হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তার শৈশব কাল থেকে যৌবন পর্যন্ত

আমরা সবাই জানি হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তার শৈশব কাল থেকে যৌবন পর্যন্ত ফেরাউনের রাজপ্রাসাদের কাটিয়েছিলেন তার অনিচ্ছাতেই একটি পিতার হাতে মৃত্যুবরণ করেন ফলে তিনি সেখান থেকে পলায়ন করে তুর পাহাড়ে রিসালাতের পূর্বে আর রাজপ্রসাদ ফিরে যাননি যৌবনপ্রাপ্ত থেকে শুরু করে বার্ধক্য পর্যন্ত আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের অসংখ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়েই জীবন অতিবাহিত করেছেন আল্লাহর এই মহানবী আর তার জীবনের বিভিন্ন পদে তিনি দোয়া চেয়েছেন।

 শৈশব কাল থেকে যৌবন পর্যন্ত

শুধু আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের কাছে তাইতো বিপদে-আপদে এখনো সেই মূসা আলাইহিস সালামের দোয়া গুলো আজও উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করে দিয়েছে আমি আজ আপনাদেরকে এমন কয়েকটি দোয়ার কথা বলব যে দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে যা চাইবেন আল্লাহ তাই দিবেন বিশেষ করে প্রথম গানটি মুসা আলাই সাল্লাম যে কোন দোয়া করার আগে এই দোয়া সবার উপরে নিতেন তখন যা চাইতেন আল্লাহ তা’আলার দান করতেন হাদীসে আরো আসছে কেউ যদি সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়াটি পড়ে।

হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তার শৈশব কাল থেকে যৌবন পর্যন্ত

তাহলে সে আল্লাহ তায়ালা এতো প্রিয় বান্দা হয়ে যায় যে সে ঐদিন দোয়া করে যা চাইবে তাই আল্লাহ তায়ালা কবুল করে নিবেন সুবাহানাল্লাহি হচ্ছে আল্লাহুম্মা আনতা খালাক্তানি ওয়াকা দিনে অন্তত তিন মিনিটের সরল বাংলা অনুবাদ হচ্ছে হে আল্লাহ আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন আপনি আমাকে পরিচালনা করেছেন আপনি আমাকে খাওয়াচ্ছেন আপনি আমাকে পানি দিচ্ছেন আবার আপনার হুকমি আমি মৃত্যুবরণ করছি এবং আপনি আমাকে জীবন দান করেছেন সুবহানাল্লাহ একজন বান্দা তার সৃষ্টিকর্তা তার প্রভুর কাছে কতটা করুণ স্বরে তার নিজের।

হযরত মুসা আঃ এর জীবনী থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা

অজ্ঞতা ব্যর্থতা অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে পারে এ দোয়াটি রচনা জানলে হয়তো বোঝাই যাবে না যে কোন দোয়ার আগে এবং পরে দুরুদ শরীফ পড়বেন হাদীসে আছে যে যে দোয়ার আগে-পরে দুরুদ শরীফ থাকে সে দোয়া কবুল করা হয়ে থাকে দোয়া ইউনুস পড়ে নিবেন এটার ব্যাপারে হাদীসে এসেছে যে যে দোয়ার আগে দোয়া ইউনুস করা হয় সে দোয়া কবুল হয় তারপর দোয়া করার সময় যতটুকু সম্ভব আল্লাহ তাআলার গুণী নাম গুলো পড়ে নিবেন এবং দোয়া শেষে আমিন বললে শেষ করবেন কেননা হাদীসে এসেছে যে দোয়া শেষে আমিন বলা হয় সেই দোয়া সিল মোহর মারা হয়ে যায়।

এবং আসমানের দিকে উঠে যায় হারাম কোন কিছু চাওয়া যাবে না যে কোন আমলের পর দোয়া করা উত্তম কেননা যে কোন আমলের পর আল্লাহ দোয়া কে কবুল করে থাকেন আর আরবি উচ্চারণ এর সহি ভাবে পড়ার চেষ্টা করবেন কেননা বাংলা উচ্চারণে ঠিকঠাকভাবে আরবী শব্দ না আসে না ভুল হয়ে গেলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে. মনে রাখবেন হযরত মুসা আলাই সাল্লাম এর জীবনের অসংখ্য দোয়া শিখিয়ে গিয়েছেন সে দোয়া গুলো পড়ার চেষ্টা করবেন আমরা সকলেই জানি ফেরাউনের গর্ব অহংকার এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে তার প্রজাদের বলে দিয়েছিল।

হযরত মুসা আঃ) ও ফেরাউনের এর কাহিনী,শিশু কিশোর যুবক বয়স

যে তোমাদের খোদা আমি তৎকালীন সময়ে ধন-সম্পদ স্বর্ণের সময়ান্তে এবং জাঁকজমকের সারা দুনিয়ায় তার সমতুল্য কেউ ছিলনা তাকে হেদায়েত করার জন্য আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে নির্দেশ দিলেন তখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর সাহায্য কামনায় দোয়া করেছিলেন যা হলো রাব্বিশ রাহলি সাদরি ইয়াসসিরলি আমরি ওয়াহলুল ওক্বদাতাম মিল্লিসানি ইয়াফকাহু কাউলি অর্থাৎ হে আমার প্রতিপালক আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও এবং আমার কাজ সহজ করে দাও আমার জিহবার জনতা দূর করে দাও যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তার শৈশব কাল থেকে যৌবন পর্যন্ত

সুবহানাল্লাহ সুরা তাহার 25 এবং 28 নং আয়াতে আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন মুসা আলাই সালাম এর জন্য উল্লেখ করে দিয়েছেন যাতে করে আজকের.আমরা আল্লাহপাকের কাছে কোন কিছু চাওয়ার আগে এতটাই করুন সুরে চাইতে পারি যেন আল্লাহ পাকের দরবারে আমাদের জন্য যাতে আমরা আল্লাহপাকের আজই করে ফেলতে পারি যাই কিছু চাই না কেন আল্লাহ যেন আমাদের জন্য তা কবুল ও মঞ্জুর করে নেন সুতরাং এ ফিতনা-ফাসাদের যুগে আমরা আল্লাহ পাকের শিখানো ভাষায় পাগাম বড়দের বাস্তব জীবনের আমলিদো আগুনের উপর আমল করার তৌফিক চাই আল্লাহ আমাদের উক্ত আয়াতের উপর আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন.।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *