মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন আযান দিতেন না

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন আযান দিতেন না বাচবো তোর নামাজের আগে আযান এর মাধ্যমে মানুষকে নামাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এটির সাক্ষ্য দেয়া হয় আল্লাহর একত্ববাদ ও রাসুল পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের আযান-কে ইসলামের অন্যতম নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয় ইসলামের সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও করণীয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে বাস্তবায়ন করে সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু কে সেখানেও তিনি কখনও আজান দিয়েছেন বলে প্রমাণিত নয়।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো আযান দেন নি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কেন আযান দেন নি সে বিষয়ে কোরআন ও হাদিসে স্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা নেই তবে ইসলামিক বিশেষজ্ঞরা এর দিয়েছেন নানানভাবে আবার তাদের অনেকেই এমন প্রশ্ন কে বাহুল্য অবহিত করে তার উত্তর দেওয়া থেকে বিরত রয়েছেন যারা এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে আল্লাহর রাসূল কেন কখনই জীবদ্দশায় আযান দেন নি তাদের কয়েকজনের মতামত আজ আপনাদের জন্য তুলে ধরছি বেশিরভাগ আলেম রাসুল পাক সাঃ এর আজান না দেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছেন।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন আযান দিতেন না

আজানে মানুষকে নামাজ ও কল্যাণের পথে আহবান জানানো হয় আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আহ্বান আদেশ তুলল অবশ্যপালনীয় সুতরাং তিনি আজান দিলে সব শ্রোতার উপর কল্যাণ তথা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশনা সাধারণভাবে মান্য করা ওয়াজিব হয়ে যেত এতে আহ্বান উপেক্ষা করার জন্য অপরাধী হয়ে যেত প্রত্যেকটি উম্মত আর হাদিসে এসেছে তোমাদের সবাই জান্নাতে প্রবেশ করবে কিন্তু যারা অস্বীকার. কোন তারা ব্যতীত সাহাবায়ে কেরাম বললেন।

ফজরের আজান বাংলা উচ্চারণ

ইয়া রাসূলাল্লাহ অস্বীকারকারীকে তিনি বললেন যে আমার আনুগত্য করল সে জান্নাতে প্রবেশ করল আরজি আমার অবাধ্যতা করল সে অস্বীকার করল আবার কিছু কিছু ইসলামী বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে আযান এর মধ্যে একটি শব্দ হচ্ছে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ যার অর্থ হচ্ছে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল এছাড়াও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি আযান দেন তাহলে তা উম্মতের উপর ফরজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল কোন কোন মহাদেশ বলেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ইমাম হলেন দায়িত্ব গ্রহন কারী আহমদ বিন হলেন সংরক্ষক মুসনাদে আহমাদের একটি হাদিস দ্বারা বুঝা যায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন এর দায়িত্ব ভিন্ন ভিন্ন গৃহীত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইমামতি করতেন তাই তিনি আযান দিতেন না তাছাড়া. ইমামতির দায়িত্বে মুসলিম উম্মাহর অভিভাবক হিসেবে তার জন্য নির্ধারিত ছিল একই কারণে হযরত হুসাইন ইসলামের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মনীষীও রাষ্ট্রনেতারা আযান দেন নি কিন্তু তারা ইমামতি করেছেন।

আযান দেওয়ার নিয়ম,আযান লিরিক্স

তবে তারা আজান না দেওয়ায় মোয়াজ্জিনের মর্যাদা ও অবস্থানের ব্যাপারে ভুল ধারণার শিকার হওয়ার সুযোগ নেই কেননা সহি হাদিস দ্বারা মোয়াজ্জিনের সম্মান ও মর্যাদা প্রমাণিত রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কেয়ামতের দিন মোয়াজ্জিনের ঘর হবে সবচেয়ে উঁচু হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন দিনের গুনাহ পর্যন্ত মাফ করে দেয়া হয় যে পর্যন্ত তার আযানের আওয়াজ পৌঁছে অর্থাৎ যদি এতো দূর পর্যন্ত জায়গা তার গুনাহ দ্বারা পূর্ণ হয়।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন আযান দিতেন না

তবু তার সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে প্রত্যেক প্রাণীই ও নিষ্প্রাণ যারা মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাবে সবাই তার জন্য সাক্ষ্য দেবে মোয়াজ্জিনের আজান শুনে যারা নামাজ পড়তে আসে তাদের 625. বৃদ্ধি করে দেয়া হয় এক নাম আজ থেকে গত নামাজের মধ্যবর্তী সময়ের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় আবু দাউদ শরীফ 515 নম্বর হাদিস এছাড়া হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে স্থান পর্যন্ত চিনে রাজস্থান পর্যন্ত তার মাগফেরাত করে দেয়া হয়।

নবীজি সর্বপ্রথম কোন নামাজের ইমামতি করেন

প্রত্যেক প্রাণীই এবং নিষ্প্রাণ বস্তু ছাড়াই তারা আওয়াজ শুনে সবাই তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করে মুসনাদে আহমাদ তাবরানী হযরত ইবনে আযেব রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর ফেরেশতারা প্রথম কাতারে নামাজ আদায় কারীদের উপর রহমত নাযিল করেন আযানের ধ্বনি যত বেশি হয় সে অনুযায়ী তার গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় যেসব প্রাণী এবং নিষ্প্রাণ বস্তু তার আওয়াজ শুনতে পায় সবাই তার সত্যতার সাক্ষ্য দেয়।

মোয়াজ্জিনের আজান শুনে যারা নামাজ পড়তে আসে সে সব নামাজের সময়. সওয়াব লাভ করেন যারা তার সঙ্গে জামায়াতে নামাজ আদায় করে নেয় শরীফ 254 নম্বর হাদীস হযরত মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কেয়ামতের দিন মসিন্টায়ার সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ঘর বিশিষ্ট হবেন সুবহানাল্লাহ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এরশাদ করেছেন।

যে ব্যক্তি 12 বছর আযান দিয়েছে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে তার জন্য প্রত্যেক আযানের বিনিময় চাটনি কি লেখা হয় এবং প্রত্যেক একামতের বিনিময় তৃষ্ণা কি লেখা হয় সুপ্রিয় আলোর পথের যাত্রী বিন্দু কখনো সুযোগ হলে আপনারা কারা কারা আযান দিতে প্রস্তুত রয়েছেন আমাদের অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন.।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *