পৃথিবীতে কিছু-কিছু অপরাধ এবং অভ্যেস মানুষকে ধ্বংস করে

প্রত্যেকটি ইমানদার বান্দারা অন্তরে থাকে বাঘ এবং পবিত্র কিন্তু গুনাহ এর দ্বারা আমরা আমাদের অন্তরকে কলুষিত করে কিন্তু আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের বলেছেন নিঃসন্দেহে আল্লাহ ক্ষমাশীল মানুষ যখন তার গুনাহ এরপরেও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের দরবারে তওবাতুন নাসুহা করে আল্লাহ তাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেন কেননা আল্লাহ রহমান রাহিম কিন্তু এ পৃথিবীতে কিছু-কিছু অপরাধ এবং অভ্যেস মানুষকে ধ্বংস করে দেয় ডেকে আনে সীমাহীন গুনাহ অভ্যাসগুলোর প্রার্থী ও অপার্থিব সবক্ষেত্রেই পরিত্যাজ্য।

যে ধরনের অপরাধ থেকে বিরত থাকতে হবে

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবারিস এ ধরনের অপরাধ থেকে বিরত থাকতে সবাইকে সতর্ক করেছেন এক আল্লাহর সংগীত শিরক করা আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত কোরআনের একটি আয়াত বর্ণনা করেন সেটি হচ্ছে সূরা আল আনআম এর 82 নম্বর আয়াতে বলেন যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে শিরকের সঙ্গে মিশ্রিত করে নিয়ে আয়াত অবতীর্ণ হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সাহাবীগণ বললেন আমাদের মধ্যে এমন কি আছে যে শিল্পের সঙ্গে নিজের ঈমানকে সংমিশ্রিত করেনি।

পৃথিবীতে কিছু-কিছু অপরাধ এবং অভ্যেস মানুষকে ধ্বংস করে

তখন আল্লাহ তা’আলার এ আয়াত অবতীর্ণ করেন নিশ্চয়ই শিরক হচ্ছে অধিকতর জুলুম সুতরাং প্রত্যেকটি মানুষকে শিরক থেকে বেচে থাকতে হবে শির্ক অনেক ক্ষেত্রে আল্লাহকে অস্বীকার না করে ও ছোটখাটো শীত হয়ে যায় এবং অনেক মানুষই মনে করেন একটি বিশেষ চাকরি না থাকলে হয়তো তিনি এ পড়ে বাঁচতে পারছেন না অথবা কোন কৃষক মনে মনে ভাবেন তারা গ্রাভিটি না থাকলে হয়তো দুধ বিক্রি না করতে পারলে তিনি হয়তো জীবন ধারণ করতে পারতেন না কেউ কেউ ভাবেন আমার চাকরিটি যদি চলে যায়।

তাহলে তো আমি নাকি মরে যাব এগুলো ছোটখাটো শিল্পের মধ্যে পড়েন আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের উপরে আমাদের তাওয়াক্কুল এতটা শরীর থাকতে হবে যাতে আমরা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আল্লাহর উপরে পরিপূর্ণ নির্ভর করতে পারি. দ্বিতীয় হচ্ছে যাদু-টোনা করা যাদু-টোনা ইসলামি দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ তাই তার শিক্ষা করা বা জাদুঘর দৃঢ় বিশ্বাস করা হারাম হাফেজ ইবনে হাজার রহ দুলালের পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে আমরা তোমাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ সুতরাং তোমরা কুফরী করোনা আয়াত দ্বারা।

মৃত্যুর পর কী ঘটে,জীবনে কিছু কিছু সময় আসে

মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো দুজন ফেরেশতা যারা দুনিয়াতে এসেছিল মানুষের চুদাতে তাদের বাণী অমৃত করা হয়েছে আর এই আয়াতের দ্বারা প্রমাণিত হয় জাদু শিক্ষা করা কুফরি অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা গোটা মানবতাকে হত্যার নামান্তর তাঁজি পদ্ধতিতেই হোক না কেন পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে যে ব্যক্তি কোন প্রাণীর বিনিময় অথবা জমিনের বিশৃঙ্খলা করা ব্যতীত কাউকে হত্যা করল সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করল সূরা মায়েদা আয়াত 23।

সুদের লেনদেন করা ইসলাম ধর্মে একটি জঘন্য হারাম হিসেবে সাব্যস্ত মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে. ভূত সম্পর্কে বাঁধা তাকে সতর্ক করেছেন এর প্রভাবে দুনিয়ায় অশান্তি সৃষ্টি হয় এ কারণেই পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন হে ঈমানদারেরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের যে শুধু বাকী আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা ঈমানদার হও যদি তোমরা তা না করো তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও এতিমের মাল অন্যায় ভাবে ভক্ষণ করা ।

মানুষের শ্রেণিবিন্যাস সময় যখন খারাপ যায় তখন

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে নিশ্চয় যারা ইয়াতিমের ধন-সম্পদ অন্যায় ভাবে ভক্ষণ করে তারা তো তাদের পেটে আগুন খাচ্ছে আর অচিরেই তারা প্রচলিত আগুনে প্রবেশ করবে সূরা নিসা আয়াত 10 রণাঙ্গন থেকে পলায়ন করা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের ভয়ে রণাঙ্গন থেকে পলায়ন একটি জাতি ধ্বংস করে দেয় এ কারণে মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে বলেন হে মুমিনগণ তোমরা কাফির বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যেও না যারা এ ধরনের পরিস্থিতিতে পালন না করে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তাদের সাহায্য করেন।

পৃথিবীতে কিছু-কিছু অপরাধ এবং অভ্যেস মানুষকে ধ্বংস করে

যার উদাহরণ. সতী সতী নারীকে অপবাদ দেওয়া যিনা-ব্যভিচার অত্যন্ত জঘন্য কাজ কিন্তু তার থেকেও জগন্য হচ্ছে কোন পাক-পবিত্র সতী সতী নারীকে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া যদি কেউ কোন মুমিন সতী নারীর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে এবং তা প্রমাণ করতে না পারে তবে ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে অপবাদ দাতা নিজেই আর্শীবাদ আঘাত সাজা দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে যায় তাছাড়া এই ধরনের অপরাধ মানুষ জাতিকে ধ্বংস করে দেয় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উপরোক্ত এই ভয়ংকর অভ্যেস এবং গুনাহগুলো থেকে আমাদের হেফাজত করুন কেননা এসব বেশি মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *