কোরিয়ানরা এখন তাদের না করা জিনিস গুলো

স্পেইস নিয়ে বানানো সম্ভবত এটিই প্রথম কোরিয়ান মুভি।বুঝাই যাচ্ছে মুভিটি সাই-ফাই জনরা।কোরিয়ানরা এখন তাদের না করা জিনিস গুলো নিয়েও কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করে থাকবে। মুভির কাহিণী ২০৯২ সালের মানে আজ থেকে ৭১ বছর পরের গল্প।পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।স্পেইস জাংকে ভরা মৃতপ্রায় পৃথিবীর চারপাশ।এই আবর্জনা গুলো সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে স্পেইস স্যুইপাররা।এরকম এক আবর্জনা সংগ্রহ করার শীপ হচ্ছে The Victory.এখানে রয়েছে তিনজন মানুষ এবং একটি বাতিল হয়ে যাওয়া আর্মি রোবট।

 তাদের না করা জিনিস গুলো নিয়েও কাজ করছে

কর্পোরেশন মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাসের জন্য সমস্ত উপকরণের উন্নতি সাধন করে চলেছে।সেখানকার নাগরিক হতে পারবে যাদের টাকা বেশি।বাকিদের থাকতে হবে সেই ধূলি-ধুসরিত পৃথিবীতে।UTS কর্পোরেশন চায় পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাক।তাই তারা ডরোথি নামে এক রোবট বাচ্চাকে ব্যবহার করতে চায়।কিন্তু এই বাচ্চার ভিতরে একটা অদ্ভুদ ক্ষমতা রয়েছে যা মৃত গাছকে সতেজ করে তুলতে পারে।একসময় The Victory এর সেই চারজন বাচ্চাটিকে খুঁজে পায়।ডরোথিকে দিয়ে একদল পৃথিবী ধ্বংস এবং অপরদল পৃথিবী রক্ষা করার পরিকল্পনা করে।

মোটরসাইকেল ইনসুরেন্স কি ও ইনসুরেন্স করার নিয়ম

শেষমেষ জিত হয় কাদের? কোরিয়ান মুভি লাভার হলে দেখে নিতে পারেন।আমার কাছে শুরুতে বোরিং মনে হলেও পরে ভালোই লেগেছে।মুভির ইমোশন সিনগুলো ভাল ছিল।VFX ও ভালো ছিল।বাচ্চা মেয়েটির এক্টিং বেশি ভালো লেগেছে।এটি ছিল মার্ভেলের ২০ তম মুভি।পল রাড পছন্দের একজন হওয়ার সুবাদে তার দুই মুভিই আমার কাছে ভালো লেগেছিল।মুভির মেইম থিমটা ছিল আসলে কোয়ান্টাম রিল্ম নিয়ে। Civil War এ স্কট ল্যাং ক্যাপ্টেনের সাথে জোট বেঁধেছিল।সেটার ফলস্বরূপ এই মুভিতে তাকে গৃহবন্দি করা হয়।

ঘরের ভিতরে থেকে বোর যাতে না হতে হয় সেজন্য সে তার ছোট মেয়ে ক্যাসিকে বিনোদন দিয়ে যাচ্ছে।এইদিকে FBI হোপ আর হ্যাঙ্ক কে খুঁজে বেড়াচ্ছে।তারা পরিকল্পনা করেছে হোপের মা জ্যানেটকে কোয়ান্টাম রিল্ম থেকে যে করেই হোক ফিরিয়ে আনবে। হ্যাঙ্কের ল্যাবের দিকে নজর পড়ে যায় কিছু মানুষের।তারা সেই ল্যাব চুরি করতে চায়।এখন কথা হচ্ছে ল্যাবের ভেতরের কিছু চুরি করা সম্ভব কিন্তু আস্ত ল্যাব কেমনে চুরি করে? অন্যদিকে স্কট ঘর থেকে বের হলেই তার জেল হয়ে যাবে।

পারবে জ্যানেটকে ফিরিয়ে আনতে হোপ আর হ্যাঙ্ককে

সবকিছুকে ম্যানেজ করে স্কট কি পারবে জ্যানেটকে ফিরিয়ে আনতে হোপ আর হ্যাঙ্ককে সাহায্য করতে? মুভির VFX ভালো ছিল এবং মুভিটি ভালো ব্যবসাও করে।কোয়ান্টাম রিল্মের থিমটা আসলেই ইন্টারেস্টিং ছিল।স্টোরিও মন্দ না।⭕আমার দেখা লাইফের অন্যতম সেরা ড্রামাটিক্যাল মুভি।প্রতিটি মানুষ তার জীবনের গল্পের মালিক।সফলতা,ব্যর্থতা,অসহায়ত্ব,একাকীত্ব সবকিছুই হচ্ছে জীবনের প্রতিটি ধাপ।এক বার চোখ বন্ধ করে চিন্তা করুন তো কালকে আপনি বেঁচে না থাকলে কোথায় গিয়ে পড়বেন!বেঁচে থাকলে জীবনের গল্প থাকে আর মরে গেলে জীবনের গল্প থমকে যায়।

Life was like a chocolates box.You never know what you are gonna get.উইন্সটন গ্রুমের লেখা উপন্যাস “ফরেস্ট গাম্প” অবলম্বনে নির্মিত ছিল। ফরেস্ট গাম্প ছোটবেলা থেকেই ছিল ভীষণ বোকা এবং হাঁটতে না পারার জন্য তাকে লেগ ব্রেস পড়ে থাকা লাগতো।তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিল তার মা যে তাকে সবসময় মোটিভেট করতো।আর ছোটবেলায় তার পরিচয় হয় জেনি নামে এক মেয়ের সাথে যে ছিল তার বাবার নির্যাতিতা মেয়ে।জেনির কারণে ফরেস্ট ছোটবেলা পঙ্গুত্ব থেকে মুক্তি পায় এবং সে খুব দ্রুত দৌঁড়াতে শিখে যায়।দৌঁড়ানোর সুবাদে সে সেলিব্রেটি বনে যায়।তারপর আর্মিতে যোগদান করে সেখানেও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করে।পিং পং খেলেও সে সেরাদের সেরা হয়।কিন্তু সে প্রতি মুহূর্তে জেনিকে ফিল করতো।এদিকে ফরেস্টের মা ক্যান্সারে মারা যায়।

জেনি একরাতে ফরেস্টের কাছে নিজেকে সপে দেয়।পরদিন সকালে জেনি পালিয়ে যায়।তারপর ফরেস্টের জীবনে আবার সেই একাকীত্ব।আর্মিতে থাকাকালে সে তার আরেক প্রিয় বন্ধু বাব্বাকে হারিয়েছিল।কয়েক বছর পর ফরেস্ট জেনির ডাক পায়।তার কাছে যাওয়ার জন্য ফরেস্ট ৯ নাম্বার বাসের অপেক্ষায় থাকাকালীন কিছু মানুষকে তার জীবনের গল্পগুলো শুনাতে থাকে।জেনির কাছে ফরেস্টের জন্য কি অপেক্ষা করে ছিল? মুভিটি ১৪ টি ক্যাটাগরিতে অস্কারে নমিনেশন পায় এবং বেস্ট ফিল্মসহ ৬ টি ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতে নেয়।ফরেস্ট চরিত্রে টম হ্যাংকস সুনিপুণ অভিনয় দক্ষতা দেখিয়েছে।সিনেমাটোগ্রাফি,ল্যান্ডস্ক্যাপ,সাউন্ড মিক্সিং সব প্রশংসনীয় ছিল।মুভিতে ৭০-৮০ দশকের কাহিণী দেখানো হয়েছিল।নিঃসন্দেহে এটি সর্বকালের সেরা মাস্টারপিস মুভির একটি।

ফরেস্ট চরিত্রে টম হ্যাংকস সুনিপুণ অভিনয় দক্ষতা

গতকাল এক ভাইয়ের সাজেশনে দেখে ফেললাম কম্প্লিকেটেড সাই-ফাই জনরার মুভিটি।আমাকে কেউ কোন মুভি সাজেস্ট করলে সেটা আগে দেখে ফেলার ট্রাই করি।কারণ পরে আর দেখা হয়ে উঠেনা। মুভিটির পুরো কাহিণীই হচ্ছে Source Code কে কেন্দ্র করে।মানুষের মৃত্যুর পূর্বে শেষ আট মিনিটে ঘটে যাওয়া সব ঘটনাগুলো মস্তিষ্কে থেকে যায়।সেই স্মৃতিকে কাজে লাগিয়ে তৈরী করা হয় Source Code.সেই Source Code এর মাধ্যমে তৈরি করা যায় অসংখ্য প্যারারাল ইউনিভার্স।এই ধরনের মুভি আসলে ব্যাখ্যা করে সেভাবে বুঝানো সম্ভব না আমার পক্ষে।

y

কোল্টার স্টিভেনস হচ্ছে একজন আর্মি পাইলট।হঠাৎ সে নিজেকে একটা ট্রেনের ভিতরে আবিষ্কার করে।কিন্তু তার থাকার কথা আফগানিস্তান এর এক মিশনে।তার সিটের বিপরীতে বসে থাকা ক্রিস্টিনা নামে একজন সুদর্শনা তাকে Sean বলে সম্বোধন করছে।৮ মিনিটের ভিতরেই ট্রেনটি ভয়ানক বোমা বিস্ফোরণ এর শিকার হয়। তারপর স্টিভেনস নিজেকে আবার একটি ককপিটের ভিতরে আবিষ্কার করে।তার সামনে একটি মনিটর।গুডউইন নামে একজন মহিলা তার সাথে কথা বলছে।এক পর্যায়ে স্টিভেনস জানতে পারে তার স্মৃতিকে ঐ ট্রেনে পাঠানো হয়েছে Sean নামে এক ব্যক্তির শরীরে।যাতে সে ঐ ট্রেনের বোমা হামলাকারীকে চিহ্নিত করতে পারে।কারণ সেই সাইকো হামলাকারী ২য় মিশন শুরু করতে চলেছে সামনে।তাকে ধরা খুবই জরুরী। এভাবে পরপর স্টিভেনসকে সেই ট্রেনে পাঠানো হয়।

বারবারই সে ভুল লোককে চিহ্নিত করছিল এবং ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসছে। শেষমেষ কি স্টিভেনস অপরাধীকে ধরতে সমর্থ হবে?সেটাই বা কিভাবে? সত্যিই মুভিটি দারুণ ছিল।টানটান উত্তেজনা কাজ করবে।দেখার সময় একটুও বিরক্ত হইনি।আর মুভির কনসেপ্টটাও ভালো লেগেছে।জ্যাক গিলেনহ্যাল আমার খুবই পছন্দের একজন অভিনেতা।এই মুভিতে তার অভিনয়ের জবাব ছিলনা।কেউ না দেখে থাকলে আসলেই মিস করবেন।#TanuWedsManuReturns (2015) এনে দেয় সুপারস্টারের খেতাব। এটাও বক্স অফিসে প্রচুর ইনকাম করে। এরপরে আর কঙ্গনাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

অভিনয় দক্ষতায় নিজের ক্যারিয়ারকে

অন্যসব অভিনেত্রীরা যেখানে মুভিতে পাপেট হয়ে থেকেছে সেখানে কঙ্গনা একক অভিনয় দক্ষতায় নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। বলিউডে #Manikarnika: The Queen of Jhansi (2019) এর মত মুভি, কোনো অভিনেত্রী করার সাহস পাবেনা। কিন্তু কঙ্গনা অবলিলায় করেছে। সামনে সাহসী সব নারী প্রধান মুভি নিয়ে হাজির হচ্ছে, যা বলিউডে কেউ করে দেখাতে পারেনি। তবে বড়বেশি স্পষ্টবাদী হবার জন্য বারবার বিতর্কিত হতে হয়েছে।

ইমু একাউন্ট খোলার সহজ উপায় | দেখুন খুব সহজে কিভাবে ইমু অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

কারান জোহারের মত মানুষকে মুভি মাফিয়া বা ফ্ল্যাগ বেয়ারার অফ নেপোটিজম নামক সত্য কথা বলতেও ছাড়েনি। ইয়াশ রাজ চোপড়ার মত বিগেস্ট প্রোডাকশন হাউজের #Sultan(2016) মুভি, আদিত্য চোপড়ার মুখের উপর ছেড়ে দিয়েছে। রিতিকের সাথে তো কেলেংকারীটা ওর জীবনের সেরা কালো অধ্যায়। তবু একমাত্র কঙ্গনাই জলে বাস করে কুমিরের সাথে যুদ্ধ করে চলেছে। ব্যর্থ হচ্ছে হোঁচট খাচ্ছে কিন্তু থেমে যাচ্ছেনা, প্রতিবার প্রবল মনের জোরে ফিরে আসছে বারবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *