শীতকালের জুমার নামাজ আগে পড়া যায় ও গরম কালে বিলম্ব পড়া

হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী শীত ও গরমের আগমন জাহান্নাম থেকে তাই শীতের আগমনী একজন মুমিন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস স্মরণ করে জাহান্নামের বিষয়ে সতর্ক থাকবে হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন জাহান্নাম আপন প্রভুর কাছে অভিযোগ করে বলল আমার এক অংশ পরম সুখে খেয়ে ফেলছে তখন আল্লাহ তাআলা তাকে দুইবার শ্বাস ফেলার অবস্থিত একটি গরমে একটি এর ফলেই তোমরা প্রচন্ড গরম ও তীব্র ঠান্ডা অনুভব করো সহি বুখারী ৪৩৩ নং হাদিস সহি মুসলিম

শীতকালের জুমার নামাজ আগে পড়া যায়

১৭ নং হাদিস শীতকালের জুমার নামাজ আগে পড়া যায় হাদীস শরীফে এ বিষয়ে স্পষ্ট আলোচনা এসেছে তাই শীতকালে একজন মুমিনের এ বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত হযরত আনাস সিট তীব্র হলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ আগে আগে পড়তেন আর প্রচন্ড গরম হলে নামাজ বিলম্বে পড়তেন সহি বুখারি হাদিস নম্বর ৯০৬ নামাজে মুখ ঢেকে না রাখা শীতের কষ্ট থেকে বাঁচার জন্য অনেকেই মুখ ঢেকে রাখেন এমনকি সালাতের সময় মুখ থেকেই সালাত আদায় করেন এটি একেবারেই নিষেধ পরিহার করতে হবে।

শীতকালের জুমার নামাজ আগে পড়া যায় ও গরম কালে বিলম্ব পড়া

হাদিস শরীফে এসেছে হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় ঝুলিয়ে ও মুখমন্ডল ঢেকে নামাজ আদায় করতে নিষেধ করেছেন সুনানে আবু দাউদ  ৪৩ নং হাদিস এর উপর মাসেহ করা এটি আল্লাহর মোজার উপর মাসেহ করা শীতকালের উপযোগী আমরা জাতীয় মুজায় মাসের করা যায়নি এটি শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পূর্ণ অজু অবস্থায় মোজা পরিধান করবে এরপর ওযু নষ্ট হবার সময় থেকে নিয়ে বাড়িতে অবস্থান কালে একদিন একরাত।

জুমার দিন যোহরের নামাজ জামাতে পড়া যাবে কি

আর সফর অবস্থায় তিনদিন তিনরাত মাসেহ করার বিধান আছে অর্থাৎ মৌজা না খুলে দেবার পরিবর্তে তিন আঙ্গুল দিয়ে উপর পর্যন্ত মাসে করবে যদিও বছরজুড়েই আমল করা যায় তথাপি সিতে এর সুযোগ বেশি হযরত আলী ইবনে আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু বলেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজার উপর মাসেহ এর মেয়াদ মুকিম এর জন্য একদিন একরাত এবং মুসাফিরের জন্য তিনদিন তিনরাত নির্ধারণ করেছেন সহিঃ মুসলিম হাদিস এখানে লক্ষণীয় পাদুয়া ও মোজার উপর মাসেহ করা উভয়টিতে সব সময় মাসের কারণে সব কমে যাবে না।

কিন্তু কোনো মুসলমান যদি এ নিয়তে করে যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যবহার করেছেন এবং তাতে মাসে করেছেন তাহলে একটি সুন্নত আমল করার সওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য বিশেষ ছাড় বান্দা হিসেবে মালিকের. গ্রহণ করা উচিত এতে আল্লাহ খুশি হন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহর সাধারণ বিধানের পাশাপাশি স্যারের বিধানগুলোর উপর আমল করা তিনি পছন্দ করেন তাই একজন মুমিনের উচিত বিভিন্ন সুযোগে মোজার উপর মাসেহ করে আল্লাহর এছাড়া গ্রহণ করা।

মহিলাদের জুমার নামাজ পড়ার নিয়ম

অন্য হাদিসে আল্লাহর ছারকে বিশেষ অনুদান আখ্যায়িত করে তা গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন সহিঃ মুসলিম ৬৮৩ নং হাদিস। এছাড়া এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে শীতের দিনে হাতমোজা পড়ে নামায আদায় করলেন আমাদের কোনো ত্রুটি হবে না শীত বস্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষের ক্ষতি করতে পারে তাই শীতের বস্ত্র ব্যবহার করা তাফসীরে ইবনে আমের রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন ওমর রাদিয়াল্লাহু শীতকাল এলে আমাদেরকে সতর্ক করে চিঠি পাঠাতে উপদেশ দিতেন শীত আগমন করেছে শীত শুরুর পর্যায়ে অনেক সময় মানুষের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শীতকালের জুমার নামাজ আগে পড়া যায় ও গরম কালে বিলম্ব পড়া

সুতরাং তার জন্য প্রস্তুতি নাও হাত মোজা পা মোজা ও হালকা যাবতীয় সূত্র গ্রহণ করো. এছাড়াও শীতবস্ত্র পেয়ে শুকরিয়া আদায় করতে হবে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের দরবারে এছাড়াও শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে হবে শীতের মৌসুমে শীতার্ত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা তাদের পাশে দাঁড়ানোর মোক্ষম সুযোগ এটি যেমন নৈতিক কর্তব্য তেমনি ঈমানী দায়িত্ব বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নত দেশে এখানে বহু সংখ্যক লোক শীতে কষ্ট পায় তাই এ দায়িত্ব পালন করা আমাদের উপর অপরিহার্য হয়ে পড়ে।

জুমার নামাজ দুই রাকাত কেন

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরেও পূর্বেও নিজেকে আর্তমানবতার কাজে নিয়োগ করেছেন তাই আমাদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করা উচিত হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু জীবনী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে ব্যক্তি আপন মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করবে আল্লাহ তা’আলা তার প্রয়োজন পূরণ করবেন সহি বুখারী 2310m হাদীস হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু বলেন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় বান্দা ঐ ব্যক্তি যে আল্লাহর বান্দাদের বেশি উপকার করে।

২১৫ সহীহুল জামে ১০৭২ এখানে কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং ভুল রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল আগুন রুম হিটার ইত্যাদি সামনে নিয়ে নামাজ পড়া যাবে না। শীতকালে অনেক সময় উষ্ণতা লাভের জন্য আগুন রুম হিটার ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয় এতে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই করতে পারেন সমস্যা নেই। তবে এগুলোর সামনে রেখে কোন ভাবে নামাজ আদায় করা যাবে না। কারণ এতে অগ্নি পূজারীদের এবাদত এর সাথে সাদৃশ্যতা তৈরি হয়।

রাতে ঘুমানোর সময় আগুন ১২ মিটার বন্ধ করে ঘুমানো উচিত এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক কমে যায় হাদীসে এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এসেছে হযরত আবু মুসা আশ’আরী রাদিয়াল্লাহু বলেন রাসুল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন অগ্নি তোমাদের শত্রু যখন ঘুমাবে ঘুমাবে সহি বুখারী ৬২৯৪ হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ঘুমের সময় অগ্নি প্রজ্বলিত করে রেখো না সহি বুখারি ৫৮৪৮।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *