থ্রিলার প্রেমীদের জন্য বলবো মাস্ট ওয়াচ

থ্রিলার প্রেমীদের জন্য বলবো মাস্ট ওয়াচ একটি মুভি।কিছু মুভি দেখলে ক্ষণিকের জন্য নিজেকেই রহস্য মনে হয়।মনে হয় অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যত একসূত্রে বাঁধা এবং এই তিনকালের যেকোন এক কাল বাকি দুই কালকে নিয়ন্ত্রণ করছে না তো!মুভিটি শেষ পর্যন্ত তার সাসপেন্স ধরে রেখেছিল।টুইস্টও পাবেন।সেই সাথে BGM ও যথেষ্ট ভালো লেগেছে।থ্রিলারের সাথে সাই-ফাই দারুণ ছিল।প্লট:Seo Yeon নামের এক মেয়ে তাদের পুরনো বাড়িতে থাকতে আসে।সে ছোট থেকে তার বাবার মৃত্যুর জন্য মাকে দায়ী মনে করে।পথিমধ্যে সে তার ফোন হারিয়ে ফেলে।সেজন্য বাড়ির ল্যান ফোনটাই ভরসা। হঠাৎ ল্যান ফোনে Young Sook নামের এক মেয়ের কল আসে।

বলতে থাকে তাকে তার মা পুড়িয়ে মেরে

সে বলতে থাকে তাকে তার মা পুড়িয়ে মেরে ফেলবে।Seo Yeon প্রথমে রং নাম্বার ভেবে পাত্তা দেয় না।পরে আস্তে আস্তে জানতে পারে Seo Yeon এবং Young Sook একই বাড়িতে অবস্থান করছে এবং কলটি এসেছে ২০ বছর আগের থেকে।Seo Yeon বুঝতে পারে Young Sook অতীত থেকে চাইলে তার বাবাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে।মানে তার বাবার মৃত্যু হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ থামিয়ে দিতে পারবে।Seo Yeon তার বাবাকে ফিরে পায়।কিন্তু সেসময় Seo Yeon ভবিষ্যতে বিচরণ করে।সে একটা হ্যাপি ফ্যামিলি পেয়ে Young Sook এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এবং দুজনের মধ্যে ভাব হয়ে যায়।

mkghjfg

মোটরসাইকেল ইনসুরেন্স কি ও ইনসুরেন্স করার নিয়ম

কিন্তু তাদের দুজনের এই বন্ধুত্বের পরিণতি তীব্র শত্রুতায় পরিণত হয়।Seo Yeon ভবিষ্যত থেকে জানতে পারে Young Sook এর সৎমা তাকে খুন করবে।সেজন্য Seo Yeon তাকে এলার্ট করে এবং Young Sook বেঁচে যায়।সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।বাকিটুক আর বলার ইচ্ছা নাই। অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যত কিভাবে প্রতিটি ঘটনাকে ঘুরিয়ে দেয় লজিক্যালি সেটা ধরতে পারলে আপনার কাছে মুভিটি বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হবে।মুভিটি শেষ পর্যন্ত তার সাসপেন্স ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল এটাই এই মুভির সার্থকতা।কি হচ্ছে?কেন হচ্ছে?শেষে কি হবে?মুভির শেষে আপনি একটু চিন্তা করবেন আর কাহিণী মেলানোর চেষ্টা করতে থাকবেন।গল্পটা শেষে এসে একটু জটিল আর গোলমেলে লাগতে পারে।মনে হয় পরবর্তী সিকুয়্যাল আসার সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে মুভিটির কনসেপ্ট দারুণ ছিল।

যেকোন সিনেমা দেখতে বসে যখন কোন চরিত্র মনের মতো হয়ে যায় তাকে ভালো লাগতে শুরু করে কিন্তু সিনেমায় সে কিছুই পায় না, যা পায় সব হারিয়ে ফেলে খানিকটা নিজের জীবনের সাথে মিলে যায় তখন মনে হয় ালা এর মত বাজে সিনেমা পৃথিবীতে নেই। মন থেকে ঘৃণা আর হতাশা চলে আসে সেই সিনেমার প্রতি। সাবাই প্রেম করে, প্রেমে পরে, ক্রাশ খায় মূল কথা সবার জীবনেই প্রেমের গল্প থাকে! সবার ভালোবাসার গল্পের শেষটা সুন্দর বা মন মতো হয়না! দিয়া সিনেমা এমনই একটা লাভ স্টোরি! তবে এর দুটো ভাগ আছে, যে দুটো কাহিনী সম্পূর্ণ আলাদা, তবে একটা জিনিস কমন! সেটা হলো দিয়া! যাকে ঘিরেই সিনেমার কাহিনী! আর ১০টা সিনেমা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা! কেন আলাদা? গল্পঃ দিয়া নামের এক মেয়ে কলেজের ছাত্রী, যে তার কলেজমেট রোহিতকে খুব পছন্দ করে!

সেই কথা সে কখনো রোহিতকে বলতে

মানে তার ক্রাশ  রোহিত। এক পর্যায়ে তার সেই ভালোলাগা ভালোবাসায় পরিণত হয়, কিন্তু সেই কথা সে কখনো রোহিতকে বলতে পারেনি! এরপর হঠাৎ জানতে পারে, যে কলেজ ছেড়ে কোরিয়া চলে যাচ্ছে! এর ৩ বছর পর হঠাৎই তাদের দেখা হয় ব্যাঙ্গালুরুতে!তারা একই বিল্ডিংয়ের একই ফ্লোরে পাশাপাশি রুমি থাকতো! এরপর ঘটনাক্রমে তারা দুজনই প্রেম ভালোবাসা হয়ে যায়! হঠাৎ করে দিয়া আর রোহিত এর জীবন উল্ট-পাল্ট হয়ে যায়। কিভাবে কেন জানতে হলে দেখতে হবে “Dia” সিনেমা রিভিউঃ মনের মানুষের কিছু হওয়ার পর যখন আপনি আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না, আপনার হাত পা কাঁপবে, আপনি ভেঙে গুঁড়িয়ে যাবেন, যখন আপনি বীভৎস ভাবে কাউকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইবেন,3

luyky

যখন আপনার মনে হবে আপনি আর পারছেন না, যখন আপনার মরে যেতে ইচ্ছে করবে…. তখন হুট করেই একদিন আপনার জীবনে একজন মানুষ আসবে, যে আপনাকে হাত ধরে সমুদ্রে নিয়ে যাবে। আপনার গা থেকে অবহেলা অসম্মানের ধুলোবালি কাদা ধুয়ে দেবে… আপনার চোখের ভেতর থেকে খচখচে বালির মতো কান্না মুছিয়ে দেবে…. একদিন আপনার জীবনে একটা মানুষ আসবে, যে আপনাকে বিশ্বাস করবে অন্ধের মতো, একদিন আপনি তাকে আঁকড়ে ধরে আবার শিরদাঁড়া উঁচু করে উঠে দাঁড়াবেন… যে আপনাকে আবার ভালোবাসতে শেখাবে…. কিন্তু তার কি হবে যে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে অনেক বছর ধরে? তার কি হবে যাকে আপনি আশা দিয়েছিলেন?

নতুম কাউকে পয়ে নিশ্চয়ই তাকে ভূলে যাবেন ?তার প্রতি ভালোবাসার পরিমাণ কমে যাবে? তার মাঝে আর কোন কিছুই খুজে পাবেন না যে কারণে আপনি তাকে আবার ভালোবাসতে পারেন  নতুন মানুষটা পুরোনো থেকে ভালো মনে হবে মেইন কথা বাস্তব জীবনে এই রকমি হয় সবাই বারো****রি, এই সিনেমা দেখে আমরা মাথা পুরা আগুন  হয়ে গেছে। রোহিত এর মত পুলাপান দের বলি এতো মহৎ হইয়ো না জীবনে পরে ুন ারা খাবা । অভিনয়ঃ দিয়ার রিয়েলস্টিক অভিনয়, এক্সপ্রেশন, একদম অনবদ্য! তার দুই ভালবাসা, রোহিত আর আদি! তাদের অভিনয়ও ভালো ছিল।

একজন চোরের পিঁপড়ামানব হয়ে উঠা

আমার মনে হয় এটা MCU এর আন্ডাররেটেড মুভি।মুভির কাহিণী একজন চোরের পিঁপড়ামানব হয়ে উঠা নিয়ে।পিঁপড়ামানব হয়ে উঠা কিন্তু খুব সহজ ছিলনা।আপনাকে পিঁপড়ার ভাষা বুঝতে হবে,যেকোন সময় নিজের আকৃতি ছোট-বড় করার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে সেইসাথে সদা সজাগ থাকতে হবে রূপ বদলানোর সময়। 1989 সালে বিজ্ঞানী Hank এক ধরনের সাব-অ্যাটোমিক বস্তু আবিষ্কার করে যেটি পদার্থের আকৃতি ও ভর হ্রাস করে দিতে পারে।যার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় Ant-Man এর স্যুট।বস্তুটির নাম দেওয়া হয় Pym Particle.এইদিকে Hank এর আবিষ্কার চুরি করে নিয়ে তার প্রতিপক্ষরা ব্যবসা করতে চায় যেটি সকলের জন্য মঙ্গলজনক নয়।

মেসেঞ্জার গ্রুপ খোলার নিয়ম খুব সহজে ও দ্রুত মেসেঞ্জার গ্রুপ তৈরি করুন

তাই Hank এমন একজনকে সেই স্যুট এর মালিক করতে চায় যেটাতে কারও কোন ক্ষতি হবেনা এবং Hank নিজের চাওয়া অনুযায়ী তাকে পরিচালিত করতে পারবে।জেল থেকে বের হওয়া Scott Lang নামে এক চোরের সাথে ডিল করে Hank.Scott আবার তার মেয়ের প্রতি খুব দুর্বল ছিল।সে জেলে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী একজন পুলিশ অফিসারের সাথে সংসারী হয়।মূলত Scott এর বদঅভ্যাস আর খামখেয়ালীপনা এসব কিছুর জন্য দায়ী।

Scott কে আর জেলে যেতে হবেনা এবং সে তার মেয়ের সাথে দেখা করতে পারবে এই শর্তে সে Hank এর প্রস্তাবে রাজী হয়।শুরু হয় তার Ant-Man হয়ে উঠার গল্প। পল রাডের অভিনয় আমার কাছে ভালো লাগে।সেই হিসেবে Ant-Man আমার কাছে ফেবারিট।তাছাড়া স্টোরিলাইনও খুব একটা খারাপ ছিলনা।সাদামাটা হলেও ভালো লেগেছে।সম্প্রতি রিলিজ হওয়া বলিউডের “লুডু” মুভির অভিষেক বচ্চনের অংশটুকু Ant-Man এর পারিবারিক জীবনের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত বলে আমার মনে হয়েছে।MCU এর Phase-2 এর লাস্ট মুভি ছিল এটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *