শয়তান মানুষের মনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয় জাতে আজান এর শব্দ না শোনে

আধুনিকতা যদি সময় শয়তান মানুষের মনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয় যেন তারা আযানের ফজিলত থেকে বঞ্চিত হয় শয়তান নামাজ কে ঘৃণা করে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যখন আযানের শব্দ উচ্চারিত হয় স্বতন্ত্র শব্দের ছাড়তে ছাড়তে দৌড়ে পালিয়ে যায় জাতির দারকানে আর আযানের শব্দ না আসে আজান শেষ হলে আবার ফিরে আসে ইকামতের সময় আবার সে পালিয়ে যায় এবং শেষ হলে আবার ফিরে আসে এবং মানুষের মন ফিসফিসিয়ে ধোকা দিতে থাকে যাতে নাম আজ থেকে মনোযোগ সরে যায় এবং মানুষকে এমন সব জিনিস মনে করিয়ে দেয়।

শয়তান মানুষের মনকে

যা নামাজের পূর্বে তার মাথায় ছিল না এবং যার কারণে মানুষ ভুলে যায় যে কত রাকাত নামাজ পড়েছে আর এই সংকটে বর্তমান সমাজের মানুষ বেশি ভুগছে অধিকাংশ নামাজি রায়ে তাদের নামাজের রাকাত মনে করতে পারছে না নামাজে মনোযোগ হারিয়ে হাদিস নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যেটাকে আমরা আমলেই নেই না সেটা হল আজান আমরা কি কখনো আজানের সুমধুর সুরের মূর্ছনা অনুভব করেছি যে আযানের মাধূর্য আস্বাদন করে তার নামাজে খুশু খুজু বৃদ্ধি পায় প্রশ্ন আসতে পারে যে পশুর সাথে আযানের সম্পর্ক কি?

শয়তান মানুষের মনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয় জাতে আজান এর শব্দ না শোনে

আজানের সময় হতেই শয়তান মানুষের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করতে থাকে যাতে আযানের গুণাবলী থেকে এসে কোনো লাভ না পায় তাহলে আযানের কি এমন বিশেষ গুণ আছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন মদিনার আজান যতদূর পৌঁছে এবং যেটা শুনে আধুনিক শব্দগুলোর সমর্থন দেয় অর্থাৎ আজানের উত্তর দেয় তার জন্য মাফ করে দেয়া হয় যারা তার সাথে নামাজ পড়বে তাকেও তাদের সমপরিমাণ সওয়াব দেওয়া হবে তাহলে যদি 50 জন মানুষ নামাজ পড়ে মহাসিন 50 জনের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করে।

আজান নিয়ে উক্তি,আযান বাংলা উচ্চারণ সহ

যদি 100 জন নামাজ পড়ে তো 100 জনের সওয়াব লাভ করে আমাদের প্রশ্ন হল আমরা তো মর্জিনা আমাদের এতে কী লাভ. হা লাভ আছে আমরাও মুয়াজ্জিনের সমপরিমাণ সওয়াব পেতে পারি আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বর্ণনা করেন যে এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন মসজিদকে আমাদের চেয়ে বেশি শয়তান এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন মুয়াজ্জিন যা বলে তা যদি তুমিও বলো আর যখন আযান শেষ হয় তখন দোয়া করো।

তাহলে তোমাকেও সেই পরিমাণ সব দেওয়া হবে আবু দাউদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন তোমরা মুয়াজ্জিনকে আযান দিতে শুনবে তখন সে রূপ বলবে যাতে তোমরা সমপরিমাণ সওয়াব এর ভাগিদার হোক এরপর আমার উপর সালাত পাঠ করবে কারণ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার সালাত পাঠ করবে আল্লাহ তাকে দশবার রহমত প্রদান করবেন এরপর আমার জন্য উসিলা চাইবে কারণ ওসিলা হল জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান আল্লাহর একজন মাত্র বান্ধবী মর্যাদা লাভ করবেন এবং আমি আশা করি আমি হব সেই বান্দা।

বুখারী শরীফ হাদিস নং ৪৬৩৬ আযানের ধ্বনি

যে ব্যক্তি আমার. নসিলা চাইবে তার জন্য শাফায়াত প্রাপ্ত হয়ে যাবে ওসিলা শব্দের অর্থ হলো নৈকট্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর যা আল্লাহর আরশ এর সবচেয়ে নিকটবর্তী তাকেও শিলা বলা হয় স্থানটি আল্লাহর একজন বান্দার জন্য নির্ধারিত তিনি হলেন নবী মোস্তফা মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যান্য প্রার্থনার পদ্ধতি ও ভাগ্য তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন দোয়াটি হচ্ছে আল্লাহুম্মা রাব্বির হামহুমা কামা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ হে আল্লাহ এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং আগত সালাতের প্রভু আপনি প্রদান করুন।

শয়তান মানুষের মনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয় জাতে আজান এর শব্দ না শোনে

মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নৈকট্য এবং মর্যাদা এবং তাকে উঠান সম্মানিত অবস্থানে যা আপনি তাকে ওয়াদা করেছেন 989 নম্বর হাদিস মনে রাখা উচিত যে আযান হল আহ্বান. হল সবচেয়ে সুন্দর আহ্বান যা আমাদেরকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ এবং একমাত্র ইবাদতের যোগ্য আল্লাহর দিকে ডাকে যখন আমরা আমাদের অনেক ভালোবাসার কারো কাছে যাই আমাদের মাঝে আবেগ উত্তেজনা কাজ করে এক ধরনের আকাঙ্ক্ষা কাজ করে আর এইসব শুরু হয় যখন অনেক ভালোবাসার সে বলে 10 মিনিটের মাঝে আমি তোমার সাথে দেখা করছি বা তুমি আসো এখনই দেখা করব।

ই হাদিস বুখারী শরীফ দোয়া অধ্যায়

আমাদের মাঝে এক আজব সুখের অনুভূতি খেলা করে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু বর্ণনা করেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করতে পছন্দ করে আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাৎ করতে পছন্দ করেন বোখারী আজান আমাদের বলে যে এখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময় হয়েছে তাই যারা আল্লাহকে ভালোবাসে তারা তাড়াতাড়ি করে প্রস্তুত হয়ে দেখা করতে মসজিদে জায়নামাজে দাঁড়িয়ে পড়ে নামাজের শেষ সময় এর জন্য অপেক্ষা করে না মূসা আলাইহিস সাল্লাম কে দেখুন কি করেছিলেন সূরা তাহা।

আল্লাহ পাক বলেন হে মূসা.তোমার সম্প্রদায় কে পেছনে ফেলে তুমি তাড়াতাড়ি কেন করলে তিনি মূসা আলাইহিস সাল্লাম বললেন এইতো তারা আমার পেছনে আসছে এবং হে আমার পালনকর্তা আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম যাতে তুমি সন্তুষ্ট হওয়া মুসা আলাই সাল্লাম আল্লাহকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন একারণেই তাড়াতাড়ি আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের আশায় এত জোর কদমে এগিয়ে গিয়েছিলেন যে তার সম্প্রদায় তাল মেলাতে না পেরে পিছিয়ে পড়েছিল আযান-কে উপভোগ এবং উপলব্ধি করতে থাকুন ইনশাআল্লাহ নামাজ ও উপভোগ্য হয়ে উঠবে আল্লাহ আপনি আমাদের নামাজকে নিখুঁত ও সুন্দর করে তুলুন আমিন.।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *