দেনমোহর থেকে স্বামীকে ক্ষমা করার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

প্রশ্ন করে জানতে চাইলে স্ত্রী তার স্বামীকে দেনমোহর থেকে মুক্ত করে দিতে পারে কিংবা সম্পূর্ণ মাফ করে দিতে পারে।  দেনমোহর থেকে স্বামীকে ক্ষমা করার ব্যাপারে ইসলামের কোন বিধান রয়েছে কি জানালে উপকৃত হব এর সঠিক উত্তর হচ্ছে বিস্তৃতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে মোহরের কিছু অংশ ছেড়ে দেয় বা গ্রহণ করার পর স্বামীকে উপহার দিয়ে দেয় তাহলে স্বামী তারানন্দ ভোগ করতে পারবে। পূর্ণ ছেড়ে দেওয়ার জন্য মোহর স্বামীকে উপহার দেওয়ার অধিকার রয়েছে।

দেনমোহর থেকে স্বামীকে ক্ষমা করার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

তবে সাধারণ অবস্থায় পূর্ণ মোহর না দিয়ে কিছু অংশ দেওয়াই ভালো আল্লাহ তায়ালা বলেন অতএব তাদের নিকট থেকে তোমরা যে আনন্দ উপভোগ করেছো। সে কারণে তাদের ধার্যকৃত মহর তাদের প্রদান করবে আর মোহর নির্ধারিত থাকার পরেও কোন বিষয়ে পরস্পর সম্মত হলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময় সূরা নিসা আয়াত ২৪। অন্যত্র তিনি বলেন এবং তোমরা নারীদের দাও তাদের মোহর খুশিমনে এরপর তারা যদি স্বেচ্ছায় সাগ্রহে ছেড়ে দেয় এর কিছু অংশ তখন তোমরা চাইলে তার সাতজনকে ভোগ করতে পারো সূরা নিসা আয়াত ৪।

দেনমোহর থেকে স্বামীকে ক্ষমা করার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

তবে এখানে কিছু কথা জেনে রাখা আবশ্যক এক মূলত একটি সম্মানি যার স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে যার মূল উদ্দেশ্যই হলো নারীকে সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া এটা শুধু কথার কথা নয় যা শুধু ধার্য করা হয় পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা থাকে না বলেই আমরা অনেকে মনে করে বরং শরীয়তের উদ্দেশ্য হলো যখন কোন পুরুষ স্ত্রীকে ঘরে আনবে তখন তাকে মর্যাদার সঙ্গে আনবে এবং এমন কিছু উপহার দিবে যা তাকে সম্মানিত করে শরীয়তের দৃষ্টিতে এটা এতটাই অপরিহার্য যে মোহর ছাড়া বিয়ে হয়না আকদের সময় উল্লেখ না করলেও কিংবা না দেওয়ার শর্ত করলেও মোহর বাতিল হয় না।

তালাকের পর দেনমোহর পরিশোধ

দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে উক্ত আয়াত থেকে কিছু বিষয় প্রমাণিত হয় তার মধ্যে অন্যতম. মোহর আদায় করা ফরজ জানোনা স্বয়ং আল্লাহর আদেশ করেছেন সুতরাং স্বামীর কর্তব্য যথাযথভাবে মোহর পরিশোধ করে দেয়া বিয়ের দিনই মুহুর যদিও একটি মধুর লেনদেন এবং ওইভাবেই তা আদায় করা উচিত অর্থাৎ সম্মানের সাথে হাসিমুখে তার সামনেই এই মুহূর্তে করতে হবে তবে তা নিছক উপহার নয় যে ইচ্ছা হলেই দেওয়া যায়না আবার কিছু হলেই বিরত থাকা যায়না বরং তা হলো স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার এবং সম্মানের সাথে দিতে হবে।

যেমন প্রীতি ও ভালোবাসা সঙ্গে নিজেকে অর্পণ করছে স্বামীর কর্তব্য সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে তার মোহর আদায় করা এটি হচ্ছে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অতঃপর নারীর অধিকার সাব্যস্ত হওয়ার পর তা পরিশোধ না করা কিংবা অন্যায় ভাবে ফেরত দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ হারাম স্ত্রী যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে মোহরের কিছু অংশ ছেড়ে দেয় কিংবা নেওয়ার পর স্বামীকে উপহার দিয়ে দেয় তাহলে স্বামী তার সাজা ভোগ করতে পারবে পূর্ণ মোহর.দেওয়ার বা পূর্ণ মোহর স্বামীকে উপহার দেওয়ার অধিকার রয়েছে তবে সাধারণ অবস্থায় পূর্ণ মহড়া দিয়ে কিছু অংশ দেওয়াই ভালো।

দেনমোহর কত টাকা্মো‌ হরানা কে নির্ধারণ করবে

দেনমোহর থেকে স্বামীকে ক্ষমা করার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

স্ট্রিম ফাঁকি দেওয়া উচিত কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় ভোগ করতে রাজি কিন্তু বিনিময় দিতে রাজি নয় যে স্বামীর মনের ইচ্ছাটুকুই হাদীস শরীফে তাকে বলা হয়েছে ব্যভিচারী চাপ দিয়ে পূর্ণ মহর বা কিছু অংশ মাফ করিয়ে নেয় তাহলে আল্লাহর বিচারের তাম্মাহ হবে না তিনি কারো মনে হতে পারে জীবনে তো কত কিছুই স্ত্রীকে দিয়েছি সবকিছুই তো আমার উপরে অপরিহার্য ছিল না সুতরাং বিয়ের সময় সামান্য যে কিছু টাকা ধার্য করা হয়েছিল তা নিয়ে এত চুলচেরা হিসাব নিকাশের কি প্রয়োজন এই ধারণার কোনোভাবেই ঠিক নয়।

কেননা আদায়ের নিয়ত ছাড়া উপহার হিসেবে যা কিছু দেওয়া হয় তা দ্বারা মহর আদায় হয় না আর পাওনাদারের পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে চুলচেরা হিসাব করা দুঃখের বিষয় নয় বরং হক আদায়ের সতর্কতার কারণে তা প্রশংসনীয় বটে.সনদারও যদি চুলচেরা হিসাব করে পাওনা বুঝে নিতে চায় তাহলেও তার নিন্দা করার অবকাশ নেই কারণ এটা তার অধিকার তবে কোরআন হাদিসে উভয়পক্ষকে সহজ হওয়ার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে কেননা মোহরের ক্ষেত্রে এমনও কথিত আছে তোমরা মোহরের বাজার এতটাই ব্যয়বহুল করুণা যে জিনার বাজার প্রসার লাভ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *