তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেয়ালে একটি কথা লেখা থাকে

এই যে শিশুরা তোমরা পিছনের কাতারে চলে যাও সামনে ঝামেলা কোরোনা নিঃসন্দেহে মসজিদে গিয়ে এরকম বাক্য বহুবার আপনি শুনেছেন শিশুরা মসজিদ ও শৃঙ্খলা করবে নামাজে ব্যাঘাত ঘটাবে এই মর্মে অনেকেই তাদেরকে পিছনের কাতারে পাঠিয়ে দেন অনেকে তরুরু আচরণ করেন কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুদেরকে মসজিদে আগ্রহী করার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন। যাই হোক আজ আপনাদের সাথে চমৎকার একটি সংবাদ শেয়ার করব ৪০ দিন ফজরের জামাতের সাইকেল পেল ৯৯ জন শিশু।

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেয়ালে

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেয়ালে একটি কথা লেখা থাকে কথাটি হলো তারা নামাজ পড়ার সময় যদি পেছন থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন কারণ তারা মসজিদ বিমুখ হয়ে যাচ্ছে পরবর্তী প্রজন্ম মুর্শিদাবাদ করবে না এটি বড় দুঃখজনক কথা সুবহানাল্লাহ উদার।শিশুদের ব্যাপারে মসজিদ কর্তৃপক্ষের কিন্তু আমাদের মধ্যে কেন এত সংকীর্ণতা কেন। আমরা শিশুদেরকে মসজিদের সহ্য করতে পারিনা।

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেয়ালে একটি কথা লেখা থাকে

শিশুদের কাজই তো একটু একটু দুষ্টুমি করবেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেনঃ তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের সাত বছর বয়স থেকে মসজিদের নির্দেশ দাও আর যখন দশ বছর বয়সে উপনীত হবে তখন তাদের নামাজে অবহেলায় আবু দাউদ হাদিস নম্বর ৪৯৫ যাই হোক মূল আলোচনায় আসি ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর একটি মসজিদ কর্তৃপক্ষ বাচ্চাদের জামাতে নামাজ আদায় উৎসাহিত করতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে যারা ৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতে পড়েছে উদ্বেগও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের প্রত্যেকে একটি করে নতুন সাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।

প্রায় দুই মাস আগে মসজিদটির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় তাদের এই উদ্যোগ স্থানীয় শিশু-কিশোরদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলে তারা মসজিদের নামাজ নিয়মিত জামাতে পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠে ফলে নির্ধারিত দিন শেষে ৯৯ জন শিশু-কিশোরকে নতুন সাইকেল. দেয়া হয় চমৎকার উদ্যোগ নেওয়া মসজিদটির নাম আজিজ স্যার ইসমাইল সাঈদ মসজিদ মজার বিষয় হলো অন্যান্য স্থানীয় মসজিদে এমন উদ্যোগ নিয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষের সাফল্যের কথা শুনে মসজিদ কমিটি উদ্যোগটি স্পন্সর করেছিল।

বাংলাদেশের মসজিদের তালিকা

প্রথম পর্বে ২০০ শিশু-কিশোর নিবন্ধিত হয়েছিল তাদের মধ্যে নিরানব্বই জন টানা ৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতে আদায় সক্ষম হয় ফলে তারা সাইকেল উপহার লাভ করে আর যারা নিয়মিত 40 দিন ফজরের জামাত আদায় করতে পারেনি তাদের হাত ঘড়ি উপহার দেয়া হয় সৃজনশীল ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল এটি ব্যাঙ্গালোর এই মসজিদটি এই প্রথম এমন উদ্যোগ নিয়েছে তা নয় বরং এই বছর কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের চাঁদপুরের একটি মসজিদেও এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল এছাড়া ২০১৮ সালের মে মাসে মালয়েশিয়ার কেলান্টান এর একটি মসজিদ পবিত্র রমজান মাসের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বাইক উপহার দিয়েছিল এর আগে 2018 সালের জুলাইতে তুরস্কের কন্যা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেয়ালে একটি কথা লেখা থাকে

মসজিদে আসুন এবং আনন্দ করুন প্রকল্প চালু করে এতে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের টানা ৪০ দিন ফজরের নামাজ আদায় উৎসাহ দেয় এমন উদ্যোগ নিয়েছিল ২০১৮ সালে মিশরের আল বাহিরা প্রদেশের একটি মসজিদ শিশুদের ফজরের নামাজে শরিক হতে উৎসাহিত করে একটি প্রতিযোগিতার ঘোষণা করেছিল প্রতিযোগিতা শেষে যারা টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ পড়তে পেরেছিল তাদের প্রতিশ্রুত উপহার দেয়া হয়েছিল।

মসজিদের কিছু সুন্দর নাম

মূলত প্রথম এমন প্রতিযোগিতা উদ্যোগের ধারণাটি আশরাফুলের একটি মসজিদ কর্তৃপক্ষের ইস্তাম্বুলের সুলতান পরিচিত কর্তৃপক্ষই ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রথম এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল তারা টানা ৪০ দিন ফজরের নামাজে অংশ নেওয়া বাচ্চাদের সাইকেল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছিল সুবহানাল্লাহ আল্লাহ পাক যেন আমাদের লাল-সবুজের পতাকা ধারী এই সুন্দর মুসলিম রাষ্ট্রটি তো এমন এমন ক্ষুদ্র উদ্যোগ নেওয়ার তৌফিক দান করে সুপ্রিয় আলোর পথের দর্শকবৃন্দ আপনারা কারা কারা রিপোর্ট।

ইন্সপায়ার্ড হয়ে আপনার নিজের এলাকার মসজিদে এমন কিছু উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন আমাদের অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ হতে পারে পরবর্তীতে আপনার এমন উদ্যোগ আমরা আমাদের এই চ্যানেলে রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ আমরা চাই ভরে উঠুক বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা আল্লাহর ঘরগুলোতে ছোট ছোট শিশুদের কলরব মুখরিত আনন্দ-উচ্ছ্বাস আল্লাহর ঘরে যাবে সেজদা দিয়ে বলবে সুবহানা রাব্বিয়াল আলা সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম এভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম খুঁজে পাবে আলোর পথ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *