দোয়া করার পরও সারা না পাওয়ার মাঝে একটি কারণ

দোয়া করলে তার উত্তর দিতে দেরি হয় কেন কিছু লোক অনেক দোয়া করেন কিন্তু কোন সাড়া পাননি তারা দীর্ঘকাল ধরে যাইতেই থাকেন কিন্তু কোনো ফল পাননি এমন ক্ষেত্রগুলোতে আপনি দেখবেন শয়তান এমন লোকের কানে ফিসফিসানি শুরু করেছে এবং সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তা করার জন্য বিভিন্ন কুমন্ত্রণা ও শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে আসুন এই বিষয়ের উত্তর আজ জেনে নিবো কাল ও প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’আলার জন্য প্রথমত যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এটা ঘটে তার বিশ্বাস করা উচিত।

অনেক দোয়া করেন কিন্তু কোন সাড়া পাননি

যে দোয়া করার পরও সারা না পাওয়ার মাঝে একটি কারণ ও বিশাল প্রজ্ঞা লুকিয়ে আছে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা সার্বভৌমত্বের মালিক এবং কেউই তাকে থামিয়ে দিতে বা ক্ষমতাকে নস্যাৎ করতে পারে না করে কাউকে কিছু দিতে চাইলে বা ন্যায় বিচার করে কাউকে দিতে না চাইলে তার ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে এমন কোনো শক্তি বা সন্তান এই আমরা তার বান্দা আর আমাদের সাথে তাই করেন যা তিনি পছন্দ করেন সূরা আল কাসাস এর 68 নং আয়াতে আল্লাহ বলেন আর তোমাদের প্রভু যা ইচ্ছা ও পছন্দ।

দোয়া করার পরও সারা না পাওয়ার মাঝে একটি কারণ

তাই সৃষ্টি করেন এতে তাদের কোনো পছন্দের অবকাশ নেই কোন যুক্তিতে একজন কর্মচারী মালিক কে তার প্রাপ্য সম্মান না করে নিজের পাওনা পুরোটাই দাবি করতে পারে অবাধ্যতা নয় আনুগত্য ভুলে যাওয়া নয় স্মরণ ও কৃতজ্ঞতা নয় ধন্যবাদ পাওয়াটাই তার অধিকার আপনি যদি নিজের দিকে তাকান আর দেখেন কিভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করছেন তবে নিজেকে খুবই নগণ্য মনে হবে আপনি অপমান বোধ করবেন ভারত লক্ষ্মী করবেন যে তার ক্ষমা ও দয়া ছাড়া কোনো মুক্তি নেই।

তাই সৃষ্টিকর্তা ও বিধায়ক আল্লাহর দাস হিসেবে নিজেকে রাখুন. দ্বিতীয় পয়েন্টে আল্লাহ মহাজ্ঞানী তিনি কারণ ছাড়া কাউকে কিছু দেন বা দেওয়া থেকে ফেরার না আপনি কোন কিছুর দিকে তাকিয়ে সেটা কি খুব ভালো ভাবতে পারেন কিন্তু তার মানে এটা আবশ্যক নয় একজন ডাক্তার এমন কিছু করতে পারেন যা আপনার কাছে যন্ত্রণাদায়ক মনে হবে যদিও তার রোগীর সর্বোচ্চ শাস্তি করা হয়ে থাকে এ বিষয়ে একটি কোরআনের আয়াত বলতে চাই সূরা নাহলের স্বর্ণমায়া আর আল্লাহই সর্বোচ্চ জ্ঞানের অধিকারী এ আয়াত দ্বারা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়।

আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার ৫টি উপায়

আপাতদৃষ্টিতে দোয়াটি কবুল হয়নি ঠিক আছে কিন্তু এর দ্বারা আপনি অধিক কল্যাণ পেয়ে গেলেন যা হয়তো আমি আপনি সাময়িক সময়ের জন্য বুঝতে পারব না তৃতীয় পার্টি হচ্ছে ব্যক্তি যা চায় তার প্রত্যেকটি তাকে দেয়া হলে তারাও সম্পুর্ণ নগ্ন হতে পারে একজন সালাফের বর্ণনা অনুযায়ী তিনি কোন সামরিক অভিযানের যাওয়ার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া কুনুত দেখব কিন্তু. একটি কন্ঠ শুনতে পারব তুমি সামরিক অভিযানে গেলে ভবিষ্যতে আর কোনোদিনও দেখিনি খ্রিস্টান হয়ে যাবে।

ইবনে কাইয়ুম বলেন আল্লাহ তার বিশ্বাসই বান্দাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন তা রহমতস্বরূপ যদিও তা প্রদান বন্ধ করে হতে পারে পরীক্ষা হলেও সেটি কল্যাণকর আর তার নির্ধারিত দুর্গ মঙ্গলজনক যদিও তা পীড়াদায়ক হয় কেউ জানে না তার বিষয় গুলো কিভাবে শেষ হবে সে এমন কিছু চাইতে পারে যা তাকে পরিচালিত করবে উপরের দিকে যাতে তার ক্ষতি হয়ে যাবে তার জন্য কোনটি সবচেয়ে ভালো তা অদৃশ্যের মালিক আল্লাহ ভাল জানেন আর এমন হতে পারে তুমি যা অপছন্দ করছো তা তোমার জন্য মঙ্গলকর সূরা বাকারা আয়াত নং 27016।

এ আয়াতের একটি অর্থ হতে পারে যে আমাদের এমন ভাবা উচিত নয় যে বিধাতার বিধান অনুরোধ অথবা তার কাছে এমন কিছু চাওয়া উচিত নয় যে বিষয়ে আমাদের জ্ঞান নেই এজন্য যে তা আমাদের অজান্তেই আমাদের ক্ষতি করবে তাই আমাদের জন্য. আমাদের প্রভূ যা পছন্দ করেছেন তা ভিন্ন অন্য কিছু আমাদের পছন্দ করা উচিত নয় বরং তার কাছে আমাদের কোন অশুভ পরিণতি কামনা করা উচিত আর এই জন্য যে এছাড়া অধিকতর উপকারী আমাদের জন্য আর কিছুই নেই চতুর্থ পয়েন্টে হচ্ছে বান্দা নিজের জন্য যা পছন্দ করে ।

আল্লাহর কাছে দোয়া করার নিয়ম

তার চেয়ে আল্লাহ তার জন্য যা পছন্দ করেন তাই শ্রেষ্ঠ আল্লাহ তাঁর বান্দাকে অতটাই ভালবাসি জতটা বান্ধান নিজেকেই ভালোবাসতে পারে না যদি তার এমন কিছু হয় যা সে অপছন্দ করে তাহলে সেটা না ঘটার চেয়ে ঘন্টায় কত তাই তার বিধান ও মমতাজ বাংলা চুটি আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করে আর বিশেষ করে যে সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ এবং সবকিছু তার নিয়ন্ত্রণাধীন এবং তার প্রতি নিজ নিজ অপেক্ষা অধিক দায়িত্বশীল তবে শিক্ষাগত গুরুত্ব নেই না পেলেও তার মানসিক প্রশান্তির নষ্ট হবে না।

দোয়া করার পরও সারা না পাওয়ার মাঝে একটি কারণ

বরং সেটি হচ্ছে এমন হতে পারে ব্যক্তি এমন কিছু করছেন যার জন্য তার দোয়া কবুল হচ্ছে না বা. বিলম্ব হচ্ছে হতে পারে তার খাদ্য হারাম হতে পারে তিনি যখন দোয়া করছেন তার মনে ঐকান্তিকতার অভাব ছিল হতে পারে তিনি কোন পাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় দোয়া করেছেন দায়িত্ব আর সারা আপনি দেরি হওয়াটা ব্যক্তির নিজেকে সামলে নিতে প্রভুর সম্মুখে কিভাবে দাঁড়াতে হবে তা শুধরে নিতে তাগিদ দেয় যাতে করে সে নিজের সংশোধিত অনুতপ্ত হয় যদি সুদর্শনা দ্রুত পেত হয়তো সে বেখেয়াল হয়ে যেত যা কিছু করছে তা ঠিক বলে মনে করে তা করে ফেললো।

তিন সময় দোয়া কবুল হয়

তারপর তার ভেতর আত্মতুষ্টির মনোভাব তৈরি হতো যা তাকে মাদকাসক্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন এমন কোন মুসলিম নেই যে আল্লাহর কাছে দোয়া করি আর তার কোন উপায় নেই বা পরিবারের বন্ধন ছিন্ন করে নি অথচ আল্লাহ তাকে দিন পদ্ধতির যেকোনোভাবে পুরস্কার দেবে হয়তো আল্লাহ তোর দোয়া তাৎক্ষনিক সাড়া দেবেন বা তিনি পরকালে প্রতিদান দেয়ার জন্য জমা রাখবেন অথবা এই কারণে তার সমপরিমাণ লাভ মোচন করে দিবেন।

. গুগোল রাদিয়াল্লাহু জানতে চাইলেন আমরা যদি অনেক বেশি দোয়া করি তিনি বললেন আল্লাহ ততোধিক মহান পরিশেষে বলতে চাই দয়াকরে ফললাভ না করার বাড়িতে করার অনেক কারণ রয়েছে এটা আমাদের অবশ্যই মানতে হবে এবং দোয়া করা থামিয়ে দিলে চলবে না কেননা দোয়া সবসময় আমাদের জন্য কল্যাণ এবং মঙ্গল বয়ে নিয়ে আসে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সমস্ত বিষয়ে সর্বজ্ঞ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *