ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং শিখুন খুব সহজে ,ওয়ার্ডপ্রেস এর সকল তথ্য জানুন

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন।  যারা অনেক দিন থেকে  ফ্রি  ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং কোর্স অথবা আবার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ  কিভাবে তৈরি করে খুজছেন।  আমি আজ আপনাদের সকলের জন্য এই কোর্সের সব ইনফরমেশন নিয়ে এসেছি।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং সম্পর্কে যদি আপনার কোন ধারনা না থাকে তবে আপনি আমাদের এই পোস্টটি  ভালভাবে পরুন এই পোস্টের মধ্যে ব্লগিং সম্পর্কে সব তথ্য দেওয়া আছে। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং শিখতে চান এবং ব্লগিং থেকে উপার্জন করতে চান তাহলে আমাদের এই পোষ্টটি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

আপনি কিভাবে ব্লগের টপিক বেছে, নেবেন ডোমেইন কিভাবে কিনবেন, হোস্টিংকিভাবে নিবেন, ব্লগ সেটআপ কিভাবে করবেন এবং এডসেন্স এর সকল তথ্য এই পোষ্টের মাধ্যে দেয়া আছে।

 

কিভাবে একটি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ শুরু করবেন?

আসলে  ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ  বলতে বোঝায় ওয়েবসাইট। যদিও  ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ও ওয়েবসাইটের একটু পার্থক্য রয়েছে কিন্তু বোঝার সুবিধার জন্য ব্লগ ও ওয়েবসাইট এক ধরা যেতে পারে। সাধারণত প্রতিটি blog এর একটি টপিক থাকে যাকে ওই ব্লগটির niche ও বলা হয়।নতুন  ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগারদের সবচেয়ে বড় ভুল হল সঠিক ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়া।

এটা আপনার সাথে ঘটছে না, কারণ আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। 95% ব্লগার WordPress.org ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। কারণ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। আপনি সহজেই সাইটটি কাস্টমাইজ করতে পারেন এবং বিভিন্ন প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার জন্য আয়ের উৎসও হতে পারে।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং  ফ্রি কিন্তু আপনাকে হোস্ট এবং ডোমেইন এর জন্য খরচ করতে হবে।ডোমেন হল আপনার সাইটের ঠিকানা যেমন trandingtech.com এবং হোস্টিং হল যেখানে আপনার সাইট স্থায়ী হবে।একটি ডোমেনের জন্য সাধারণত আপনার খরচ হবে  ১০০০/ বছর এবং হোস্টিং এর জন্য আপনার খরচ হবে ৮০০/বছর।

ব্লগিং করতে কি লাগে?

  • ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং করতে আপনার প্রথম লাগবে একটি জিমেল একাউন্ট
  • একটি স্মার্টফোনে সাথে ইন্টারনেট কানেক্শন। এক্ষেত্রে যেকোনো সাধারণ ল্যাপটপ বা কম্পিউটার হলে ভালো হয়।
  • ফ্রি তে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং করা গেলেও আমার মতে একটি কাস্টম ডোমেইন কিনে নেওয়া ঠিক হবে। custom domain থাকার অনেক সুবিধা আছে।

ব্লগের টপিক কিভাবে বেছে নেবেন?

  • Technicality – ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি অনেকটা বেশি টেকনোলজি র সঙ্গে যুক্ত হবেন যার ফলে আপনি টেকনোলজির বিষয়ে যে কোন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন খুব সহজে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে টেকনোলজির ব্যাপারে জেনে নেওয়াটা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ।
  • Lifestyle – ব্লগিং করার পরবর্তী ক্ষেত্রে আপনি খুবই ভালো জায়গায় পৌঁছে যাবে। এবং আপনার জীবনযাত্রার মানের অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে যাবে। এটা প্রত্যেক সাকসেসফুল ব্লগারের ক্ষেত্রে সব সময় হয়ে থাকে।
  • Earning for Bloggingওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং করে আপনি অনেক বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন যেটা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে বা ধরে নিতে পারেন সব ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগবে। এবং ব্লগিং থেকে যে উপার্জন হয় তা কিন্তু অনেকটাই বেশি অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে।
  • Inspiration– প্রত্যেকটি successful ব্লগার অন্যান্য ব্লগারের কাছে ইনস্পিরেশন হিসেবে কাজ করে। আপনার ক্ষেত্রেও সেইভাবে ইনস্পিরেশন তৈরি হবে এবং আপনার একটি ফ্যানবেজ তৈরি হবে।
  • Do for others – আপনার ব্লগটি তখনই সফল হবে যখন আপনি আপনার  ভিজিটরকে সাহায্য করতে পারবেন। এর ফলে ভিজিটর অনেক বেশি উপকৃত হতে থাকবে।
  • Carrier – আপনি যদি জীবনে কিছু না করতে চান তো ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং আপনি কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। বা এটি আপনার backup plan হিসেবে কাজ করবে।
  • Own Boss – ব্লগিং করার জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না আপনি বাড়িতে বসেই করতে পারবেন এবং আপনার বস আপনি নিজেই , আপনার যদি একদিন ছুটি নিতে মন চাই আপনি নিজের মত নিতেই পারেন।

কিভাবে আপনার ব্লগের জন্য একটি ডোমেইন নিবন্ধন করবেন?

আপনার ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠনের জন্যই হোক আর ব্যাক্তিগত ব্লগের জন্যই হোক, একটা ভাল ডোমেইন নেম সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এটাই কোন ওয়েব সাইট তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ। একটা ভাল ডোমেইন নেম খুজেঁ পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছুটা সময় নিয়ে বেশ কিছু সম্ভাব্য নামের তালিকা প্রস্তুত করা উচিৎ এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করে সেখান থেকে সবচেয়ে উপযোগী নামটা নির্বাচন করা উচিৎ।

অনেকেই প্রথম ওয়েব সাইট তৈরির সময় এত বেশি উত্তেজনায় থাকেন যে ডোমেইন নেমের গুরুত্বটা পাশ কাটিয়ে যান। কিন্তু এটা মোটেই ঠিক নয়। করণ ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েব সাইটের একমাত্র পরিচিতি। সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর যেমন নাম রাখা খুবই জরুরী ঠিক তেমনি আপনার ব্যবসায়ের ডোমেইন নেইম ঠিক ততখানিই জরুরী।

কারণ যতদিন আপনার ব্যবসায় বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং থাকবে তা সেই নামেই পরিচিত হবে। আপনার ব্লগ বা ব্যবসায়ের ডোমেইন নেইম ঠিক করার অনেকগুলো চলিত নিয়ম রয়েছে, যা আপনার ব্লগে/ব্যবসায়ের নাম বাছাই করার ক্ষেত্রে বেশ ভাল ভূমিকা রাখবে। আপনার ব্যবসা বা ব্লগের ধরণের উপর নির্ভর করে আপনি নাম ঠিক করতে পারেন।

যাইহোক, আপনাকে অনলাইনে পরিচিত হতে হলে অবশ্যই একটি ইউনিক নাম ভেবে রাখা উচিত। একটি সুন্দর বা যথাযথ ডোমেইন খুঁজে বের করা, একটি ব্যবসার নাম নির্ধারণ করার মতই কঠিন একটি কাজ। এটা করতে অনেক চিন্তাভাবনার পাশাপাশি আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়।

যেহেতু ডোমেন নামটি ওয়েবে আপনার বা আপনার ব্যবসার পরিচয় বহন করবে, তাই অবশ্যই এমন একটি নাম নির্বাচন করতে হবে, যা শুধুমাত্র আপনার ব্যবসার পরিচয়ই বহন করবে না, সাথে সাথে সেটি যেন অন্যরা সহজে খুঁজে পায় এবং আপনি যেন নামটি সব জায়গায় ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। একটি সুন্দর ও যথাযথ ডোমেইন খুঁজে বের করতে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।

ডোমেইন নাম সাজেশন টুল-

আশা করছি উপরের উল্লেখিত ডোমেইন নাম সাজেশন টুল ব্যবহার করে আপনার পছন্দ (Niche)  অনুযায়ী একটি ডোমেইন নাম সিলেক্ট করতে পারবেন যে কোন সময়।

Google Analytics কি এবং কিভাবে সেটআপ করতে হয়?

আমি যখন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে শুরু করি, তখন আমি সবসময় একটা ঘাটতি অনুভব করি। এভাবেই SEO করার পর আমি আমার প্রচেষ্টাকে কিভাবে বিশ্লেষণ করব??? আপনি যদি এই সমস্যার মুখোমুখি হন তবে আপনি Google Analyticsবাংলা টিউটোরিয়ালের সাহায্যে এটি সমাধান করতে পারেন।

আমাদের আগের পোস্টে, আমরা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যবহৃত অনেক কৌশল সম্পর্কে কথা বলেছি। আরও এরকম অনেক প্রশ্ন আছে যার উত্তর আমরা গুগল অ্যানালিটিক্সে পেয়ে থাকি। গুগল অ্যানালিটিক্স ওয়েবসাইট  আপনার  জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টুল।

যারা এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানেন তারা অনেক সুবিধা নিতে পারেন।অ্যানালিটিক্সের সাহায্যে, ওয়েবসাইটের মালিক তার ওয়েবসাইটে সমস্ত দর্শকদের তথ্য নিতে পারেন।আজকের সময়ে শুধুমাত্র আপ টু ডেট তথ্যই আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

আমরা এই Google Analytics টুল থেকে অনেক তথ্য পাই, যেটি ব্যবহার করে আমরা আমাদের সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিং বাড়াই। তাই প্রত্যেকের উচিত তাদের ওয়েবসাইটে বিশ্লেষণ ইনস্টল করা।এটি ইনস্টল করা সহজ !!! আমরা খুব সহজে অ্যানালিটিকসে আমাদের ওয়েবসাইট যুক্ত করতে পারি।গুগল অ্যানালিটিক্সের সঠিক ইনস্টলেশনের জন্য এই 3টি ধাপ অনুসরণ করতে হবে-

  • একটি Google Analytics অ্যাকাউন্ট তৈরি করা।
  • ট্র্যাকিং কোড গ্রহণ.
  • আপনার ওয়েবসাইটে অ্যানালিটিক্স ট্র্যাকিং কোড যোগ করা।

ওয়েবসাইটে ধাপে ধাপে Google Analytics ইনস্টলেশনঃ

সবার আগে আপনার গুগলের ইমেল আইডি থাকতে হবে – যেমন [email protected]

1. Google analytics ওয়েব পৃষ্ঠাতে যান > https://www.google.com/analytics

সাইন ইন ক্লিক করুন-
2. Analytics বিকল্পটি নির্বাচন করুন।
3. সাইন আপ করতে জিমেইল আইডি ব্যবহার করুন।
4. জিজ্ঞাসা করা তথ্য পূরণ করুন.

  • হিসাবের নাম
  • ওয়েবসাইটের নাম
  • ওয়েবসাইট URL
  • শিল্প বিভাগ
  • রিপোর্টিং টাইম জোন – আপনি যদি  বাংলাদেশ এ থাকেন তবে বাংলাদেশ নির্বাচন করুন।

এবং তারপর নিচে দেওয়া Get tracking ID-এর বোতামে ক্লিক করুন।
5. Get Tracking ID এ ক্লিক করলে একটি পপ-আপ দেখা যাবে।
সেখানে আপনার দেশ নির্বাচন করুন এবং আমি সম্মত এ ক্লিক করুন।
6. এখন আপনি বিশ্লেষণ কোড পাবেন, যা আপনি কপি করবেন।
7. এই কোডটি আপনার ওয়েবসাইটে </head > (ক্লোজিং হেড ট্যাগ) এর আগে পেস্ট করুন।
আর এভাবেই আপনার ওয়েবসাইটে Google Analytics সেট আপ হয়ে যাবে।

ওয়েবসাইটটি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের উপর নির্মিত হয়, তাহলে আপনি এইভাবে ওয়েবসাইটে অ্যানালিটিক্স কোড যোগ করতে পারেন-

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে এই প্লাগইন যোগ করুন।
প্লাগইন > আর্থার গ্যারেগিনিয়ানের হেড এবং ফুটার স্ক্রিপ্ট ইনসার্টার।
পরিবর্তনগুলি সংরক্ষণ করুন বোতামে ক্লিক করুন৷

আর এইভাবে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে google analytics যোগ করতে পারেন।

আমি আশা করি গুগল অ্যানালিটিক্স বাংলা টিউটোরিয়াল আপনার জন্য সহায়ক হবে।

তবুও যদি আপনাদের বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আপনাদের কমেন্টের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.