না অর্থাৎ সে গুনাহমুক্ত হয়ে যায় সুবহানাল্লাহ।

ঈমানের পর একজন মুসলমানের প্রথম ও প্রধান কাজ

অন্যত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন কোন মুমিন মুসলমান হুজুর জন্য মুখমন্ডল ধৌত করলে পানির সঙ্গে চোখের গুনাহ বের হয়ে যায় দুই হাত ধৌত করলে ভাগশেষ প্রসঙ্গে হাতের গুনাহ বের হয়ে যায় দুই পা ধৌত করলে বা দ্বারা কৃত গুনাহ পানির শেষ কটার সময় বের হয়ে যায় তেমনি ভাবে ওযুর সময় সে যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র হয়ে যায় নামাজ প্রাপ্তবয়স্ক ও মানসিকভাবে সুস্থ প্রতিটি মানুষের উপর ফরয যেকোনো অবস্থায় নামাজ পড়তে হয় অসুস্থ হলে শোয়া অবস্থায় নামাজ পড়া তাগিদ দিয়েছে ইসলাম তবে অনেক সময় নামাজ কিছু মুহূর্তের জন্য ছেড়ে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়ে যায়।

এই সকল ক্ষেত্রবিশেষ আমরা অনেকেই সুস্পষ্টভাবে জানিনা আজকের ভিডিওতে আমরা এমনই গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণ উল্লেখ করব.জি বিষয়বস্তুর প্রেক্ষিতে আপনাকে নামাজ ছেড়ে দিতে হবে আনন্দ এক অবশ্যই নামাজ শরীয়ত সমর্থিত কোন অপারগতা ছাড়া আদায়কারীর জন্য নামাজ ভেঙ্গে দেওয়া জায়েজ নাই সূরা মুহাম্মদ আয়াত 33 আপন মা বাবার দিকে থাকলে নামাজ কি দেওয়া জায়েজ আছে বুখারি হাদিস নম্বর 404 নামায আদায়কারী নামাজে থাকাকালীন যদি লক্ষ্য করেন।

ইমান শব্দের শাব্দিক অর্থ কি

কোন একজন অন্ধ ব্যক্তি অথবা কোন ব্যক্তির নিকট চলে যাচ্ছে এবং টুপি পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাহলে তাকে বাঁচানোর জন্য নামাজ ভেঙে দেওয়া জায়েজ রয়েছে তিরমিজি হাদিস নম্বর 355 নামায আদায়কারী ব্যক্তি যদি কাউকে চুরি করতে দেখেন তখন নামাজ ভেঙে দেওয়া জায়েজ তবে চুরির জিনিস ন্যূনতম একদিন হাম সমপরিমাণ মূল্যের হতে হবে বৃষ্টি. নামাজ আদায় কারী অথবা অন্য কারো হলে ও নামাজ ভেঙ্গে দেওয়া জায়েজ বুখারি হাদিস নম্বর 412 কোন ব্যক্তি নামায আদায় করছেন।

এমন অবস্থায় যদি কোন নির্যাতিত ব্যক্তি নামায আদায়কারীর প্রতি সাহায্যের আবেদন করে আওয়াজ তোলেন অর্থাৎ প্রাণ বাঁচানোর আওয়াজ তোলেন আর নামায আদায়কারী যদি মনে করেন তাকে জুলুম-অত্যাচার থেকে বাঁচাতে পারবেন তখন নামাজ ভেঙে দেওয়া আবশ্যক এবং সেই ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা করা প্রয়োজন তিরমিজি হাদিস নম্বর 335 সফররত ব্যক্তি যদি চুরির ভয়ে শঙ্কিত তবে নামাজ বিলম্ব করা জায়েজ আছে তবে মনে রাখতে হবে নামাজ কিন্তু আদায় করতেই হবে।

ইমান ও ইসলামের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর

অনুরূপভাবে শিক্ষাবিদরা বলে থাকেন সফররত ব্যক্তি নামাজে থাকাকালীন তিনি যানবাহন ছেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তখন নামাজ ভেঙ্গে দিতে পারবেন এছাড়াও শিক্ষাবিদদের মতামত অনুসারে নামাজ রত অবস্থায় যদি তার প্রয়োজনীয়তা প্রবলভাবে অনুভব করেন. প্রয়োজনীয়তা টা যদি এমন পর্যায়ের হয় যে আপনার জামা কাপড় নাপাক হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে তবে নামাজ ছেড়ে দিয়ে ইস্তিঞ্জার দিকে গমন করা গুরুত্বপূর্ণ।

ঈমানের পর একজন মুসলমানের প্রথম ও প্রধান কাজ

এমনকি এস্তেনজার প্রচন্ড প্রয়োজনীয়তায় আপনি অন্য নামাজী ব্যক্তির সামনে দিয়ে পর্যন্ত দ্রুত বেগে চলে যেতে পারবেন কেননা মসজিদে থেকে অপবিত্র না হয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করাই তখন আপনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী মাসআলা-মাসায়েল জানার এবং তার উপর আমল করার তৌফিক দান করুক আমিন.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *