মার্ভেলকে ঘিরে আবর্তিত অরিজিন মুভি

ক্যাপ্টেন মারভেল ছিল ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে ঘিরে আবর্তিত অরিজিন মুভি।সুপারহিরো অরজিন মুভি হিসেবে যে খুব বেশি ভালো হয়েছে তেমনটাও না আবার একেবারে খারাপ লেগেছে সেটাও না।তবে মার্ভেলের বিশাল কাহিণীর ভিতরে ছোট ছোট গ্যাপ পূরণ করেছে এই মুভি।যেমন: নিক ফিউরি কিভাবে চোখ হারিয়েছিল,এভেঞ্জার বানানোর আইডিয়া সে কোথায় পেয়েছিল ইত্যাদি।এটি ছিল MCU এর ২১ তম মুভি।এই মুভি অনেকটা ফেমিনিজমকে সমর্থন করে। প্রযুক্তির চরম শিখরে থাকা ক্রী প্রজাতির মাতৃগ্রহের নাম হালা।এই মুভি।

যেমন: নিক ফিউরি কিভাবে চোখ হারিয়েছিল

সামরিক ক্রী জাতির স্টারফোর্স সদস্য হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ভার্স নামে এক তরুণী।সে কিছুদিন যাবৎ একটা দুঃস্বপ্ন দেখে আসছে।কোন এক অজ্ঞাত মহিলা বারবার তার স্বপ্নে হাজির হয়।ভার্স সেটার উত্তর কোনভাবে খুঁজে পাচ্ছে না। ক্রী দের শাসক সুপ্রিম ইন্টেলিজেন্স ভার্সকে তার এসব আবেগ চেপে রাখতে সতর্ক করে।কমান্ডার ইয়োন রগের কাছে সময়ে-অসময়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ভার্স। ক্রী দের শত্রুতা ছিল স্ক্রাল প্রজাতিদের সাথে যারা কিনা নিজেদের চেহারা পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।সবই ঠিকঠাক ছিল।কিন্তু স্ক্রালদের বিরুদ্ধে এক মিশনে সবটা উল্টে যায়।ভার্স নিজেকে পৃথিবী নামক এক গ্রহে আবিষ্কার করে।

thj6rhe

মোটরসাইকেল ইনসুরেন্স কি ও ইনসুরেন্স করার নিয়ম

সময়টা ১৯৯৫ সালের।কিন্তু সে জানতোই না যে আজ থেকে ৬ বছর আগে সে ক্যারল ডানভার্স নামে এক সাহসী পাইলট হিসেবে এই গ্রহে বাস করতো।আর স্বপ্নের সেই মহিলা ছিল ভার্স এর সহকর্মী।সে এটাও জানতো না যে খুব শীঘ্রই সে পরিণত হতে চলেছে মহাবিশ্বের ক্ষমতাশীল সুপারহিরোদের একজন। মুভির কাহিণী ছিল ফ্লাট টাইপের।খুব বেশি টুইস্ট অনুভব করা যায়নি।আর মুভির ট্রেইলার যখন বের হয় তখন ব্রি লার্সন কে নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে।কিন্তু তার অভিনয় স্কিল অনেক ভালো ছিল।সবার চেয়ে বেস্ট ছিল স্যামুয়েল এল জ্যাকসন।

এই মুভিতে চুলওয়ালা নিক ফিউরিকে দেখতে পাওয়া যায়।⭕এটা যেন কোন মুভি না একটা ভালোবাসা।কতটা পরিশ্রম আর পরিকল্পনা করে নির্মাণ করা হয়েছে এই রোমান্টি-কমেডি মাস্টারপিস মুভিটি সেটা যারা দেখেননি তারা বুঝতে পারবেন না।মুভিতে সংলাপ না বলে শুধুমাত্র মুকাভিনয় করে মানুষকে যে এন্টারটেইন করা যায় তা শুধুমাত্র চার্লি চ্যাপলিন বলেই সম্ভব। রাস্তায় এক সুন্দরী অন্ধ মেয়ে ফুল বিক্রি করছে।চার্লি সেখান থেকে ফুল কিনতে গিয়ে মেয়েটির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে তার সরলতা,অমায়িক ব্যবহার আর সৌন্দর্য্য দেখে। এদিকে চার্লি এক বড়লোককে মাতাল অবস্থায় আত্মহত্যা করা থেকে বাঁচায়।

যেন কোন মুভি না একটা ভালোবাস

তারপর দুজনে বন্ধু হয়ে যায়।লোকটি যখন মাতাল থাকে তখন চার্লিকে জানের দোস্ত ভাবে আর সুস্থ অবস্থায় চার্লিকে চিনতে পারেনা।এসব নিয়ে দারুণ দারুণ সব কাহিণী হয়। চার্লি মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে সহয়তা করে।মেয়েটি চার্লির ভদ্রতা দেখে প্রেমে পড়ে যায়।একসময় চার্লির আনা টাকা দিয়ে মেয়েটির অন্ধত্ব দূর হয়।তখন চার্লি জেলখানায় বন্দি।হঠাৎ একদিন চার্লি ফিরে এলে চার্লি চিনলেও মেয়েটি তাকে চিনতে পারেনা।তাহলে কিভাবে মেয়েটি বুঝতে পারবে যাকে সে মনে মনে খুঁজছে সে কোন ধনী লোক নয় একজন নিছক সাধারণ মানুষ? এই মুভির গল্প লেখক,প্রডিউসার,ডিরেক্টর চার্লি চ্যাপলিন নিজেই।

তাছাড়া এই মুভির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্লট নিয়ে অনেক মুভি তৈরি করা হয়েছে যা আপনারা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন।এই মুভির কমেডি সিনগুলো সেরা ছিল।একটু বিরক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।আর এন্ডিংটা আপনার ভালো লাগতে বাধ্য।⭕বিজ্ঞানের ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজতর করে তুলেছে।কিন্তু বিজ্ঞানের অপব্যবহার আপনার জীবনের জন্য ভয়াবহতাস্বরূপ।আপনি যতই উন্নত প্রযুক্তি বানান না কেন আপনাকে একটা অথোরিটির কাছে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে এবং সেটা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত না হোক কারও যেন কোন ক্ষতি করতে না পারে।

Ironman (2008) এর শেষ অংশে দেখানো হয় টনি স্টার্ক সবাইকে তার পরিচয় বলে দেয়।এটা শুনে উপস্থিত জনতার ভিতরে উৎসাহ বা উন্মাদনা শুরু হয়।পার্ট টু তে শুরুটা হয় এভাবে যে,সবাই Ironman সম্পর্কে জেনে গেছে এবং তাকে নিয়ে সেলিব্রেশন করছে।কিন্তু ইউএস সরকার টনি স্টার্কের এত উন্নত উদ্ভাবন নিয়ে শঙ্কিত।এই প্রযুক্তির অপপ্রয়োগ জনজীবনে হুমকিস্বরূপ।তাই তারা টনি স্টার্ককে তাদের হয়ে কাজ করতে বলে নয়তো টনির উদ্ভাবিত প্রযুক্তি তাদের হস্তান্তর করতে বলে।টনি স্টার্ক তাদের প্রস্তাব নাকোচ করে দেয়। তারপর মোনাকো শহরে এক কার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় টনি স্টার্ক।

 জনতার ভিতরে উৎসাহ বা উন্মাদনা শুরু হয়

সেখানে দেখা হয় Ivan Vanko এর সাথে যে এই মুভির ভিলেন।তারপর শুরু হয় মুভির আসল কাহিণী। Ironman এর সিকুয়্যাল হিসেবে বেশ আশা নিয়ে দেখতে বসেছিলাম কিন্তু হতাশ হয়েছি।মুভির ভিলেনকেও তেমন ভালো লাগেনি।তবে স্টার্কের লুক পার্ট ওয়ানের চেয়ে এখানে ভালো ছিল।মুভির মাঝখানে এসে ঘুম চলে এসেছিল আমার এবং এটি আমি তিন বারে দেখে শেষ করেছিলাম।কারণ মুভিটি তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারছিলোনা।একবার ভেবেছিলাম বাদ দিবো কিন্তু কাহিণী জানার জন্য শুধুমাত্র দেখা।এর পরের পার্ট এটার চেয়ে অবশ্য ভালো ছিল।সবচেয়ে ভাল লেগেছে পার্ট ওয়ান।

বলিউডে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ধরতে গেলে খুব কমই নির্মিত হয়েছে।আর এই মুভিটি অন্ডাররেটেড।অনেক ডাইহার্ড বলিউড ফ্যান আছে যারা এই মুভির নামই জানেনা হয়তো।অথচ এই মুভি সময়ের চেয়ে আগানো ছিল তাই এতটা গুরুত্ব পায়নি দর্শকদের থেকে।তখনকার সময়ে দর্শকরা কেন সেন্সর বোর্ডও এই মুভির আসল কনসেপ্ট ধরতে পারেনি।ডিরেক্টর অনুরাগ ক্যাশপ রীতিমত ঘোল খাইয়েছিল তাদের। K নামের এক ব্যক্তি হচ্ছে চেইন স্মোকার।সিগারেট ছাড়া এক বিন্দু চলতে পারেনা।বাথরুম থেকে শুরু করে ডাইনিং টেবিল সব জায়গায় সিগারেট।যেটা তার বউ একদমই পছন্দ করেনা।তাই একদিন K এর বন্ধুর থেকে একটা কার্ড পায় K এর স্ত্রী।সেখানে গেলে মানুষ জন্মের মত ধূমপান ছেড়ে দেয়।বউয়ের জেদের জন্য K গিয়ে সে জায়গায় হাজির হয়।তারপর শুরু হয় আসল খেলা।

এর পিছনে রয়েছিল ডিরেক্টরের মুভি

এই মুভিকে অনেকে এন্টি স্মোকিং বা ধূমপান সচেতনতামূলক মুভি মনে করে।কিন্তু এর পিছনে রয়েছিল ডিরেক্টরের মুভি নির্মাণে স্বাধীনতার কাহিণী বা নিজের কাহিণী। একজন মানুষের থেকে তার ফ্রিডম কেড়ে নিলে তার আত্মার কতটা দহন হয় সেটায় বুঝাতে চেয়েছে।সেটা হোক স্মোকিং কিংবা মুভি নির্মাণ অথবা অন্য কোন কিছু।এছাড়াও এই মুভির আরও ডিপ মিনিং আছে।⭕এই মুভিকে আমি জঘন্য মাস্টারপিস বলে সম্বোধন করি।মুভিটি অনেকগুলো ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত।মুভিটি শুরু থেকে স্লো মনে হতে পারে।কিন্তু শেষেরদিকে এসে আমি অনুভূতিশূন্য হয়ে পড়ি;এ কেমন ধরনের রিভেঞ্জ?ছবিতে দেখানো ভায়োলেট কালারের বাক্সটাই আসল টুইস্ট। দাই সু নামের এক ব্যক্তিকে তার মেয়ের জন্মদিনের দিন অপহরণ করা হয়।

gergerf  

তারপর একটা রুমের ভিতরে তাকে ১৫ বছর কয়েদীর মত আটকে রাখে।দাই সু কিছুতেই বুঝতে পারছিলো না ঠিক কি কারণে তার সাথে এমনটা করা হচ্ছে।সেজন্য সে তার জীবনের সমগ্র কার্যকলাপ একটা ডায়েরীতে নোট করে রাখে।সেখানে সে নিজের তেমন কোন বড় অপরাধ খুঁজে পায়না।১৫ বছর পর মুক্তি পেয়ে দাই সু নামের লোকটি তার অপহরণকারীকে খুঁজতে থাকে।কিন্তু সে নিজেও বুঝতে পারেনি পুরোটাই ছিল একটা ফাঁদ।সবই হিপনোসিজমের খেলা। মুভিতে কিছু অতীত কাহিণী উঠে আসে।আর শেষের টুইস্ট দেখে আপনি নিজেই হয়তো রাগে-ক্ষোভে ফেটে পড়বেন।কোরিয়ান মুভি লাভার অথচ আলোচিত Old Boy দেখবেন না,এটা কি হতে পারে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *