একটি সাইকোলজিক্যাল হরর থ্রিলার মুভি

একটি সাইকোলজিক্যাল হরর থ্রিলার মুভি।আগেই বলে রাখি মুভিতে কিছু 18+ সিন রয়েছে।অনেকে আবার ছোট ভাই-বোন নিয়ে দেখতে বসে! আসলে আমাদের চোখের সামনে যেটা ঘটে বা আমরা খালি চোখে যেটা দেখে থাকি সবসময় সেটা সত্যি নাও হতে পারে।খালি চোখে দেখার পিছনে রয়েছে কোন নিগূঢ় অজানা সত্যি। Spoiler: Kate এবং John নামে এক দম্পতি অনাথআশ্রম থেকে একটি ৯ বছরের বাচ্চাকে দত্তক নেয়।এছাড়াও তাদের ঘরে আরও দুজন সন্তান রয়েছে।তাদের ছোট মেয়েটি কথা বলতে পারেনা।তাদের তৃতীয় সন্তান Kate এর পেটে থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছিল।

বয়সের তুলনায় অনেক ম্যাচিউর

দত্তক নেওয়া মেয়েটির নাম ছিল Esther.কিন্তু মেয়েটি অনেক বুদ্ধিমান এবং বয়সের তুলনায় অনেক ম্যাচিউর।সে বাকি সব বাচ্চাদের চেয়ে আলাদা।কিছুদিনের ভিতরেই বাড়িতে অদ্ভুদ অদ্ভুদ কান্ড ঘটতে থাকে।Esther তার কারিশমা দেখাতে শুরু করে।এক সময় তার পালিত মা Kate কে সবার সামনে মানসিক রোগী বানিয়ে ফেলে।ছোট ভাই Denial এবং বোন Max এর সাথেও ঘটাতে থাকে বিভিন্ন বিপজ্জনক ঘটনা।

lkghjgh

ইমু একাউন্ট খোলার সহজ উপায় | দেখুন খুব সহজে কিভাবে ইমু অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

কিন্তু কেন সে এসব করছে?যে পরিবার তাকে এত ভালোবাসা দিচ্ছে তাদের সাথেই কেন একরম আত্মঘাতী আচরণ করছে Esther?সে আসলে Kate এর পরিবার থেকে কি চায়?তার কেমন ধরনের ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্খা?কি অতীত লুকিয়ে আছে Esther এর জীবনে? মুভির শেষে এসে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।হয়তো সেটার জন্য প্রস্তুত থাকবেন না।আমার কাছে ভালো লেগেছে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।Esther এর অভিনয় অনেক ভালো ছিল।শেষটা আসলে কেমন হতে পারে সেটা ছিল unpredictable.জীবনটা আসলে কেমন?জীবন কি আসলেই সুন্দর?যে জীবন স্ত্রীর ভালোবাসা,সন্তানের স্নেহের তরে উৎসর্গকৃত সে জীবন সুন্দর না হয়ে পারেনা।

সত্যিই Life Is Beautiful. Spoiler: মুভির কাহিণী ১৯৩৯ সালের ২য় বিশ্বযুদ্ধকে কেন্দ্র করে।গুইডো নামের এক সহজ-সরল,আমুদে মানুষ তার শাহাজাদী ডোরার প্রেমে পড়ে।ভীষণ নাটকীয়ভাবে তাদের বিয়ে হয়।বিয়ের পর তাদের যশোয়া নামে ৪-৫ বছরের এক ছেলে সন্তান হয়।স্ত্রী আর সন্তানকে নিয়েই গুইডোর জীবন। কিন্তু হিটলার ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে ইহুদি নিধনের খেলায় নামে।যে খেলায় বাদ যায়না গুইডোর পরিবারও।সেসময় নাৎসি বাহিণীরা অনেকগুলো বন্দিশিবির নির্মাণ করেছিল।সেখানে বন্দিদের উপর চলতো অমানষিক পরিশ্রম আর নির্যাতন।বাদ যেত না বৃদ্ধ আর শিশুরাও।

উর্বর মস্তিষ্ক দিয়ে রক্ষা করতে চেয়েছিল

বন্দিশিবিরের চরম ভয়াবহতা থেকে গুইডো তার ছেলে যশোয়াকে তার উর্বর মস্তিষ্ক দিয়ে রক্ষা করতে চেয়েছিল।যাতে যশোয়া বন্দিদশার ভয়াবহতা আঁচ করতে না পারে।এইদিকে নারী আর পুরুষরা আলাদা কাজ করতো।তাই যশোয়ার সাথে তার মাও ছিলনা।গুইডো কিভাবে বন্দিদশা থেকে তার পরিবারকে রক্ষা করবে?যশোয়া কি শেষ পর্যন্ত তার বাবার বানানো খেলার উইনার হতে পারে? কমেডি,রোমান্স দিয়ে শুরু হলেও শেষটা তার বিপরীত ছিল।ইতালীয় এই মুভিটি অস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার অর্জন করে।তাছাড়া ব্যবসায়িকভাবেও ছিল দারুণ সফল।

ভালো লাগার মত একটা মুভি।যারা এখনো দেখেননি তারা দেখে নিতে পারেন কিভাবে জীবনকে সুন্দর হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। মাহীকে এখানে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তার অভিনয় দর্শক কর্তৃক প্রশংসিতও হয়েছে বেশ।অবশ্য আমার পার্সোনালী একটু বেশিই ভালো লেগেছে।অনেকের মতে মাহী নাকি ন্যাকামী করে!কিন্তু আদৌতে ন্যাকামী জিনিসটাই আমার চোখে প্রকট হয়নি মাহীর ক্ষেত্রে।একটু-আধটু যদি হয়েও থাকে ন্যাকামী তবে সেটা আমার কাছে কুল-ই লাগে।কারণ ন্যাকামী তো নায়িকারাই করবে।তাছাড়া মাহীর কন্ঠে একটা বাচ্চা বাচ্চা ভাব আছে।

অনেকে সেটাকে ন্যাকামী ভেবে ভুল করেনা তো!আরেকটা কথা যেমন-মাহীর একটি মুভি ছিল ‘দবির সাহেবের সংসার’। মুভিটি কমেডি ধাচের।সেখানে বরং ন্যাকামী আশা না করাটাই অডিয়েন্সের ভুল হবে। কোভিড-১৯ মহামারী এবং গভীরভাবে ত্রুটিযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পটভূমিতে তৈরী হয়েছে অক্সিজেন।৩৩ মিনিটের একটা শর্ট ফিল্ম আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেছে।মানুষ এবং অমানুষের ভিতরে পার্থক্য নিরূপন করিয়েছে।শ্যুটিং করা হয়েছে ঢাকার উত্তরা,যাত্রাবাড়ী ও আগারগাঁও এ।এ বছর ইদুল আযহার সময় সরাসরি ইউটিউবে উম্মুক্ত করা হয়।

মধ্যবিত্ত পরিবারের পরহেজগার মেয়ে

মায়া আর তার বৃদ্ধ বাবার একটা ফ্ল্যাটে একসাথে বসবাস।মধ্যবিত্ত পরিবারের পরহেজগার মেয়ে মায়ার কাছে তার বৃদ্ধ বাবাই সবকিছু।মায়া তাকে আদর করে ষাট বছরের বাচ্চা বলে ডাকে।বাবার কিছু অদ্ভুদ কান্ড দেখে মায়া আবার মাঝে মাঝে বিরক্তিও প্রকাশ করে।একদিন সকালে চা খাওয়ার সময় মায়ার বাবা অজ্ঞান হয়ে যায়।শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।বাবাকে নিয়ে ছুটে চলে হসপিটালের পানে।কিন্তু সাধের এই দুনিয়া অনেক রঙ্গ দেখায়।এই নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে কাহিণী।স্বল্প সময়ের ভিতরেই আপনি ইমোশনাল হয়ে যাবেন।বিজ্ঞানের ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজতর করে তুলেছে।

hthbfdd

কিন্তু বিজ্ঞানের অপব্যবহার আপনার জীবনের জন্য ভয়াবহতাস্বরূপ।আপনি যতই উন্নত প্রযুক্তি বানান না কেন আপনাকে একটা অথোরিটির কাছে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে এবং সেটা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত না হোক কারও যেন কোন ক্ষতি করতে না পারে। Ironman (2008) এর শেষ অংশে দেখানো হয় টনি স্টার্ক সবাইকে তার পরিচয় বলে দেয়।এটা শুনে উপস্থিত জনতার ভিতরে উৎসাহ বা উন্মাদনা শুরু হয়।পার্ট টু তে শুরুটা হয় এভাবে যে,সবাই Ironman সম্পর্কে জেনে গেছে এবং তাকে নিয়ে সেলিব্রেশন করছে।কিন্তু ইউএস সরকার টনি স্টার্কের এত উন্নত উদ্ভাবন নিয়ে শঙ্কিত।

এই প্রযুক্তির অপপ্রয়োগ জনজীবনে হুমকিস্বরূপ।তাই তারা টনি স্টার্ককে তাদের হয়ে কাজ করতে বলে নয়তো টনির উদ্ভাবিত প্রযুক্তি তাদের হস্তান্তর করতে বলে।টনি স্টার্ক তাদের প্রস্তাব নাকোচ করে দেয়। তারপর মোনাকো শহরে এক কার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় টনি স্টার্ক।সেখানে দেখা হয় Ivan Vanko এর সাথে যে এই মুভির ভিলেন।তারপর শুরু হয় মুভির আসল কাহিণী। Ironman এর সিকুয়্যাল হিসেবে বেশ আশা নিয়ে দেখতে বসেছিলাম কিন্তু হতাশ হয়েছি।মুভির ভিলেনকেও তেমন ভালো লাগেনি।তবে স্টার্কের লুক পার্ট ওয়ানের চেয়ে এখানে ভালো ছিল।

কারণ মুভিটি তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে

মুভির মাঝখানে এসে ঘুম চলে এসেছিল আমার এবং এটি আমি তিন বারে দেখে শেষ করেছিলাম।কারণ মুভিটি তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারছিলোনা।একবার ভেবেছিলাম বাদ দিবো কিন্তু কাহিণী জানার জন্য শুধুমাত্র দেখা।এর পরের পার্ট এটার চেয়ে অবশ্য ভালো ছিল।সবচেয়ে ভাল লেগেছে পার্ট ওয়ান। Arisu একজন অতিমাত্রায় ভিডিও গেইম আসক্ত লোক! কাজ কাম বাদ দিয়ে কেমন এই গেইমে মগ্ন হয়ে থাকে।

ভাইবার একাউন্ট খুব দ্রুত ও সহজে চালু করার উপায়।

সে তার এই জীবন নিয়ে খুব ই বিরক্ত এবং সব সময় চাইতো যেন জীবনে থ্রিলিং কিছু হোক, ভিন্ন কিছু হোক ।অতএব তার এই আশা পূরণ হয় এবং সে সহ তার দু বন্ধু নিজেদের আজব টোকিও শহরে দেখতে পায় যেখানে তারা ছাড়া সবাই ভ্যানিশ! তবে এই শহরে টিকে থাকার জন্য তাদের সেই ভিডিও গেইমস এর মত ই গেইমস খেলতে হবে! তারা কি পারবে ? টিকে থাকতে? আর সব মানুষ গুলা ভ্যানিশ হওয়ার রহস্য ই বা কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *