মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যখন হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনায়

আদর করতে সে নিজেই ধরা খেলো সুবহানাল্লাহ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যখন হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনায় যাচ্ছিলেন তখনকার ঘটনা কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সঙ্গী আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে ধরে এনে দেওয়ার জন্য বিরাট অংকের পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল।  ওই পুরষ্কারের লোভে নবীজির খোঁজে বেরিয়ে পড়েছিল সুরক্ষা ইবনে মালেক ও তাদের মধ্যে একজন অন্যদের মতো সেও নবীজির অনুসন্ধানে বেরিয়ে পড়ল পুরষ্কারের লোভে একই স্থানে গিয়ে নবীজির সন্ধান পেয়ে ও কেন সুরাকা নবীজি ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু কে ধরার জন্য উল্কা বেগে ঘোড়া ছুটিয়ে জমির সে তাদের নিকটবর্তী হচ্ছে।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যখন হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনায়

সে একেবারেই কাছাকাছি পৌঁছে গেলে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কিছুটা সন্ত্রস্ত হয়ে বললেন।  হে আল্লাহর রাসূল আমরা তো ধরা পড়েই গেছি। নবীজী বললেন হে আবু বক্কর পেরেশান হলো না নিঃসন্দেহে আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন সূরা তওবা আয়াত 40। এরপর নবীজী সাঃ সুরক্ষার জন্য বদ দোয়া করলেন বদদোয়ার ফলে সুরকারের ঘোড়ার পা হঠাৎ জমিনের মধ্যে ঢুকে যেতে থাকল এবং আস্তে আস্তে এতটা জমিনে তলিয়ে গেল। যে ঘোড়ার প্যাড বালির সাথে লেগে গেল অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সে অনেক চেষ্টা করল হাত-পা ছোড়াছুড়ি করল কিন্তু কোনো লাভ হলো না।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যখন হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনায়

অবশেষে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর কাছে ফরিয়াদ করে বললো। আমি জানি আপনি আমার জন্য বদদোয়া করেছেন। দয়া করে আপনি আপনার প্রভুর কাছে দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। যদি আমি এই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে যাই তাহলে আমি ওয়াদা দিচ্ছি আপনাকে কথা দিচ্ছি এরপর থেকে আপনার দিকে ধাবমান যাবতীয় বিপদ-আপদ  আপনার  বিরুদ্ধে আমি অপ্রতিরোধ্য পাহাড়ের মত দাড়াবো।  আমি কাউকে আপনার পর্যন্ত নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম সুরক্ষার জন্য দোয়া করবেন।

মহানবী সাঃ এর জীবনী রচনা ৫০০ শব্দ

আল্লাহ তা’আলা তাঁকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করলে বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে মক্কার দিকে ফিরে চলো।  প্রতি মধ্যে যার সঙ্গেই তার সাক্ষাৎ হতে থাকে বলতো এ দিকে যেও না এদিকে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।  আমি বহুদূর পর্যন্ত গিয়ে এসেছি সেখানে তোমরা কাউকে পাবে না সূরা ক্বাফ।  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসন্ধানকারী সবাইকে কথা বলেছিল যে মুহাম্মদকে এদিকে তালাশ করে লাভ নেই অন্য কোথাও যাও এবং সেদিকে তালাশ করো। সহি বুখারি হাদিস নম্বর .৩৬২১।  সুবহানাল্লাহ এভাবে আল্লাহ তালা তাঁর রসূলকে কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট সংকল্প থেকে রক্ষা করলেন।

কেননা নবীজিকে রক্ষণাবেক্ষণ ও হেফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা নিজেই গ্রহণ করেছেন এবং এ ব্যাপারে তিনি ওয়াদা করেছেন।  আল্লাহ তা’আলা তার ওয়াদা বাস্তবায়নে সত্যবাদী।  তিনি ইরশাদ করেছেন আল্লাহ তোমাকে মানুষের কল্যাণ থেকে রক্ষা করবেন. আয়াত .৬৭ । সুরক্ষা পরবর্তীকালে কোন এক সময় আবু জাহিরকে লক্ষ করে এই কবিতাগুলো আবৃত্ত করেছিল।  যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় আবুল হাক্কানি যুগে আবু জাহিরের উপনাম ছিল আবুল হাসান আল্লাহর কসম করে বলছি তুমি যদি ওই সভায় উপস্থিত থাকতে।

হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর মাতার নাম কি

যখন আমার ঘোড়ার পা জমিনে ধরছে গিয়েছিল তাহলে তুমি বিশ্বের সাগরে ডুবে যেতে।  তুমি যদি এই বাস্তবতায় কখনো সন্দেহ না করতে যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিঃসন্দেহে আল্লাহর সত্য নবী এবং তার প্রমাণও আছে তাহলে কার এমন দুঃসাহস আছে যে তার মোকাবেলায় সামনে দাঁড়াবে।  তোমার জন্য করণীয় তুমি মানুষকে তার পথে কাঁটা বেচতে বাধা দেবে কেন না আমি দেখতে পাচ্ছি এমন একদিন অবশ্যই আসবে যেদিন সারা পৃথিবীর প্রতিটি কোনায় মোহাম্মদের পতাকা উড়বে।  তোর সহজ্য অভিযোগে দুনিয়ার কোন শক্তি বাধা দিতে পারবে না ইনশাআল্লাহ যদি জগতের সব মানুষ একজোট হয়ে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যখন হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনায়

তাহলে কোথায় মধুতেই সদলবলে তার সাহায্যার্থে চলে আসবেন।  সুরাকা ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু অষ্টম হিজরীতে মক্কা বিজয়ের সময় মুসলমান হতে গিয়ে বলেছিলেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলা যায়। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে তিনি ধরা খেয়ে গেলেন আর এই ধরা কল্যাণের ধরা আর কি ধরা খেয়ে একটা কপাল পোড়া মানুষ হয়ে গেল জান্নাতের বাসিন্দা সুবহানাল্লাহ। সুপ্রিয়  দর্শকবৃন্দ গল্পটি ভাল লাগলে অবশ্যই অবশ্যই একটি লাইক করবেন এবং এমন সুন্দর সুন্দর ইসলামের ঘটনা সম্বলিত রিপোর্ট দেখতে অবশ্যই  আমাদের সাইড ভিজিট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *