তাহলে আপনি সময় নষ্ট না করে

এওয়ার্ড উইনিং ওভারএক্টিং পারফর্মেন্স দিয়েছে আলিয়া ভাট….. আপনার মন খারাপ, কাউকে পাচ্ছেন না কিছু বলতে। তাহলে আপনি সময় নষ্ট না করে, ওয়াইফাই থাকলে কানেকশন অফ করে, এমবি কিনে এই মুভিটি ডাউনলোড করুন। তারপর আপনার মনে যা আসে, উপহার দিয়ে দিন পরিচালক ও স্ক্রিপ্টরাইটারকে….. হুম মুভির নামঃ  পরিচালনাঃমুভির পরিচালক মহেশ ভাট। শেষ পরিচালনা করেছিলেন ১৯৯৯ সালে। তারপর এই ২০২০ এ এসে ২১ বছর পর এই খেলনা বানিয়েছেন। স্পয়লারবিহীন দুজন মিলে এই মুভির স্টোরি লিখেছেন!

 কাউকে পাচ্ছেন না কিছু বলতে

বাংলা একটা প্রবাদ বাক্য আছে, “শ্যাম রাখি না কুল রাখি” তাইতো দুজন মিলে কাকে লিড ক্যারেক্টারে ফেলবে ডিসাইড করতে পারেনি। তাইতো এই বেহাল দশা। একটা ক্যারেক্টারে ঢুকলে আরেকটা ক্যারেক্টার গায়েব হয়ে যাচ্ছে। পুরো মুভিতে কোনো একটা ক্যারেক্টার ঠিকঠাক মতো ফুটে উঠতে পারেনি। তাই মুভির গল্পটাও ঠিকঠাক মতো এগিয়ে যেতে পারেনি। কারও ঘুমের সমস্যা হলে রাতে মুভিটা দেখতে পারেন, আশা করি আপনার ঘুম ভালো হবে। #সংলাপঃএই মুভির সংলাপ খুবই গড়পড়তা ছিলো। দু একটা সংলাপ তো খুবই কানে লেগেছে।

hrdsgd

ফেসবুক একাউন্ট খোলার নিয়ম | ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা শিখুন এখানে

আর আলিয়া ভাট তো নিজের বাপের-চাচার পরিচালনা ও প্রডাকশনের ফায়দা নিয়ে, পারলে মুভির সব ক্যারেক্টারের ডায়লগস নিজেই বলে দেয়! #অভিনয়ঃ অভিনয় নিয়ে বলতে গেলে মুভির চারটি ক্যারেক্টার নিয়া বলা যায়ঃ সঞ্জয় দত্ত যে মানের এক্টর, তার কাছে এখন এমন মামুলি এক্টিং মনেহয়না কেউ আশা করে। যিশুর শুরুটা বেশ ভালো ছিলো। অসাধারণ এক্সপ্রেশান দিয়েছে। শেষেও দুর্দান্ত লেগেছে। তবু ওর ক্যারেক্টারটা ঠিক ফুটে উঠে নাই। আদিত্য রয় কাপুরের ক্যারেক্টার কেন রেখেছে জানা নেই। আলিয়ার বান্ধবী হবার জন্যে রাখতে পারে!

তাইতো আদিত্য রয় কাপুর খুবই অসাধারণ ওভারএক্টিং উপহার দিয়েছে। এখনো কেউ এভাবে মেকি রগ ফুলিয়ে এমন হাস্যকর এক্টিং করে জানা ছিলোনা। এবার এলো আলিয়া ভাট। আলিয়া ভাট হাত কাটার দৃশ্য দিয়ে ওভারএক্টিং করা শুরু করে। “Upar wala hamare saath hai iss Sadak par” এই ডায়ালগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ওভারএক্টিং এগিয়ে যায়। অযথা হিরোইজম ভর্তি ছিলো ওর ক্যারেক্টারটা। কিন্তু বোনাস হিসেবে Makarand Deshpande এই লোকটা ভালোই এক্টিং দিয়েছেন। #মিউজিকঃ মিউজিক খারাপ ছিলোনা। প্রথম গানটা ভাল্লাগছে আমার। আর মুভিতে বহুদিন পরে কেকে-এর গান শুনলাম। তবে একটানা অন্য ইন্ডাস্ট্রির মুভি দেখতে দেখতে মুভিতে যে গান থাকে তা ভুলে গিয়েছিলাম পরিশেষে বলা যায়, সড়ক-২ কোনো আহামরি মুভি না।

 মাধ্যমে ধাপে ধাপে ওভারএক্টিং এগিয়ে যায়

রেটিও প্রাপ্য না। চাইলে একবার দেখতে পারেন, না দেখলে একদমই ক্ষতি নেই।দুই নিঃস্বার্থ মুক্তিযোদ্ধা পন্ডিত রবি শঙ্কর এবং জর্জ হ্যারিসনঃ সেদিন ২৭শে জুলাই ১৯৭১ সাল। নিউইয়র্কের মিডটাউন ম্যানহাটনের Allen Klein’s ABKCO অফিসে, প্রেস কনফারেন্সে পন্ডিত রবি শঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসন “The Concert for Bangladesh” শিরোনামে এই ঐতিহাসিক কনসার্টের ঘোষণা দেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য এই কনসার্টটির তাৎপর্যতা নতুন করে বলার কিছু নেই। পহেলা আগস্ট কনসার্ট। হাতে মাত্র চার দিন সময়। তবু তড়িঘড়ি করে একটু আধটু মহড়া করে জর্জ হ্যারিসনরা। চার দিন পর পহেলা আগস্টে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে The Concert For Bangladesh শুরু হয়ে গেলো। বিখ্যাত সব মিউজিশিয়ানদের আমন্ত্রণ করেছিলেন জর্জ হ্যারিসন।

dcfgedfc

এভেন সেখানে জন লেনন পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন। যদিও পরে নিজের অসুবিধার জন্য আসতে পারেন নি। এদিকে এনাউন্সমেন্টের পর থেকে আয়োজনের সব টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে, এতোটা সাড়া পাবেন তারা ভাবতে পারেন নি। সেই আয়োজনে জগদ্বিখ্যাত মিউজিশিয়ান বব ডিলান বাংলাদেশের জন্য গেয়ে ছিলেন ৫টি গান। যার মধ্যে জর্জের সাথে একটি ডুয়েট গান ছিলো। এছাড়াও রিঙ্গো স্টার, বিলি প্রেস্টন, লিওন রাসেল, ডন প্রেস্টনরাও একটি করে গান গেয়েছিলেন। আর জর্জ গেয়েছিলেন মোট আটটি গান। যার মধ্যে কনসার্টের শেষ গানটি গেয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন।

গানটি তার নিজেরই লেখা, নিজেরই সুর করা। সেই বিখ্যাত গান, রক্তে আগুন ধরানো সেই গান, Bangladesh Bangladesh……. আমরা নতুন প্রজন্ম শুধুমাত্র জর্জ হ্যারিসনের নামই শুনে থাকি, কিন্তু জর্জ হ্যারিসন কিভাবে যুক্ত হলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে  তা আমরা তেমন ভাবে জানিনা। তেমন চর্চাও হয়না বিষয়টি নিয়ে। তাইতো আড়াল পড়ে থাকা সেই কারণের নাম হলেন পন্ডিত রবি শঙ্কর। জি হ্যাঁ কিংবদন্তীতুল্য ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞের কথাই বলছি। জগদ্বিখ্যাত এ সেতারবাদক কিংবদন্তী রবি শঙ্করের পৈত্রিক নিবাস ছিলো আমাদের বাংলাদেশের নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায়।

জি হ্যাঁ কিংবদন্তীতুল্য ভারতীয় বাঙালি

কিংবদন্তি এই লোকটির জন্ম ভারতে হলেও বাংলাদেশের প্রতি তার নাড়ির টান ঠিকই স্পর্শ করতেন। তাইতো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যখন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ বিপদগ্রস্ত, অসহায়, নিরুপায়। যুদ্ধাবস্থায় অনাহারে না খেয়ে খেয়ে কংকালসার চেহেরা হয়ে গিয়েছে। এই সাধারণ জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও চিকিৎসার জন্য অন্যসব হ্নদয়বান ব্যক্তিদের মতন রবি শঙ্করও এগিয়ে এসেছিলেন।

তিনি বিভিন্ন জায়গায় কনসার্ট করেছেন। একেবারে নিঃস্বার্থ ভাবে যতটা সম্ভব তহবিল সংগ্রহ করছেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য। তার এই মহান কাজটিকে আরও তীব্র মাত্রা যোগ করার জন্য তিনি তার শিষ্য জর্জ হ্যারিসনকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছু করার অনুরোধ করেন। তিনিই জর্জকে যতটা সম্ভব আমাদের মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্যতা ও সাধারণ মানুষদের খাদ্যের জন্য হাহাকারের সকল তথ্য ও সংবাদ জানান। যাতে করে জর্জের হ্নদয় ছুঁয়ে যায়। তারপর থেকে জর্জ বিশ্ব দরবারে ছবি ও গান গেয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা জানান, সাধারণ মানুষদের খাদ্যের সরবরাহ করার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে থাকেন।

এভাবেই পন্ডিত রবি শঙ্কর নামের এই মহান ব্যক্তিটির জন্যই বাংলাদেশ পায় আরেকজন নিঃস্বার্থ মুক্তিযোদ্ধাকে। তথ্যসূত্রঃ Credit: Rock Negatives / MediaPunch, MediaPunch Inc / Alamy Stock Photo, প্রথম আলো, পন্ডিত রবি শঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসন উইকিপিডিয়া। .কঙ্গনা রানাউত বর্তমান সময়ের বলিউডের লেডি সুপারস্টার। মাত্র ৩২ বছর বয়সেই তিন তিনটা জাতীয় পুরুস্কার পাওয়া একমাত্র অভিনেত্রী। শাহরুখকে যেমন কিং অফ বলিউড বলা হয়ে থাকে, তেমনি কঙ্গনাকেও #কুইন_অফ_বলিউড বলা হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ের বলিউডের লেডি সুপারস্টার

একজন টিনেজার মেয়ে যে কিনা বাসা থেকে বের হয়ে এসেছিলো, বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো, আদিত্য পাঞ্চোলির মত বদমায়েশ লোকেরা প্রতিটা মুহুর্তে জীবন হারাম করে ফেলতো সেই মেয়েই কিনা এতসব খেতাব, উপাধি সম্মান পেয়ে গেলো! থাক ওর স্টাগল নিয়ে পরে কোনোদিন কথা হবে। আজ জাস্ট মুভি নিয়ে কথা। ওর অভিষেক হয় ২০০৬ সালে অনুরাগ বসুর হাত ধরে। মুভির নাম #Gangster (2006)। কিন্তু আমি ওকে চিনি #Fashion (2008) থেকে। এই মুভির জন্যই প্রথমবার সাপোর্টিং ক্যারেক্টারে জাতীয় পুরুস্কার পায়।

মেসেঞ্জার গ্রুপ খোলার নিয়ম খুব সহজে ও দ্রুত মেসেঞ্জার গ্রুপ তৈরি করুন

ফ্যাশনের পরেও ওর তেমন উল্লেখযোগ্য কাজ নেই। #Tanu_Weds_Manu (2011) গিয়ে ভালো একটি কাজের দেখা মিলে। তবে সব দৃশ্যপট চেইঞ্জ হয়ে যায় #Queen (2014) মুক্তির পর থেকে। এই মুভি থেকেই ক্যারিয়ারে প্রথমবার ফ্লপস্টার থেকে স্টার হওয়া শুরু হয়। বক্স অফিসে মুভিটি ১০০+ কোটি ইনকাম করায় আলাদা স্টারডমের দেখা পায়। এই মুভির মাধ্যমেই ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার লিড ক্যারেক্টারে জাতীয় পুরুস্কার পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *