মুনাফিকের ৪ টি লক্ষণ থাকে কি কি জেনে নিন

গত দু’দিন আগেও ঘনিষ্ঠ একজন তুচ্ছ বিষয় কে কেন্দ্র করে তার অধিনস্ত কর্মচারীঃ কে গালি দিলেন অতঃপর আমি তার প্রতিবাদ করলে তিনি বললেন গালি না দিলে তো তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না তার ভাষায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য গালি হচ্ছে তার অন্যতম হাতিয়ার অথচ রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে একেবারে খাঁটি মুনাফিকের একটা হল বিবাদে লিপ্ত হয়ে অশ্লীলভাবে গালাগালি দেয়া বুখারী হাদিস নম্বর ৩৪।

মুনাফিকের ৪ টি লক্ষণ থাকে

এছাড়াও আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন দুই ব্যক্তি যখন গালিগালাজে লিপ্ত হয় তখন তাদের উভয়ের গুনা তার উপরই বর্তাবে যে প্রথম শুরু করেছে যতক্ষণ না মজলুম সীমা লংঘন করে ততক্ষণ প্রথম ব্যক্তির উপরে গালিগালাজ এর যাবতীয় অভিশাপ বর্ষণ হতে থাকে যে জায়গায় গালি দেওয়া হয় সেখানে শয়তান উপস্থিত হয়ে যায় কেউ গালি দিলে ধৈর্য ধারণ করা এবং তা কি গালি দিতে নিষেধ করা অত্যাবশ্যক।

মুনাফিকের ৪ টি লক্ষণ থাকে কি কি জেনে নিন

ইউ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন মুসলমানদেরকে গালমন্দ করা শিখি আর তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করা কুফরি বুখারি হাদিস নম্বর 48 সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাহাবীদের কে নিয়ে বসে ছিলেন এসময় এক লোক হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে গালি দিলো এবং কষ্ট দিলো কিন্তু আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে রইলাম অতঃপর পুনরায় সেই ব্যক্তি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে গালি দিলো।

মুনাফিকের লক্ষণ কি কি

এবং কষ্ট দিলো কিন্তু তিনি এবারও. ধারণ করলেন কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে রইলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর চুপ করা দেখে সে ব্যক্তি তৃতীয়বার আবারো আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে গালি দিলেন এবার তিনি তার প্রতিশোধ নিলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু যখন প্রতিশোধ নিলে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়াল রাদিয়াল্লাহু বললেন আপনি হচ্ছেন কেন আপনি কী আমার উপর রাগ করেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেন আসমান হতে একজন ফেরেশতা নাম ছিলেন এবং তোমার পক্ষ হয়ে জবাব দিচ্ছিলেন।

কিন্তু যখনই তুমি তৃতীয়বারে সহ্য করতে না পেরে প্রতিশোধ নিলে তখন শয়তান এসে উপস্থিত হয়েছে আর শয়তান সেখানে উপস্থিত হয় সেখানে তো আমি আর বসতে পারি না আল্লাহর এ হাদীসটি আবু দাউদ শরীফের হাদিস নং ৪৮৯৩  কোন একজন নবীকে গালি দেয়া কুফুরি মমতাদি কাফের গোষ্ঠী আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কে গালি দেয় দোষারোপ করে এবং বিভিন্ন প্রচারণা চালায় সেগুলো. কোনো মুসলিম যদি রেগে যায় কিন্তু এ প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খ্রীষ্টানদেরকে রাগানোর জন্য আমরা যদি তাদের নবীকে গালি দেই।

মুনাফিকের লক্ষণ কয়টি ও কি কি

অর্থাৎ আমাদেরই একজন নবী হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ অনুসরণ করছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায় আর আমরা তাকেই না জেনে তার সম্পর্কে অমার্জিত কিছু শব্দ উচ্চারণ করে ফেলি অথচ আমরা নিজেরাও জানিনা যে আমরা যার বিরুদ্ধে কথা বলছি তিনি আমাদের আরেকজন নবী মুসলিম আকিদা শুধু সকল নবীদের প্রতি ঈমান আনার খরচ করে না বরং তাদের সকলকে সম্মান করা মর্যাদা দেয়া তাদের মর্যাদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ সম্মান দেওয়া কি ফরজ করে যেহেতু তারা হচ্ছেন শ্রেষ্ঠ মানব আল্লাহর নির্বাচিত হচ্ছেন হেদায়েতের আলোকবর্তিকা অন্ধকার পৃথিবীকে আলোকিত করেছে।

হৃদয় গুলোর পাশবিকতার দূর করে কোমলতা এনেছে তাদেরকে ছাড়া শান্তি ও সফলতার কোন পথ নেই তাইতো সকল আলেম-ওলামা তথা ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে নবীদেরকে গালি দেয়া নেয়া প্রতীক. করা হারাম যে ব্যক্তি কর্তৃক এমনকিছু সংঘটিত হবে সে মুরতাদ হয়ে যাবে যেমনি ভাবে কেউ আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিলে মুরতাদ হয়ে যায় কোন মুসলিম আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবী রাসূলদের মাঝে কোন পার্থক্য করে না ঠিক আল্লাহ তাআলা যেভাবে উল্লেখ করেছেন বলুন আমরা আল্লাহকে ও আমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে।

মুনাফিকের কাকে বলে

এবং ইব্রাহীম ইসমাঈল ইসহাক ইয়াকুব ও তার বংশধরগণের প্রতি জানাচিল হয়েছিল এবং মূসা ও অন্যান্য নবীগণকে তাদের রবের পক্ষ থেকে প্রধান করা হয়েছিল তাদের ঈমান এনেছি আমরা তাদের কারও মধ্যে কোন তারতম্য করিনা আর আমরা তাঁর কাছে আত্মসমর্পণকারী সূরা আলে ইমরান আয়াত নম্বর 84 আল্লাহ তাআলা আমাদের নবীকে সম্মান করার নির্দেশ দিয়েছেন একই বিধান নবীগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আল্লাহ তায়ালা বলেন আমরা আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষীরূপে সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন।

মুনাফিকের ৪ টি লক্ষণ থাকে কি কি জেনে নিন

এবং তার. যোগাযোগ ও তাকে সম্মান করুন আর সকাল সন্ধ্যায় তার তাসবি পর যে ব্যক্তি কোন নবীকে হেয় প্রতিপন্ন করবে তার কাফের হওয়া প্রসঙ্গে আমরা এখানে আলেমগনের কিছু উক্তি উল্লেখ করব ইবনে নুজাইম আল-হানাফী রহমতউল্লাহ বলেন কেউ কোন নবীর উপর কোনো দোষারোপ করলে সে কাফের হয়ে যাবে ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন নবীদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে ব্যক্তি কোন একজন নবীকে গালি দিবে ইমামদের সর্বসম্মতিক্রমে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা হবে যেমনি ভাবে কোন নবীকে অস্বীকার করলেও তিনি জানিয়ে এসেছেন সেটাকে অস্বীকার করলে যে কেউ মুরতাদ হয়ে যায়।

মুমিন মুনাফিক ও কাফিরের বৈশিষ্ট্যসমূহ

কারণ কারণ বিমান পরিপূর্ণ হবে না যতক্ষণ না সে আল্লাহর প্রতি তাঁর ফেরেশতাগণ এর প্রতিকার গ্রন্থাবলীর প্রতীক ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে যে ব্যক্তি এমন মহাপাপী লিপ্ত হয়েছে তার কর্তব্য হচ্ছে অনতিবিলম্বে সত্যিকারের তওবা করা 2 সাক্ষ্য বাণী উচ্চারণ করে ইসলামী পরিভাষা এবং সকল নবীগণকে সম্মান কর অতঃপর পূর্ণ একসাথে জেনে রাখুন যত গোষ্ঠীর নিজেদেরকে নবীদের সাথে সম্পৃক্ত. আমরা তাদের চির নবীগণের বেশি কাছের মানুষ।

তাই যদি কেউ কোন নবীকে গালি দেয় বা কষ্ট দেয় সে ক্ষেত্রে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে সকল নবীদের প্রতিরক্ষা করা আমাদের নবীর প্রতিরক্ষা হবে অন্যদিকে অসম্মান করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপর তাদের মর্যাদা তুলে ধরার মাধ্যমে এবং তাদের একজনের সাথে অন্যজনের সাথে সম্পৃক্ততা বর্ণনা করার মাধ্যমে তারা ঠিক যেমনটি আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আমাদের বলেছিলেন আমার উদাহরণ ও আমার পূর্ববর্তী নবীগণের উদাহরণ হচ্ছে ওই ব্যক্তির মতো দিরেক্টিভ বাড়ি বানিয়েছে।

এবং সেই বাড়িটি সৌন্দর্যমণ্ডিত সুশোভিত করেছেন তবে এক কর্নারের একটি নীড় ছাড়া লোকেরা সেই বাড়িটি ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো দেখে বিমোহিত হচ্ছিল হচ্ছিল এই জায়গাটাতে টিকে থাকা হতো তবে খুব সুন্দর হতো জায়গাটি খালি পড়ে আছে আমি হচ্ছি সেই আমি হচ্ছি সর্বশেষ নবী যে এই সৌন্দর্য মন্ডিত বাড়িটির পূর্ণতা দিয়েছি সহি বুখারী.।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *