সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো চাইনিজ মার্শাল আর্ট

বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ঐতিহ্য সংস্কৃতি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা বহু শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা চিনা সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো চাইনিজ মার্শাল আর্ট।  এটি কুহুকুহু নামেও পরিচিত।  এই নীতিতে শতশত আক্রমণ শৈলী ও প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করার ধারা নিয়ম রয়েছে।এগুলোর প্রত্যেকটি চিনা বিভিন্ন ধর্ম দর্শন ও কিংবদন্তিদের মাধ্যমে প্রণীত ও সিদ্ধান্ত ঐতিহ্যগত ধর্ষণ গুলোর মধ্যে একটি হলো অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক শক্তিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পাশাপাশি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পূর্ণতা অর্জন করা। চাইনিজ মার্শাল আর্টের অঙ্গনে চিনা ওই পরিবারের অর্থাৎ বৃহৎ মুসলিম জাতি গোষ্ঠীর অবদান।

সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো চাইনিজ মার্শাল আর্ট

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঐতিহ্যের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।  তিনি বলেছিলেন শক্তিশালী মানুষ ভালো হলেই শক্তিশালী নয়।  প্রকৃত শক্তিশালী মানুষ কেবল সেই ব্যক্তি যিনি রাগান্বিত হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।  বোখারী হাদিস নংঃ (৫৪৬৩) পরিবারের সদস্যরা ইসলামী আকীদা বিশ্বাস করিনা।  ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিশেলে নিজেদের অনন্য করে তুলেছিলেন একটি মিশ্র প্রক্রিয়াকরণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল।  তারা মার্শাল আর্টস এর নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার দের জন্ম দিয়েছিল।

সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো চাইনিজ মার্শাল আর্ট

উশুম্পুর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে তাদের জন্য কোন ব্যাপারই ছিল না।  বলতে গেলেই সন্তানদের জন্য এটি একপ্রকার তুচ্ছ বিষয়।  আলোর প্রতি দর্শকদের জন্য দুইজন হই গ্র্যান্ডমাস্টারের কথা আলোচনা করব।  যারা মার্শাল আর্ট অঙ্গনে বেশ সুবিদিত। মুসলিম মশালাদার প্রথম সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ার হুইলার।  জগতের অন্যতম একজন হলেন মুসলিম গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ার জন্ম ১৯৩০ সালে চীনের হুবেই প্রদেশের। তিনি মার্শাল আর্ট শিল্পীদের বিশিষ্ট ওই পরিবারের ষষ্ঠ প্রজন্মের সন্তানরা চিনা মার্শাল আর্ট কে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেওয়া।

মুষ্টিমেয় গ্র্যান্ডমাস্টার দিয়েছিলেন তিনি তিনিই প্রথম সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে এই ব্যাংকটি অর্জন করেছিলেন।  তার বাবা ও চাচা তাকে পাঁচ বছর বয়সে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ার প্রচুর ঐতিহ্যবাহী উনবক্সিং ও মঙ্গোলিয়ান পুষ্টি এবং শিখেছিলেন।  অনুমান করা হয় যে তিনি কর্মজীবনের প্রায় ১০হাজার শিশু শিক্ষার্থীকে মার্শাল আর্ট শিখিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে প্রখ্যাত যাচ্ছেন জনপ্রিয় রয়েছেন সুবহানাল্লাহ হাজার.৯০০ বাঁশি সালে তিনি মার্শাল আর্ট উইথ এবং জেটলি অভিনীত শাওলিন টেম্পল চলচ্চিত্রের প্রধান কোরিওগ্রাফার হন তার পরে তার বিশ্ব বেশি শিক্ষার্থী ও মার্শাল হিরো উপাধি অর্জন করেছিলেন।

এই উপাধি পুরস্কারটি এমন অ্যাথলেটদের দেওয়া হয়

এই উপাধি পুরস্কারটি এমন অ্যাথলেটদের দেওয়া হয় যারা চীনের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে শীর্ষ তিনে একাধিক স্থান অর্জন করেছেন পরবর্তীকালে মেজিয়া তার দুই পুত্র জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বলা যায়।  এটি পারিবারিক উত্তরাধিকারের মত একটি সম্পদ তাদের জন্য চাইনিজ কুংফু জিপি আরেকজন মুসলিম গ্র্যান্ডমাস্টারের কথা অবশ্য লেখ তার নাম ছিল উঞ্জিপিং ৩৮৮১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং হাজার ৯৭৩ অবধি বেঁচে ছিলেন তার জীবন কালে তিনি লায়ন অফ চাইনিজ কম্পু উপাধি পুনরুদ্ধার করেছিলেন তার বাবা ও দাদা উভয়ই বিখ্যাত মার্শাল আর্টিস্ট ছিলেন তারা আজই পিনকে মার্শাল আর্টে নিরুৎসাহিত করেছিলে।

সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো চাইনিজ মার্শাল আর্ট

কারণ তারা চাননি যে যে সমস্যার মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয়েছিল সে অভিজ্ঞতা জিপি গ্রাহক অন্যদিকে ওয়ান জিপি আর্সেনিক অনুরাগী ছিলেন এমনকি সাত বছর বয়সী প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন তিনি সারা দেশে ভ্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি তার অধীনে যাত্রা শুরু করেন। ভ্রমণের সময় তিনি অংশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন যে লড়াইয়ের ময়দানে অনেকে তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস করেছিলেন তবে কেউ তাকে পরাজিত করতে পারেননি।

জার্মান শ্রমিকদের একদল যুবক খেলোয়াড় ও সুলিভান নামের আমেরিকান তার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে জয়লাভ করতে পারেনি। হাজার .৯৪৯ বিপ্লবের পরে তিনি একজন বীর হিসেবে সম্মান লাভ করেন। এছাড়াও সাংহাইয়ের মাল্টিপল পিপলস কংগ্রেসের ডেপুটি পদে নেশনাল অ্যাসোসিয়েশন এর সহ-সভাপতি ও অলজিন স্পোর্টস federationয়ের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন। সুদীর্ঘ তালিকার দুইটি নক্ষত্র বিশ্বের অনেক আর্টিস্ট কেবল তাদের প্রশংসা করেন না বরং তারা তাদের জন্য অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ বোধ করেন।  তাদের অবদান প্রভাব-প্রতিপত্তি অতৃপ্তি ইতিহাসের সব সময় অবশ্য রিনিউ হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *