মসজিদুল হারামের শায়খ ইবনে আব্দুল আজিজ

শায়খ ডঃ আব্দুর রহমান আল সুদাইস কিনা আমরা চিনি তাকে পবিত্র কাবা শরীফের প্রধান ইমাম সুমধুর কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত হৃদয় ছুঁয়ে যায় লাখো কোটি মুসলমানের আতঙ্ক শায়খ আব্দুর রহমান আল সুদাইস এখন মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীর প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান সহায়ক এবং তার এই পদোন্নতি উপরেই নিজেই নতুন করে ঘোষণা দিলেন নতুন দুজন খতিবের নাম যারা পবিত্র মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীর জুমার খুতবা দেবেন তারা উভয়ে আগে থেকে মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

মসজিদে নববীতে ডঃ সৈয়দ আহমদ বিন তালেব হামিদ

মসজিদুল হারামের শায়খ ইবনে আব্দুল আজিজ আর মসজিদে নববীতে ডঃ সৈয়দ আহমদ বিন তালেব হামিদ দায়িত্ব নিচ্ছেন এর আগে শনিবার সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ এর নির্দেশে তাদের নতুন ইমাম খতিব নিয়োগ দেয়া হয় বান্দার বালিলা তার সুমধুর সুরে কোরআন তেলাওয়াত এর জন্য বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত রয়েছেন পবিত্র কোরআন মাদ্রাসার কণ্ঠশিল্পী কোরআনের কেরাত চর্চা করা হয় শায়খ ডঃ বান্দার বালিলা পুরো নাম ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল মালিক বানিলা দীর্ঘ এনাম হলেও নাম যেমন দীর্ঘ তেমনি তার সুমধুর কন্ঠে কোরআন শোনাও চমৎকার জন্ম 25 জমাদিউল আউয়াল 95 হিজরী।

মসজিদুল হারামের শায়খ ইবনে আব্দুল আজিজ

পবিত্র মক্কা মুকাররমা সম্ভ্রান্ত ও অভিজাত পরিবারে তার জন্ম প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন ছোটবেলায় পবিত্র কুরআন হেফয করেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা শেষে 1417 হিজরীতে মক্কার বিখ্যাত উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হন 1417 হিজরীতে ইসলামিক শরীয়ত ও গবেষণা অনুষদে শরীয়তের জ্ঞান অভিজ্ঞতা অর্জন করেন বিনয়-নম্রতা এবাদত এর মৌলিক তথ্য. নতুন খতিব সর্বপ্রথম মিম্বরে উঠে ঘোষণা করলেন মহান আল্লাহর প্রশংসা আদায়ের পর তিনি বলেন সঠিকভাবে আল্লাহকে ভয় করুন গোপনে ও প্রকাশ্যে তাকে ভয় করুন প্রার্থী জীবন যেন আমাদের ধোকায় ফেলে নাদেক কারণ পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার স্থান রয়েছে।

যাওয়ার জায়গা নয় এখানে আমলদার ও নিষ্ঠাবান কর্মযোগের কদর রয়েছে অলসতা ও আক্রমণের স্থান এখানে পৃথিবীতে ব্যবসা কেন্দ্রের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন আনুগত্য হলো এই ব্যবসা কেন্দ্রের বুঝি আর তার নাম হলো কেয়ামতের দিন সর্বাঙ্গীনভাবে সাফল্য লাভ করা সুবহানাল্লাহ কত সুন্দর কথা বলেছেন শায়খ ডঃ বান্দারবান ইহা সর্বপ্রথম কাবা শরীফের সামনে স্থাপিত উঠে যখন তিনি কথাগুলো বলছিলেন লাখো মুসলমানের চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল কারণ তার কথায় অনেকে মন্ত্র মুগ্ধ হয়েছিলেন।

কাবা শরীফের বর্তমান ছবি

তিনি বলেন অকাট্য অর্থহীন একটি সত্যের কথা বলি জেটিতে সন্দেহ মতানৈক্যের কোনো সুযোগ নেই আর সেটি হল পৃথিবীর সমগ্র. সৃষ্টি মানব দানব মহান আল্লাহর প্রতি চূড়ান্ত পর্যায়ের মুখ দেখে চোখের পলকের জন্য তার থেকে অমুখাপেক্ষী হতে পারে না আল্লাহ ছাড়া তাদের বিকল্প নেই তিনি ছাড়াও তাদের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই তিনি মহা পরাক্রমশালী ও চিরঞ্জিত একমাত্র আল্লাহর সৃষ্টির কল্যাণ অনুযায়ী সৃষ্টিকে পরিচালিত করেন অতএব তাকে ছাড়া সৃষ্টির কল্যাণ নিরন্তর অসম্ভব।

তবে তার প্রতি মুখাপেক্ষী তার বিভিন্ন ধরন ও পরিবেশের বিভিন্ন রকম রয়েছে কারণ এখানে একটি মুখাপেক্ষিতা আছে যেটি সবচেয়ে দামি সবচেয়ে মূল্যবান সবচেয়ে সম্মানী ও সবচেয়ে উচ্চাঙ্গ ভার্সিটি বিশ্বের তাবৎ বিলাসিতা আনন্দ-উচ্ছ্বাস থেকে বহু গুণে সমৃদ্ধ ও সম্মানী আর সেটি হল আল্লাহর প্রতি তেমন মুখাপেক্ষিতা যে তিনি যেন গুনাহগুলো কে ক্ষমা করে দেন দোষ ত্রুটি গোপন রাখেন হৃদয় পরিশুদ্ধ করে নেন তওবা কবুল করে নেন. এবং করুন আর সব দ্বার খুলে দেয়।

মসজিদুল হারামের শায়খ ইবনে আব্দুল আজিজ

তিনি আরো বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ছিলেন আল্লাহর প্রতি সবচেয়ে ধাবিত ঐকান্তিক ব্যক্তি তিনি আল্লাহ তাআলাকে সর্বাধিক ভয় করতেন আল্লাহর শাস্তির ব্যাপারে ভীষণ চিন্তিত থাকবেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেন আল্লাহর কসম আমি দিনে 100 বার আরো বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি অথবা করি সুবহানাল্লাহ মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা মহানবী সাল্লাল্লাহু ইসলামের কথা বর্ণনা করে বলেন।

আব্দুর রহমান আল হুজাইফি

একদিন রাতে আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে খুজছিলাম পরে ধারণা করলাম উনি হয়তো অন্যকোন স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন এরপর ফিরে এসে দেখলাম তিনি সিজদারত অবস্থায় রয়েছেন আর বলছেন সুবহানাকা বিহামদিকা লা ইলাহা ইল্লা আনতা এরপর আমি বললাম আপনার উপর আমার মা-বাবা উৎসর্গ হোক আমি ভেবেছি একরকম অথচ আপনি আছেন অন্য. দ্বিতীয় খুতবা শাইখ ডক্টর মালিহা বলেন আল্লাহর প্রতি তওবা ইস্তেগফার এর নবী-রাসূলদের অবস্থা দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

কেননা তখন প্রথম দ্বিতীয় ও শেষ মন্ত্রীর আল্লাহর প্রতি অনুগামী বান্দা এটা কখনোই ছেড়ে দিতে পারেনা মৃত্যু পর্যন্ত তওবার মগ্ন থাকতে হবে অতএব দেওয়া হল বান্দার শুরু এবং শেষ হবার প্রয়োজনীয়তা অনিঃশেষ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে তওবা করার তৌফিক দান করুক সর্বখন সর্ব অবস্থায় কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন আল্লাহ ফাতাহ উন্মুক্ত ভর্তি ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত আছি শুধু তারা ব্যতীত যারা তওবার সাথে আছি আল্লাহ আমাদের সহি বুঝ দান করুক আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *