এদের ভিতরে অ্যাবি আর জেসিকা ছোট

সিনেমার টাইপ থ্রিলার।১.৭৫ কোটি টাকা নিয়ে সিনেমার কাহিণী।শান,ভিনু,অ্যাবি,সাইকেল ও জেসিকা এরা পাঁচ বন্ধু।এদের ভিতরে অ্যাবি আর জেসিকা ছোট থেকে হোমে বড় হয়েছে।ভিনু আর জেসিকার একটা লাভ রিলেশন থাকে। একদিন রাতে সাইকেল ভিনুর ইন্টারনেট ক্যাফেতে ব্যাগভর্তি টাকাগুলো পায়।টাকাগুলোর মালিক ছিল ক্রিস্টোফার নামের একজন মাফিয়া।সাইকেল সবার অজান্তে টাকাগুলো এক পরিত্যক্ত জায়গায় গোপনে লুকিয়ে রাখে।এইদিকে চার্লি নামের এক লোক তার দলবল নিয়ে ভিনুর বাড়িতে হানা দেয়।টাকাগুলো ভিনু লুকিয়ে রেখে স্বীকার করছে না এটা চার্লির ধারণা।

ভিনুকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য

ভিনুকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ৩৬ ঘন্টা সময় দেওয়া হয়।চার্লি ছিল ক্রিস্টোফারের পাঠানো লোক। ভিনু আহত অবস্থায় অ্যাবি আর শানের সাথে এই বিষয়ে কথা বলতে থাকে।ঠিক সেইসময় সাইকেল সবাইকে টাকার বিষয়ে জানিয়ে দেয়।এতগুলো টাকা দেখলে যে কেউ লোভে পড়ে যেতে পারে।তাদের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়না। ভিনু টাকা ফেরত দেওয়ার চক্কর থেকে বাঁচতে আত্মহত্যার নাটক করে।নিজেকে মৃত প্রমাণ করার জন্য একটা বেওয়ারিশ লাশ জোগাড় করে ভিনু।ভিনুর ব্লাড স্যাম্পলের সাথে ঐ লাশের ব্লাড স্যাম্পল ম্যাচ করায়।পরিকল্পনা থাকে লাশটি উঁচু পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার।

nfrgthdrfg

ইমু একাউন্ট খোলার সহজ উপায় | দেখুন খুব সহজে কিভাবে ইমু অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

এই পুরো পরিকল্পনা ছিল অ্যাবির।ভিনু আর অ্যাবি দুজনে মিলে লাশটা ফেলে দেওয়ার জন্য পাহাড়ে উঠে।ঠিক সেই মুহূর্তে অ্যাবি ভিনুকে মেরে ফেলতে চায়।পুরো টাকা একা ভোগ করবে সেজন্য নয়।আসল কাহিণী জেসিকা!অ্যাবি ছোট থেকে জেসিকাকে ভালোবাসতো।কিন্তু জেসিকার আগ্রহ থাকে ভিনুর প্রতি।অ্যাবি ভিনুকে মারতে গেলে জেসিকা সবটা জেনে যায়।জেসিকার মনে অ্যাবির প্রতি তীব্র ঘৃণা আর ক্ষমাহীনতা দেখে শেষমেষ অ্যাবিই লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে।ভিনু আর অ্যাবির ব্লাড গ্রুপ সেইম ছিল। এইদিকে ডেভিড আব্রাহাম নামে একজন IPS অফিসার এই কেইসটার সাথে জড়িয়ে যায়।

তার আগে শান আর ভিনুর সাথে একটা নরমাল রোড অ্যাক্সিডেন্টে আব্রাহামের পরিচয় হয়।আব্রাহামের শুরু থেকেই ভিনুর আত্মহত্যা বিষয়টা নিয়ে সন্দেহ হয়েছিল।ইনভেস্টিকেট করে একে একে সব বন্ধুকে আব্রাহাম একসাথে করে।তাদের কাছ থেকে পুরো স্বীকারোক্তি আদায় করে এবং অ্যাবির মৃত্যুর বিষয়টাও জানতে পারে।সব শোনার পর আব্রাহাম ভিনু আর তার বন্ধুদের টাকাগুলো ফেরত দিয়ে দিতে বলে এবং ঝামেলামুক্ত জীবন শুরু করতে বলে।সবাই টাকাগুলো চার্লির কাছে ফেরত পাঠায়।বলে রাখি টাকাগুলো সব জাল ছিল। পুরো কাহিণী বলে দিলেও একটা কথা তো থেকেই যায় কে এই ক্রিস্টোফার?সেটা জানতে হলে সিনেমা দেখে নিয়েন।

থ্রিলার প্রেমীদের জন্য মুভিটি সাজেস্ট

এলোপাথাড়িভাবে কাহিণী বলে গেলেও সিনেমা দেখার সময় পুরো বিষয় ক্লিয়ার হবেন। থ্রিলার প্রেমীদের জন্য মুভিটি সাজেস্ট করলাম।ধরুন আপনার বাড়িতে হঠাৎ করে কেউ এসে বাড়ির পরিবেশ পরিবর্তন করে ফেললো।পরিবর্তনটা যদি পজেটিভ দিকে যায় তাহলে নিঃসন্দেহে আপনি স্বস্তি বোধ করবেন।কিন্তু যখন দেখলেন সেই অপরিচিত মানুষটি আপনার উপরই ছুঁড়ি ঘুরাচ্ছে,আপনার পরিবারের মানুষকে আপনার বিরুদ্ধে করে তুলছে,আপনাকে মানসিকভাবে অসুস্থ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে তখন আপনার কেমন অবস্থা হবে?এরকমই এক গোপন উদ্দেশ্য নিয়ে অনধিকার প্রবেশকারীর গল্পই হচ্ছে Intruder. Spoiler Seo-jin পেশায় একজন architect.বাড়িতে তার বাবা-মা এবং ছোট একটি মেয়ে রয়েছে।

jyujrt

স্ত্রী কোন এক অজানা কারণে মাস ছয়েক আগে খুন হয়।সেটার রহস্য উদ্ধারে Seo-jin হিপনোটিজমের সহায়তা নিচ্ছে প্রয়োজনমত। এই দিকে ২৫ বছর আগে তার বোন Yoo-jin হারিয়ে গিয়েছিল রহস্যজনকভাবে।হঠাৎ একদিন সে ফিরে আসে।শুরুতে সে বাড়ির সবার মন জয় করা শুরু করে।তারপর আস্তে আস্তে বাড়ির পরিবেশ Seo-jin এর বিরুদ্ধে চলে যেতে থাকে।কারণ Yoo-jin বুঝতে পেরেছিল Seo-jin তাকে সন্দেহ করছে এবং পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়া সেই বোন হিসেবে মেনে নিতে পারেনি।Seo-jin কে একসময় ডিটেক্টিভ পুলিশের কাছে মানসিক রোগী এবং child abuser হতে হয়।

Yoo-jin কি আসলেই Seo-jin এর হারিয়ে যাওয়া বোন?কি উদ্দেশ্যে সে এই বাড়িতে এসেছ?আর Seo-jin এর স্ত্রী হত্যার পেছনেই বা রহস্য কি? অনেকটা Forgotten এর মত ফিল পাওয়া গেলেও সেটার লেভেলে যেতে পারেনি।Ending তা আরেকটু ভালো আশা করেছিলাম তবে পুরো মুভিতে বেশ থ্রিল পাবেন।মুভি হিসেবে আমি কখনোই খারাপ বলবো না।অবশ্যই দেখার মত।দেখে নিতে পারেন সকলে। ক্যাপ্টেন মারভেল ছিল ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে ঘিরে আবর্তিত অরিজিন মুভি।সুপারহিরো অরজিন মুভি হিসেবে যে খুব বেশি ভালো হয়েছে তেমনটাও না আবার একেবারে খারাপ লেগেছে সেটাও না।তবে মার্ভেলের বিশাল কাহিণীর ভিতরে ছোট ছোট গ্যাপ পূরণ করেছে এই মুভি।

এই মুভি অনেকটা ফেমিনিজমকে

যেমন: নিক ফিউরি কিভাবে চোখ হারিয়েছিল,এভেঞ্জার বানানোর আইডিয়া সে কোথায় পেয়েছিল ইত্যাদি।এটি ছিল MCU এর ২১ তম মুভি।এই মুভি অনেকটা ফেমিনিজমকে সমর্থন করে। Spoiler: প্রযুক্তির চরম শিখরে থাকা ক্রী প্রজাতির মাতৃগ্রহের নাম হালা।সামরিক ক্রী জাতির স্টারফোর্স সদস্য হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ভার্স নামে এক তরুণী।সে কিছুদিন যাবৎ একটা দুঃস্বপ্ন দেখে আসছে।কোন এক অজ্ঞাত মহিলা বারবার তার স্বপ্নে হাজির হয়।ভার্স সেটার উত্তর কোনভাবে খুঁজে পাচ্ছে না। ক্রী দের শাসক সুপ্রিম ইন্টেলিজেন্স ভার্সকে তার এসব আবেগ চেপে রাখতে সতর্ক করে।

WhatsApp একাউন্ট করার নিয়ম | WhatsApp একাউন্ট করার সহজ নিয়ম দেখুন এখানে

কমান্ডার ইয়োন রগের কাছে সময়ে-অসময়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ভার্স। ক্রী দের শত্রুতা ছিল স্ক্রাল প্রজাতিদের সাথে যারা কিনা নিজেদের চেহারা পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।সবই ঠিকঠাক ছিল।কিন্তু স্ক্রালদের বিরুদ্ধে এক মিশনে সবটা উল্টে যায়।ভার্স নিজেকে পৃথিবী নামক এক গ্রহে আবিষ্কার করে।সময়টা ১৯৯৫ সালের।কিন্তু সে জানতোই না যে আজ থেকে ৬ বছর আগে সে ক্যারল ডানভার্স নামে এক সাহসী পাইলট হিসেবে এই গ্রহে বাস করতো।আর স্বপ্নের সেই মহিলা ছিল ভার্স এর সহকর্মী।সে এটাও জানতো না যে খুব শীঘ্রই সে পরিণত হতে চলেছে মহাবিশ্বের ক্ষমতাশীল সুপারহিরোদের একজন।

মুভির কাহিণী ছিল ফ্লাট টাইপের।খুব বেশি টুইস্ট অনুভব করা যায়নি।আর মুভির ট্রেইলার যখন বের হয় তখন ব্রি লার্সন কে নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে।কিন্তু তার অভিনয় স্কিল অনেক ভালো ছিল।সবার চেয়ে বেস্ট ছিল স্যামুয়েল এল জ্যাকসন।এই মুভিতে চুলওয়ালা নিক ফিউরিকে দেখতে পাওয়া যায়।#Movie:City Lights (1931) এটা যেন কোন মুভি না একটা ভালোবাসা।কতটা পরিশ্রম আর পরিকল্পনা করে নির্মাণ করা হয়েছে এই রোমান্টি-কমেডি মাস্টারপিস মুভিটি সেটা যারা দেখেননি তারা বুঝতে পারবেন না।মুভিতে সংলাপ না বলে শুধুমাত্র মুকাভিনয় করে মানুষকে যে এন্টারটেইন করা যায় তা শুধুমাত্র চার্লি চ্যাপলিন বলেই সম্ভব।

চার্লি সেখান থেকে ফুল কিনতে গিয়ে

Spoiler: রাস্তায় এক সুন্দরী অন্ধ মেয়ে ফুল বিক্রি করছে।চার্লি সেখান থেকে ফুল কিনতে গিয়ে মেয়েটির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে তার সরলতা,অমায়িক ব্যবহার আর সৌন্দর্য্য দেখে। এদিকে চার্লি এক বড়লোককে মাতাল অবস্থায় আত্মহত্যা করা থেকে বাঁচায়।তারপর দুজনে বন্ধু হয়ে যায়।লোকটি যখন মাতাল থাকে তখন চার্লিকে জানের দোস্ত ভাবে আর সুস্থ অবস্থায় চার্লিকে চিনতে পারেনা।এসব নিয়ে দারুণ দারুণ সব কাহিণী হয়। চার্লি মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে সহয়তা করে।মেয়েটি চার্লির ভদ্রতা দেখে প্রেমে পড়ে যায়।একসময় চার্লির আনা টাকা দিয়ে মেয়েটির অন্ধত্ব দূর হয়।

তখন চার্লি জেলখানায় বন্দি।হঠাৎ একদিন চার্লি ফিরে এলে চার্লি চিনলেও মেয়েটি তাকে চিনতে পারেনা।তাহলে কিভাবে মেয়েটি বুঝতে পারবে যাকে সে মনে মনে খুঁজছে সে কোন ধনী লোক নয় একজন নিছক সাধারণ মানুষ? এই মুভির গল্প লেখক,প্রডিউসার,ডিরেক্টর চার্লি চ্যাপলিন নিজেই।তাছাড়া এই মুভির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্লট নিয়ে অনেক মুভি তৈরি করা হয়েছে যা আপনারা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন।এই মুভির কমেডি সিনগুলো সেরা ছিল।একটু বিরক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।আর এন্ডিংটা আপনার ভালো লাগতে বাধ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *