সিনেমা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা মুভি

আমার দেখা বাংলা সিনেমা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা মুভি “নিরন্তর” । প্রখ্যাত কথা সাহিতিক ” হুমায়ুন আহমেদ” এর জন প্রিয় উপন্যাস “জনম জনম” অবলম্বনে তৈরী করা হয় নিরন্তর সিনেমাটি।গল্পঃ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তিথি যে কিনা একজন রাতের রানী। সে অসচল পরিবারের হালধরতে বেছে নেয় শরীর বিক্রি তথা পতীতাবৃত্তির মত অমানবিক পেশা । দিন যেতে থাকে তিনি তার সবথেকে মূলবান সম্পদ সম্মান কে বিক্রি করে, বাবার চোখে চিকিৎসা করিয়ে চোখ ভালো করে এবং ভাইকে ব্যবসায় দাড় করিয়ে প্রতিষ্ঠা করিয়ে দেয় কিন্তু সে কি পেরেছিলো নতুন করে বাচঁতে.?

দেখতে হবে শাবনূর অভিনিত সাহিত্য

বা নিজের জীবনের গল্প সাজাতে.? নাকি তাকে এই পথে নিরন্তর চলতে হয়..?! এটা জানতে হলে আপনাকে দেখতে হবে শাবনূর অভিনিত সাহিত্য নির্ভর অনুপম এই চলচিত্রটি।.রিভিউঃ নিরন্তর সিনেমার শাবনূর কিন্তু বাকি ৮-১০ জনপ্রিয় সিনেমার সেই শাবনূর না। নিরন্তরে এতোটাই দূর্দান্ত অভিনয় করেছিলেন তিনি মনে হবে যেন বাস্তব জীবনেরই কোন এক পতিতা মেয়ে গল্প দুঃসাহসী এই চরিত্রে অভিনয় করাটা প্রথম সারির নায়িকার জন্য যেমন ঝুঁকির ছিল তেমনি সাহসীকতাও দেখিয়েছিলেন শাবনূর ফলরূপ তার বাস্তব সম্মত অভিনয় দিয়েছে।

esdfg

মেসেঞ্জার একাউন্ট খোলার নিয়ম। দেখুন কিভাবে একটি ম্যাসেঞ্জার অ্যাকাউন্ট করতে হয়

নিচু থেকে উচু সব শ্রেণির মানুষ সহ সমালোচকদের প্রসংসা সিনেমাটি দেশ-বিদেশ থেকে পেয়েছে অসংখ্য সম্মাননা এবং ” নিরন্তর ” প্রথম সারির কোন অভিনেত্রীর একমাত্র সিনেমা যেটি ২০০৬ সালে বাংলাদেশ থেকে অস্কার প্রতিযোগিতাই প্রতিযোগিতা করে বিদেশি ভাষায় সিনেমা শাখায়। “”নিরন্তর”” এমন একটা সিনেমা যা একবার না হাজার বার দেখলেও মন ভরবে না আপনার শৈল্পিকমন বার বার তাড়া করবে আবারো “নিরন্তর” দেখতে। যদি কেউ এখনো “নিরন্তর” না দেখে থাকেন আমি অনুরোধ করবো এখুনি দেখতে বসুন এই সিনেমাটি কোনো ভাবে মিস করবেন না শাবনূর কে ঘৃণা করলেও নাহ ।

কাহিণীটা এরকম যে, বাসভর্তি নার্সদের বন্দি করে ইরাকী জঙ্গী সংগঠন ISC.তাদেরকে উদ্ধার করার জন্য টাইগারকে হায়ার করে তার পুরনো বস শেনয়।এটাকে এক থা টাইগারের সিক্যুয়েল বলা যায়।এই সিনেমা রিলিজের পাঁচ বছর আগে এক থা টাইগার রিলিজ হয়েছিল।সেখানে সালমান(টাইগার) র এর এজেন্ট এবং ক্যাটরিনা (জোয়া)আইএসআই এর এজেন্ট ছিল।দুজনে মিলে কিউবায় গিয়ে সংসার পাতে।আট বছর কেঁটে যায়।তাদের একটা সন্তানও হয়। সেখান থেকে টাইগার জিন্দা হ্যায় এর কাহিণী শুরু।নার্সদের উদ্ধারের মিশনে নামে টাইগার।

সিনেমাটিও ভালো ব্যবসা করেছিল

দেখে আমার এটলিস্ট বোরিং লাগেনি।ভালোই ছিল। সিনেমাটিও ভালো ব্যবসা করেছিল।ভারতে ৪৬০০ টি এবং বাইরে ১০০০ টি স্ক্রিনে মুক্তি পায়। নিজের একটা টিম বানালো টাইগার।যেখানে আছে একজন স্নাইপার,একজন টেকি,আর একজন বম্ব ডিফিউজার।টাইগারের মিশনের শুরু হল। টাইগার কি পারবে,জঙ্গীদের আস্তানা থেকে সেই জিম্মি নার্সদের নিরাপদে বের করে আনতে? গল্পটা আকর্ষণীয় তাতে কোন সন্দেহ নেই।আলী আব্বাস জাফর যত্ন নিয়েই বানিয়েছেন সিনেমাটা।হিরোইজমকে ছাপিয়ে গল্পকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।সালমান খানও তার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এই সিনেমার সফলতা সেসময় সালমান খান বেশ ভালোভাবেই এনজয় করেছিল।আতিফ আসলামের কন্ঠে দিল দিয়ান গাল্লান শিরোনামের গানটিও বেশ সাড়া ফেলে। MCU এ আমার অন্যতম প্রিয় সুপারহিরো হচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা।থরের পরে ক্যাপ্টেন আমেরিকাকে ভালো লাগে। এই মুভিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অবস্থা এবং দেশপ্রেমকে তুলে ধরা হয়েছে।দেশপ্রেম একটি মহৎ গুণ।আমরা যদি ব্যক্তিস্বার্থকে বড় করে না দেখি তাহলে হয়তো উপলব্ধি করতে পারবো আমাদের অন্তর জুরে কতটা স্বদেশপ্রেম থাকা উচিত।আমেরিকার আইকন হিরো হয়ে উঠার গল্পই ক্যাপ্টেন আমেরিকা।

স্টিভ রজার্সের ইচ্ছা থাকে ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমির্তে যোগদান করবে এবং আমেরিকার হয়ে ফাইট করবে।কিন্তু অতিরিক্ত রোগা,শর্ট হাইটের কারণে বারবার ইন্টারভিউ তে ব্যর্থ হতে হয়।কিন্তু স্টিভের ভিতরে ছিল সত্যিকারের দেশপ্রেম এবং অদম্য মনোবল।শারীরিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে ধরা দেয়।স্টিভের ক্ষেত্রেও সেরকম হয়।সৌভাগ্যক্রমে স্টিভ একবার এক আর্মিতে নিজেকে প্রমাণ করার চান্স পায়।সেখান থেকেই শুরু হয় তার ক্যাপ্টেন আমেরিকা হয়ে উঠার গল্প। মুভির কাহিণী ভালো ছিল।

আমি বারবার সেই আগের স্টিভকে

সবচেয়ে অবাক হয়েছিলাম স্টিভের ট্রান্সফরমেশন দেখে।আমি বারবার সেই আগের স্টিভকে মিলাচ্ছিলাম এবং বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে।অ্যাকশনের পাশাপাশি হালকা থ্রিল আর রোমান্সও রয়েছে।সবমিলিয়ে ক্যাপ্টেন আমেরিকার অরিজিন মুভি হিসেবে বেশ ভালো।কাহিণীটা এরকম যে, বাসভর্তি নার্সদের বন্দি করে ইরাকী জঙ্গী সংগঠন ISC.তাদেরকে উদ্ধার করার জন্য টাইগারকে হায়ার করে তার পুরনো বস শেনয়।এটাকে এক থা টাইগারের সিক্যুয়েল বলা যায়।এই সিনেমা রিলিজের পাঁচ বছর আগে এক থা টাইগার রিলিজ হয়েছিল।

সেখানে সালমান(টাইগার) র এর এজেন্ট এবং ক্যাটরিনা (জোয়া)আইএসআই এর এজেন্ট ছিল।দুজনে মিলে কিউবায় গিয়ে সংসার পাতে।আট বছর কেঁটে যায়।তাদের একটা সন্তানও হয়। সেখান থেকে টাইগার জিন্দা হ্যায় এর কাহিণী শুরু।নার্সদের উদ্ধারের মিশনে নামে টাইগার।দেখে আমার এটলিস্ট বোরিং লাগেনি।ভালোই ছিল। সিনেমাটিও ভালো ব্যবসা করেছিল।ভারতে ৪৬০০ টি এবং বাইরে ১০০০ টি স্ক্রিনে মুক্তি পায়। নিজের একটা টিম বানালো টাইগার।যেখানে আছে একজন স্নাইপার,একজন টেকি,আর একজন বম্ব ডিফিউজার।টাইগারের মিশনের শুরু হল।

টাইগার কি পারবে,জঙ্গীদের আস্তানা থেকে সেই জিম্মি নার্সদের নিরাপদে বের করে আনতে? গল্পটা আকর্ষণীয় তাতে কোন সন্দেহ নেই।আলী আব্বাস জাফর যত্ন নিয়েই বানিয়েছেন সিনেমাটা।হিরোইজমকে ছাপিয়ে গল্পকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।সালমান খানও তার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।এই সিনেমার সফলতা সেসময় সালমান খান বেশ ভালোভাবেই এনজয় করেছিল।আতিফ আসলামের কন্ঠে দিল দিয়ান গাল্লান শিরোনামের গানটিও বেশ সাড়া ফেলে।ধরুনগে আপনার আব্বু আপনাকে একটা জামা দিলো সে জামা তো আপনি প্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করবেন না জামা হিসেবে গায়ে দিবেন না ব্যবহার করলে তো আপনার ছোট ভাই ঐ জামা নিয়ে ব্যবহার করবে এটাই বাস্তবতা ।

যদি তাকে সব মুভিতে ঠিকভাবে ব্যাবহার

নিজের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যদি তাকে সব মুভিতে ঠিকভাবে ব্যাবহার করতে না পারে তাহলে তো সে সুযোগ অন্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিবে এটাই স্বাভাবিক।সেটা হোক আমাদের এই বাংলার ইন্ডাস্ট্রি বা ওপার বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি।গল্পঃ শহরে নারী অপহরণের পরিমাণ তুলনামূলক বেড়ে গেছে।প্রতিটা অপহরণের একটা কমন মোটিফ ছিলো ।আর সেটা হলো প্রতিটা ভিক্টিম একই প্রক্রিয়ায় অজ্ঞান হচ্ছিল এবং কিছুদিন পর সেসব নারীরা নিজের অজান্তে প্রেগন্যান্ট হয়ে যাচ্ছিল। গানা পাঁচ বছর পর দেশে ফিরে তার বোনের বিয়েতে অংশগ্রহণ করার জন্য।কিন্তু তার বোন ও একই প্রক্রিয়ায় প্রেগন্যান্ট হয় তাও আবার বিয়ের আগের দিন।

dfgsdbg

মোটরসাইকেল ইনসুরেন্স কি ও ইনসুরেন্স করার নিয়ম

এখন মেয়েদের এই অজানা প্রক্রিয়ায় প্রেগন্যান্ট হওয়ার পিছনে কি রহস্য লুকিয়ে আছে এটা বুঝতে হলে পুরো মুভি দেখতে হবে। রিভিউঃ এই ছবিটা অনেকের কাছে ফ্যামিলি ড্রামা মনে হতে পারে।কিন্তু যিশু সেনগুপ্ত যখন স্ক্রিনে আসে তখন আপনার ধারণা বদলে যাবে ।এই ছবির প্রাণ বলতে গেলে যিশু সেনগুপ্ত। কিন্তু লাস্টের এন্ডিংয়ে আরেকটু সুন্দর হলে মুভিটা আরো জমতো।সব মিলিয়ে এভারেজ একটা মুভি।

যিশুদার জন্য সিনেমাটা দেখেছিলাম যিশুদা নিরাস করেনিই যতটা আশা করেছিলাম তার থেকে বেশি পেয়েছি। কাহিনী ভালো ছিলো একটু thriller পেয়েছিলাম কিন্তু Director স্যার মনে হয় শেষের দিকে এসে একটু অমনোযোগী হয়ে গিয়েছিলেন। ছোট খাটো টুইস্ট আছে খারাপ না ভলোই লাগছে। সাউথ ইন্ডিয়ন সিনেমাতে যিশুদার অভিষেক শুভকামনা রইলো যিশুদার জন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *